বাংলাদেশে আইপ্যাডের দাম: iPad, Air, mini ও Pro

বাংলাদেশে আইপ্যাডের দাম ৳ ৬১,৮৫০ থেকে ৳ ১,৪৬,০০০ — ৭টি মডেল। স্টোরেজ দিয়ে ফিল্টার করুন, তারপর দুটি মডেল পাশাপাশি মিলিয়ে দেখুন।

Apple category

আইপ্যাডের দাম বাংলাদেশ: সবচেয়ে সস্তা তিনটি আইপ্যাড, তিন রকম সিদ্ধান্ত

এই পেজে বাংলাদেশে আইপ্যাডের দাম ৳ ৬১,৮৫০ থেকে ৳ ১,৪৬,০০০, মোট ৭টি লিস্টিং। কিন্তু আসল দ্বিধাটা একদম নিচের দিকে: সবচেয়ে সস্তা তিনটি আইপ্যাডের দামের পার্থক্য মাত্র ৳ ৪,১৫০, অথচ তিনটি মোটেও এক নয়।

A16 চিপের iPad 11th Gen ৳ ৬১,৮৫০-এ 128GB দেয়, কিন্তু এতে Apple Intelligence চলে না। ২০২২ সালের iPad Air M1 ৳ ৬৩,৫০০-এ Apple Intelligence চালায়, তবে স্টোরেজ মাত্র 64GB। ২০২৫ সালের iPad Air M3 ৳ ৬৬,০০০-এ দুটোই দেয়: M3 চিপ, 8GB RAM আর 128GB।

বাড়তি ৳ ৪,১৫০ দিতে পারলে Air M3-ই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত পছন্দ। নিচে দেখুন বাকি চারটি আইপ্যাড কোথায় বাড়তি দামের যোগ্য, আর কোথায় নয়।

আইপ্যাড প্রাইস লিস্ট ২০২৬: সাতটি মডেল একসাথে

নিচের দামগুলো এই পেজের বর্তমান লিস্টিং মূল্য, কম থেকে বেশি। দাম মেলানোর আগে অ্যাপল পেন্সিলের কলামটি দেখুন, কারণ অ্যাক্সেসরিজের খরচ এটাই ঠিক করে দেয়।

মডেল চিপ RAM / স্টোরেজ অ্যাপল পেন্সিল দাম
Apple iPad 11th Gen (2025) A16 128GB স্টোরেজ USB-C বা 1st gen ৳ ৬১,৮৫০
iPad Air 5th Gen (2022) M1 8GB / 64GB 2nd Gen ৳ ৬৩,৫০০
iPad Air M3 11-inch Wi-Fi M3 8GB / 128GB Pencil Pro ৳ ৬৬,০০০
iPad mini 7 A17 Pro 8GB / 128GB Pencil Pro ৳ ৭৯,৫০০
iPad Air M4 (2026) M4 12GB / 128GB Pencil Pro ৳ ৮৭,৯৯৯
iPad Pro M4 11-inch 256GB M4 8GB / 256GB Pencil Pro ৳ ১,২১,৫০০
iPad Pro M4 11-inch 512GB M4 8GB / 512GB Pencil Pro ৳ ১,৪৬,০০০

বাজেট অনুযায়ী আইপ্যাড: কোন ধাপে কী পাবেন

সাতটি দাম তিনটি দলে ভাগ হয়ে আছে, মাঝখানে বড় ফাঁক। ৳ ৬১,৮৫০ বাজেটের বাইরে হলে সব ব্র্যান্ডের ট্যাবলেট দেখুন, দাম শুরু ৳ ১৭,৯৯৯ থেকে।

শুরুর ধাপ

৳ ৬১,৮৫০ – ৳ ৬৬,০০০

  • iPad 11th Gen, Air M1 ও Air M3, পার্থক্য মাত্র ৳ ৪,১৫০।
  • Air M3-ই সাধারণ পছন্দ; বাকি দুটিতে কিছু না কিছু ছাড় দিতে হয়।
  • ক্লাস, নোট, স্ট্রিমিং ও হালকা এডিটিংয়ের জন্য ঠিক।

ছোট সাইজ বা দীর্ঘমেয়াদি

৳ ৭৯,৫০০ – ৳ ৮৭,৯৯৯

  • এক হাতে পড়া ও ভ্রমণের জন্য iPad mini 7।
  • iPad Air M4, এই পেজের একমাত্র 12GB আইপ্যাড।
  • ৳ ৬৬,০০০ থেকে ৳ ৭৯,৫০০-এর মধ্যে কোনো মডেল নেই।

প্রো

৳ ১,২১,৫০০ – ৳ ১,৪৬,০০০

  • OLED ডিসপ্লের iPad Pro M4, 256GB বা 512GB।
  • দুটির মাঝের ৳ ২৪,৫০০ দিয়ে শুধু স্টোরেজ বাড়ে।
  • Air M4-এর চেয়ে ৳ ৩৩,৫০১ বেশি, অথচ Air M4-এ একই প্রজন্মের M4 চিপ আর বেশি মেমোরি; টাকাটা মূলত স্ক্রিনের জন্য।

ছাত্রদের জন্য কোন আইপ্যাড ভালো? কাজ দেখে বেছে নিন

সবচেয়ে দামি আইপ্যাড খুব কম মানুষেরই দরকার। আগে ঠিক করুন কী কাজে লাগবে, তারপর সেই কাজ ভালোভাবে করে এমন সবচেয়ে কম দামের মডেলটি নিন।

নির্দিষ্ট বাজেটের ছাত্রছাত্রী

অনলাইন ক্লাস, PDF আর টাইপ করা নোটের জন্য ৳ ৬১,৮৫০-এর iPad 11th Gen যথেষ্ট। হাতে লিখে নোট নিতে চাইলে ৳ ৬৬,০০০-এর Air M3 বেশি বুদ্ধিমানের খরচ, কারণ এতে Apple Pencil Pro চলে।

হাতে লেখা ও স্কেচ

Air M3, Air M4, mini 7 আর দুটি Pro, সবগুলোতেই Pencil Pro চলে। তাই পছন্দের স্ক্রিন সাইজে সবচেয়ে সস্তাটি নিন। নিয়মিত ড্রয়িং করলে পেন্সিলের জন্য আলাদা ৳ ১৯,০০০ ধরে রাখুন।

পড়া ও যাতায়াত

8.3 ইঞ্চির mini 7-ই এখানে একমাত্র আইপ্যাড, যা লম্বা যাতায়াতে এক হাতে ধরে রাখা যায়। এতেও আছে A17 Pro চিপ, Apple Intelligence ও Pencil Pro সাপোর্ট।

পাঁচ বছর চালানোর পরিকল্পনা

এখানে একমাত্র Air M4-এ 12GB মেমোরি, যা Apple Intelligence-এর কিছু উন্নত অন-ডিভাইস ফিচারের জন্য Apple এখন বাধ্যতামূলক করেছে। এই বাড়তি জায়গাই আইপ্যাডকে বছরের পর বছর নতুনের মতো রাখে।

ছবি, ভিডিও ও ডিজাইনের কাজ

M4 Pro-তে OLED ডিসপ্লে ও বেশি স্টোরেজ। ছবির কাজের জন্য ৳ ১,২১,৫০০-এর 256GB নিন; ভিডিও প্রজেক্ট ডিভাইসেই রাখলে তবেই ৳ ১,৪৬,০০০-এর 512GB।

অফিস ও মিটিং

ব্লুটুথ কীবোর্ডসহ Air M3 বা Air M4-এ ইমেইল, ডকুমেন্ট ও ভিডিও কল স্বাচ্ছন্দ্যে চলে। প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা টাইপ করলে নিচের ল্যাপটপ তুলনাটা আগে পড়ুন।

অ্যাপল পেন্সিলের দাম: আইপ্যাড সেটআপের আসল খরচ

কোনো আইপ্যাডের সঙ্গেই পেন্সিল আসে না, আর কোন পেন্সিল চলবে তা মডেলের ওপর নির্ভর করে। ClickBD-তে অ্যাপল পেন্সিলের দাম Pencil Pro ৳ ১৯,০০০ এবং Pencil 2nd Gen ৳ ১৫,৫০০।

আইপ্যাড + পেন্সিল আইপ্যাড পেন্সিল মোট
Air M1 + Pencil 2nd Gen ৳ ৬৩,৫০০ ৳ ১৫,৫০০ ৳ ৭৯,০০০
Air M3 + Pencil Pro ৳ ৬৬,০০০ ৳ ১৯,০০০ ৳ ৮৫,০০০
mini 7 + Pencil Pro ৳ ৭৯,৫০০ ৳ ১৯,০০০ ৳ ৯৮,৫০০
Air M4 + Pencil Pro ৳ ৮৭,৯৯৯ ৳ ১৯,০০০ ৳ ১,০৬,৯৯৯
Pro M4 256GB + Pencil Pro ৳ ১,২১,৫০০ ৳ ১৯,০০০ ৳ ১,৪০,৫০০

দুটি হিসাব অনেককে অবাক করে। Pencil Pro-সহ Air M3-এর মোট খরচ শুধু Air M4-এর দামের চেয়েও ৳ ২,৯৯৯ কম। আর iPad 11th Gen-এ লাগে Apple Pencil USB-C বা 1st generation, যার কোনোটিই এখানে তালিকায় নেই।

ড্রয়িং নয়, শুধু PDF-এ দাগ দেওয়ার জন্য থার্ড-পার্টি আইপ্যাড স্টাইলাস ৳ ২,৭৫০ থেকে ৳ ৩,৩০০-এ পাওয়া যায়, তবে সাধারণত চাপ বোঝার ক্ষমতা থাকে না। টাইপ করার জন্য কীবোর্ড ও ইনপুট ডিভাইস থেকে যেকোনো ব্লুটুথ মডেল এই পেজের সব আইপ্যাডে চলবে।

বাংলাদেশে আইপ্যাড কেনার আগে: ওয়ারেন্টি, সিম নিবন্ধন ও লোডশেডিং

অফিসিয়াল আইপ্যাড চেনার উপায় ও ওয়ারেন্টি

বাংলাদেশে Apple-এর নিজস্ব কোনো স্টোর বা রিপেয়ার সেন্টার নেই, তাই প্রতিটি ক্লেইম যায় রিসেলার বা অনুমোদিত সার্ভিস পার্টনারের মাধ্যমে। কেনার আগে জিজ্ঞেস করুন কোনটি পাচ্ছেন: স্থানীয় অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি, Apple-এর ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টি, নাকি সেলার ওয়ারেন্টি। এখানকার লিস্টিংয়ে ১২ মাসের সেলার ওয়ারেন্টি, ক্যাশ অন ডেলিভারি ও ৭ দিনের রিটার্ন লেখা আছে। ইনভয়েস ও বক্স রেখে দিন, কারণ যেকোনো ক্লেইম শুরু হয় ওখান থেকেই।

সিম সহ আইপ্যাড ও NEIR যাচাই

২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে BTRC-র NEIR ব্যবস্থা মোবাইল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া নতুন ডিভাইসের IMEI জাতীয় তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখে। সেলুলার আইপ্যাডে IMEI থাকে, Wi-Fi মডেলে থাকে না। সেলুলার ইউনিট কেনার আগে KYD লিখে একটি স্পেস দিয়ে IMEI নম্বর 16002-এ SMS করুন। এখানকার iPad Air M3 ও 512GB iPad Pro M4 শুধু Wi-Fi মডেল।

লোডশেডিং, গরম ও চার্জিং

বিদ্যুৎ গেলে আইপ্যাড ল্যাপটপের চেয়ে বেশিক্ষণ চলে, কিন্তু ভোল্টেজ ওঠানামায় আগে নষ্ট হয় সস্তা চার্জার। চার্জার ও মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ থেকে ব্র্যান্ডেড USB-C চার্জার নিন, আর লম্বা লোডশেডিংয়ের জন্য একটি 20,000mAh পাওয়ার ব্যাংক হাতে রাখুন। বর্ষায় ভেজা USB-C পোর্ট পুরো শুকানোর আগে চার্জে দেবেন না।

দাম, শুল্ক ও কিস্তি

২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, সার্ভার, প্রিন্টার ও মনিটরের শুল্ক ও ভ্যাট তুলে নেওয়ার ঘোষণা এসেছে। ট্যাবলেট সেই তালিকায় নেই, তাই এর ভরসায় আইপ্যাডের দাম কমার অপেক্ষা করবেন না। কিস্তিতে কিনলে মাসিক অঙ্ক নয়, মোট পরিশোধযোগ্য টাকাটা মিলিয়ে দেখুন।

আইপ্যাড নাকি স্যামসাং ট্যাব, নাকি ম্যাকবুক?

আইপ্যাডের বাজেটে আসল বিকল্প দুটি: একটি Android ট্যাব অথবা একটি ল্যাপটপ। প্রতিটি দিকের সেরা ভ্যালু মডেল নিচে।

বিকল্প এখানে দাম যেখানে ভালো যেখানে দুর্বল
iPad Air M3, 128GB ৳ ৬৬,০০০ Pencil Pro দিয়ে হাতে লেখা, ক্রিয়েটিভ অ্যাপ, দীর্ঘ সফটওয়্যার সাপোর্ট মেমোরি কার্ড স্লট নেই; পেন্সিল ও কীবোর্ড আলাদা কিনতে হয়
স্যামসাং ট্যাবের দাম: Tab S9 FE, 128GB ৳ ৪৭,৫০০ কম দাম, microSD স্টোরেজ, কম্পিউটারের মতো ফাইল ব্যবস্থাপনা পেশাদার ড্রয়িং ও এডিটিং অ্যাপ তুলনায় কম
MacBook Neo 2026, 256GB ৳ ৯৯,০০০ কোডিং, বড় স্প্রেডশিট, ডেস্কটপ সফটওয়্যার, সারাদিন টাইপিং টাচস্ক্রিন বা পেন্সিল নেই; ব্যাগে ভারী

কোর্সে ল্যাপটপ সফটওয়্যার লাগলে আইপ্যাডে কীবোর্ড লাগানোর আগে ম্যাকবুকের দাম দেখে নিন, অথবা তুলনা করুন সব ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ। কীবোর্ড যোগ করলে Air M4 আর একটি আসল ল্যাপটপের দামের পার্থক্য খুব বেশি থাকে না।

যে ছয়টি ভুলে আইপ্যাডের খরচ বেড়ে যায়

বেশি দামে কম স্টোরেজ

2022 সালের Air M1-এর দাম iPad 11th Gen-এর চেয়ে ৳ ১,৬৫০ বেশি, অথচ স্টোরেজ অর্ধেক। আইপ্যাডে মেমোরি কার্ড চলে না, তাই 64GB চিরকাল 64GB-ই থাকে।

সব আইপ্যাডে Apple Intelligence আছে ভাবা

A16 চিপের iPad 11th Gen-এ নেই। Apple-এর লেখা ও ছবির AI টুল দরকার হলে Air M1 থেকে শুরু করুন।

ভুল পেন্সিল কেনা

Pencil Pro আর Pencil 2nd Gen একটির জায়গায় আরেকটি চলে না, আর iPad 11th Gen-এ দুটির কোনোটিই চলে না। ৳ ১৫,৫০০ খরচের আগে মডেল মিলিয়ে নিন।

IMEI যাচাই না করা

NEIR যাচাইয়ে আটকে যাওয়া সেলুলার আইপ্যাডে মোবাইল ডেটা বন্ধ হতে পারে। টাকা দেওয়ার আগে KYD ও IMEI লিখে 16002-এ পাঠান।

শুধু নোটের জন্য Pro কেনা

৳ ১,২১,৫০০-এর Pro আর ৳ ৬৬,০০০-এর Air M3-এ একই Pencil Pro চলে। হাতে লেখার জন্য ৳ ৫৫,৫০০-এর পার্থক্য প্রায় টেরই পাবেন না।

Activation Lock না দেখে পুরাতন আইপ্যাড কেনা

অন্যের Apple ID-তে আটকে থাকা আইপ্যাড আপনার নামে চালু করা যায় না। টাকা দেওয়ার আগে নিজে হাতে দেখে নিন।

আইপ্যাড নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশে আইপ্যাডের দাম কত?

এই পেজে বাংলাদেশে আইপ্যাডের দাম ৳ ৬১,৮৫০ থেকে ৳ ১,৪৬,০০০, মোট ৭টি লিস্টিং। সবচেয়ে কম দামের মডেল A16 চিপ ও 128GB-এর iPad 11th Gen, আর সবচেয়ে দামি 512GB-এর 2024 iPad Pro M4। সাতটির মধ্যে তিনটির দামই ৳ ৬১,৮৫০ থেকে ৳ ৬৬,০০০-এর মধ্যে, তাই দামের আগে চিপ মিলিয়ে দেখুন।

ছাত্রদের জন্য কোন আইপ্যাড ভালো?

বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীর জন্য ৳ ৬৬,০০০-এর iPad Air M3 সবচেয়ে ভালো ভ্যালু: M3 চিপ, 8GB RAM, 128GB স্টোরেজ আর Apple Pencil Pro সাপোর্ট। বাজেট একদম নির্দিষ্ট হলে এবং শুধু PDF, টাইপ করা নোট ও অনলাইন ক্লাস লাগলে ৳ ৬১,৮৫০-এর iPad 11th Gen নিন। যাঁরা লেখার চেয়ে পড়েন বেশি, তাঁদের জন্য ৳ ৭৯,৫০০-এর iPad mini 7।

iPad Air কি সাধারণ iPad-এর চেয়ে ভালো?

হ্যাঁ, বেশিরভাগ ক্রেতার জন্য iPad Air ভালো, আর এখানে দামের পার্থক্য মাত্র ৳ ৪,১৫০। ৳ ৬৬,০০০-এর iPad Air M3-এ আছে M3 চিপ ও 8GB RAM, সঙ্গে Apple Intelligence ও Apple Pencil Pro সাপোর্ট। ৳ ৬১,৮৫০-এর iPad 11th Gen-এ A16 চিপ, এতে Apple Intelligence চলে না। দুটিতেই 128GB স্টোরেজ।

কোন অ্যাপল পেন্সিল কোন আইপ্যাডে চলে?

Apple Pencil Pro চলে এই পেজের iPad Air M3, iPad Air M4, iPad mini 7 এবং দুটি iPad Pro M4-এ। Apple Pencil 2nd Gen এখানে শুধু 2022 সালের iPad Air M1-এ চলে। iPad 11th Gen (A16) সাপোর্ট করে Apple Pencil USB-C ও 1st generation, Pencil Pro বা 2nd Gen নয়।

বাংলাদেশে অ্যাপল পেন্সিলের দাম কত?

ClickBD-তে Apple Pencil Pro-এর দাম ৳ ১৯,০০০ এবং Apple Pencil 2nd Gen-এর দাম ৳ ১৫,৫০০। এখানে তালিকাভুক্ত থার্ড-পার্টি আইপ্যাড স্টাইলাসের দাম ৳ ২,৭৫০ থেকে ৳ ৩,৩০০, তবে সাধারণত এগুলোতে চাপ বোঝার ক্ষমতা থাকে না, যা হাতের নোটের চেয়ে ড্রয়িংয়ে বেশি দরকার। মডেল ঠিক করার আগেই পেন্সিলের খরচ বাজেটে ধরুন।

Wi-Fi নাকি সেলুলার আইপ্যাড কিনব?

আইপ্যাড যদি বাসা, ক্যাম্পাস বা অফিসের নির্ভরযোগ্য Wi-Fi-তেই থাকে, তাহলে Wi-Fi মডেল নিন; মাঝেমধ্যে বাইরে গেলে ফোনের হটস্পটই যথেষ্ট। প্রতিদিন চলার পথে কাজ করলে তবেই সেলুলার নিন। সেলুলার আইপ্যাডে IMEI থাকে, তাই টাকা দেওয়ার আগে KYD লিখে একটি স্পেস দিয়ে IMEI নম্বর 16002-এ SMS করে নিবন্ধন যাচাই করুন।

ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টি আর অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি কি এক?

না। অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি বাংলাদেশের ভেতরে Apple-এর অনুমোদিত চ্যানেলে দাবি করা যায়, আর ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টি নির্ভর করে Apple-এর বৈশ্বিক শর্ত ও ইউনিটটি নিতে রাজি এমন সার্ভিস পার্টনারের ওপর। বাংলাদেশে Apple-এর নিজস্ব স্টোর বা রিপেয়ার সেন্টার নেই, তাই স্থানীয়ভাবে কে ক্লেইম নেবে জেনে নিন। এখানকার আইপ্যাডের প্রোডাক্ট পেজে ১২ মাসের সেলার ওয়ারেন্টি ও ৭ দিনের রিটার্ন লেখা আছে।

কোন আইপ্যাডে Apple Intelligence চলে?

এই পেজের সাতটির মধ্যে ছয়টিতে Apple Intelligence চলে: iPad Air M1, Air M3, Air M4, iPad mini 7 এবং দুটি iPad Pro M4। A16 চিপের iPad 11th Gen-এ চলে না। কিছু উন্নত অন-ডিভাইস ফিচারের জন্য Apple অন্তত 12GB মেমোরির M4 মডেল চায়, যা এই পেজে শুধু ৳ ৮৭,৯৯৯-এর iPad Air M4।

আইপ্যাড নাকি স্যামসাং ট্যাব, কোনটা ভালো?

দীর্ঘ সফটওয়্যার সাপোর্ট, ড্রয়িং ও নোটের সেরা অ্যাপ আর ভালো রিসেল ভ্যালু চাইলে আইপ্যাড ভালো। microSD স্টোরেজ আর কম দাম চাইলে Samsung Galaxy Tab ভালো: ClickBD-তে 128GB-এর Galaxy Tab S9 FE-এর দাম ৳ ৪৭,৫০০, যা এখানকার সবচেয়ে সস্তা আইপ্যাডের চেয়ে ৳ ১৪,৩৫০ কম।

পুরাতন আইপ্যাড কেনা কি ঠিক হবে?

নিজে হাতে পরীক্ষা করতে পারলে তবেই পুরাতন আইপ্যাড কিনুন। ব্যাটারির অবস্থা দেখুন, Activation Lock বন্ধ আছে এবং বিক্রেতা নিজের Apple ID থেকে সাইন আউট করেছেন কিনা নিশ্চিত হোন, আর সিরিয়াল নম্বর বক্সের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। পুরাতন আইপ্যাডে স্থানীয়ভাবে দাবি করা যায় এমন ওয়ারেন্টি কমই থাকে, তাই নতুন ৳ ৬১,৮৫০-এর iPad 11th Gen অনেক সময় বেশি নিরাপদ।

এবার উপরের তালিকা থেকে বেছে নিন

দামের সর্বোচ্চ সীমা ঠিক করুন, তারপর দুটি আইপ্যাড পাশাপাশি মিলিয়ে দেখুন। ৳ ৬১,৮৫০-এর iPad 11th Gen বনাম ৳ ৬৬,০০০-এর Air M3 তুলনাতেই বেশিরভাগ বাজেটের সিদ্ধান্ত হয়ে যায়, আর ৳ ৭৯,৫০০-এর mini 7 বনাম ৳ ৮৭,৯৯৯-এর Air M4 তুলনায় বাকিটা। পুরো Apple সেটআপ সাজাতে চাইলে দেখুন আইফোনের দাম বাংলাদেশ, অথবা তুলনা করুন সব ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন।