ডেস্কটপ পিসির দাম কোন বাজেটে কী দেয়
প্রায় একই দামের দুইটা মেশিনের মাঝে আটকে গেছেন — এটাই সবচেয়ে সাধারণ অবস্থা। এই ক্যাটাগরিতে ডেস্কটপ পিসির দাম ৳ 27,000 থেকে ৳ 995,000, আর এই ফারাকটা শুধু গতির ফারাক নয়। এর ভেতরে তিনটা আলাদা সিদ্ধান্ত আছে: মেশিনটার আকার কী, বাক্সে কী কী আসে, আর কেনার পরে আরও কী কিনতে হবে।
এই তিনটা ঠিক করে ফেললে উপরের তালিকা নিজে থেকেই দুই-তিনটায় নেমে আসে। নিচে সেগুলোই ধাপে ধাপে, সাথে আসল প্রোডাক্ট আর আসল দাম।
বাজেট অনুযায়ী ডেস্কটপ পিসির দাম
এই ক্যাটাগরির ৬৯টি মেশিনের দাম থেকে বের করা রেঞ্জ। মাঝের দুইটা রেঞ্জেই প্রতি দশটার সাতটা মেশিন, বেশিরভাগ ক্রেতার খোঁজা শুরু করা উচিত ওখান থেকেই।
| দামের রেঞ্জ | ধরন | কার জন্য | এখান থেকে শুরু করুন |
|---|---|---|---|
| ৳ 27,000 – ৳ 50,000 | এন্ট্রি | পড়াশোনা, ব্রাউজিং, একসাথে একটা কাজ | Lenovo IdeaCentre 3 Athlon বাজেট টাওয়ার ৳ 31,080 |
| ৳ 50,000 – ৳ 80,000 | অফিস স্ট্যান্ডার্ড | সারাদিনের কাজ, হিসাব, POS, ফ্রিল্যান্সিং | Dell OptiPlex 7010 Core i5 অফিস পিসি ৳ 64,500 |
| ৳ 80,000 – ৳ 150,000 | পারফরম্যান্স | ভারী মাল্টিটাস্কিং, প্রোগ্রামিং, পেশাদার এডিটিং | Lenovo IdeaCentre Tower, 1TB SSD, ৳ 81,500 |
| ৳ 150,000 – ৳ 300,000 | পেশাদার | CAD, 3D, কালার গ্রেডিং, অফিস ফ্লিট | Dell Precision 3680 workstation ৳ 286,000 |
| ৳ 300,000 এর উপরে | বিশেষায়িত | নির্দিষ্ট সফটওয়্যার, যেটা এর নিচে ঠিকমতো চলে না | HP Z4 G5 Xeon workstation ৳ 589,000 |
কোন স্পেসিফিকেশন আসলে পার্থক্য গড়ে
দাম বদলায় মূলত ছয়টা জিনিসে। স্পেক শিটের বাকিটা তালিকা ছোট করার সময় বাদ দিলেও চলে।
আগে জেনারেশন, পরে i3/i5/i7
২০১৯ সালের Core i7 সাধারণ কাজে আজকের Core i5 এর কাছে হেরে যায়। ব্যাজ নয়, চার অঙ্কের মডেল নম্বর দেখুন — 12400 মানে ১২তম জেনারেশন, 7500 মানে ৭ম।
এর মানে আপনার জন্য: ব্রাউজার, স্প্রেডশিট আর হিসাবের সফটওয়্যারে নতুন i3 বা i5 যথেষ্ট। বাঁচানো টাকাটা RAM-এ দিন।
সাজেস্টেড প্রোডাক্ট
RAM আর খালি স্লট
8GB দিয়ে Windows, ব্রাউজার আর অফিস সফটওয়্যার আরামে চলে। প্রায় পনেরোটা ট্যাব, একটা স্প্রেডশিট আর ভিডিও কল একসাথে হলে টান পড়ে। মূল কাজের মেশিন হলে 16GB ধরে রাখুন।
এর মানে আপনার জন্য: কত GB আছে তার সাথে কয়টা স্লট খালি আছে সেটাও দেখুন। দুই স্লটের একটা খালি থাকলে পরে বাড়ানো যায়, সোল্ডার করা RAM হলে যায় না।
সাজেস্টেড প্রোডাক্ট
SSD নাকি HDD, নাকি দুটোই
NVMe SSD-র পার্থক্য প্রতিদিন টের পাবেন — চালু হওয়া, লগইন, সফটওয়্যার খোলা সবই দ্রুত। বড় ফাইল, ভিডিও আর ব্যাকআপের জন্য HDD এখনও প্রতি টেরাবাইটে প্রায় পাঁচ ভাগের এক দামে পাওয়া যায়।
এর মানে আপনার জন্য: বেশিরভাগের জন্য 512GB SSD ঠিক আছে। 256GB এর নিচে হলে তিন মাস পরেই জায়গা নিয়ে হিসাব করতে হবে।
সাজেস্টেড প্রোডাক্ট
গ্রাফিক্স কার্ড — সাধারণত লাগে না
অফিস সফটওয়্যার, ভিডিও কল, মুভি আর হালকা ছবি এডিটে ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্সই যথেষ্ট। আলাদা কার্ড লাগে আধুনিক গেম, টাইমলাইন ভিডিও এডিটিং, 3D আর রেন্ডারিংয়ে — এর বাইরে খুব কম কাজে।
এর মানে আপনার জন্য: সোজা কথা, এই ক্যাটাগরিতে গেমিং মেশিন কম। শক্তিশালী আলাদা GPU আছে একটিতেই।
সাজেস্টেড প্রোডাক্ট
বাক্সে আসলে কী আসে
Barebone লিস্টিংয়ে থাকে শুধু কেসিং, মাদারবোর্ড আর প্রসেসর — RAM নেই, ড্রাইভ নেই, OS নেই, আর ডেলিভারির দিন সেটা চালুই হবে না। 16GB RAM-এ ৳ 4,000–৳ 6,000, 512GB NVMe SSD-তে ৳ 5,000–৳ 8,000, সাথে Windows লাইসেন্স ধরুন।
এর মানে আপনার জন্য: barebone-এর দাম তুলনা করুন সব যোগ করার পর। পার্টস আছে কম্পিউটার কম্পোনেন্ট ক্যাটাগরিতে।
সাজেস্টেড প্রোডাক্ট
আকার আর স্ক্রিন সাইজ
টাওয়ার পিসি তে পরে বাড়ানোর জায়গা সবচেয়ে বেশি, SFF প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জায়গায় সেই সুবিধার বেশিরভাগ রাখে, আর মিনি পিসি মনিটরের পেছনেই লুকিয়ে যায়। ২৩.৮ ইঞ্চি অল ইন ওয়ান ৬০–৭৫ সেমি গভীর ডেস্কে ভালো, ২৭ ইঞ্চি চায় প্রায় ৮০ সেমি।
এর মানে আপনার জন্য: স্ক্রিন নিয়ে সিদ্ধান্ত না হলে টাওয়ার নিন, মনিটর বাছুন মনিটরের দাম ক্যাটাগরি থেকে।
সাজেস্টেড প্রোডাক্ট
ব্র্যান্ড পিসি দাম: কোন ব্র্যান্ড কোথায় ভালো
নিচের সংখ্যাগুলো এই ক্যাটাগরির ৬৯টি মেশিন থেকে গোনা, সাধারণ সুনাম থেকে নয়। কোনো ব্র্যান্ডই সব দিকে সেরা নয়।
| ব্র্যান্ড | মডেল সংখ্যা | যেখানে ভালো | দুর্বল দিক |
|---|---|---|---|
| Lenovo | ২০ | সবচেয়ে বড় পরিসর — ঘরে IdeaCentre, অফিসে ThinkCentre SFF, অনেকগুলো অল ইন ওয়ান | একই নামে আলাদা মেশিন আসে, মডেলের শেষের অংশ মিলিয়ে দেখুন |
| Asus | ১৫ | ছোট আকারে — NUC আর ExpertCenter মিনি পিসিতে প্রায় একচেটিয়া | এর বেশিরভাগই barebone, তাই দাম সরাসরি তুলনাযোগ্য নয় |
| HP | ১১ | অফিস টাওয়ার আর ভারী Z-সিরিজ workstation | কম দামের দিকে অপশন কম, সবচেয়ে সস্তা টাওয়ার ৳ 46,000 |
| Apple | ৯ | দামের তুলনায় পারফরম্যান্স — Mac Mini M4 ৳ 83,000 | RAM কখনোই বাড়ানো যায় না; Windows-নির্ভর হিসাব বা ERP হলে ভুল পছন্দ |
| Dell | ৮ | দীর্ঘমেয়াদি সার্ভিস — OptiPlex, Vostro আর Precision অফিস সাপোর্টের কথা ভেবে বানানো | কম দামের মডেল কম, রেঞ্জ শুরুই হয় উপরে থেকে |
| Value Top ও MSI | ৫ | অল ইন ওয়ানে — একটি বাজেট দিকে, অন্যটি মাঝারি টাচস্ক্রিনে | পরিসর ছোট; টাওয়ার বা workstation নেই |
বাজেট অনুযায়ী সেরা ডেস্কটপ পিসি
চারটি রেঞ্জ, প্রতিটিতে আগে খুলে দেখার মতো মেশিন আর যে আপসটা মেনে নিতে হচ্ছে।
ছাত্র ও দ্বিতীয় পিসি
৳ 27,000 – ৳ 50,000
- HP Pro Tower 290 G9 Core i3 ৳ 46,000 — পরে বাড়ানোর জায়গাসহ পূর্ণ টাওয়ার
- Value Top GS40UB অল ইন ওয়ান পিসি ৳ 42,000 — স্ক্রিনসহ
- মেনে নিতে হবে: একসাথে একটা কাজ, RAM বড়জোর 8GB
অফিস ও ফ্রিল্যান্সিং
৳ 50,000 – ৳ 80,000
- Lenovo ThinkCentre Neo 50t Core i5 অফিস পিসি ৳ 66,000
- Dell Inspiron 5430 Core i7 অল ইন ওয়ান ৳ 67,000
- মেনে নিতে হবে: ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স, না দেখলে 8GB RAM
মূল কাজের মেশিন
৳ 80,000 – ৳ 150,000
- HP 280 Pro G9 Core i7 মিনি টাওয়ার ৳ 85,000
- MSI PRO AP241Z Ryzen 5 অল ইন ওয়ান ৳ 97,790
- মেনে নিতে হবে: কার্ড ছাড়া এখনও গেমিং মেশিন নয়
স্টুডিও ও workstation
৳ 150,000 এর উপরে
- HP Z2 G9 SFF workstation ৳ 200,000
- Apple iMac M4 ২৪ ইঞ্চি অল ইন ওয়ান ৳ 227,000
- মেনে নিতে হবে: সফটওয়্যার না চাইলে এটাকে দ্রুত মনে হবে না
বাংলাদেশে কেনার আগে যা দেখতেই হবে
এই অংশটা বিদেশি কোনো গাইড আপনার জন্য লিখে দিতে পারবে না, অথচ এটাই বাজেট আর তালিকা দুটোই বদলে দেয়।
বিদ্যুৎ ও UPS-এর খরচ বাজেটেই ধরুন
ডেস্কটপে ভেতরে ব্যাটারি নেই, তাই হঠাৎ বিদ্যুৎ গেলে সেভ না করা কাজ সাথে সাথে যায়, আর বারবার এভাবে বন্ধ হলে ড্রাইভ ও পাওয়ার সাপ্লাই দুর্বল হয়। সাধারণ অফিস টাওয়ার আর ২৪ ইঞ্চি মনিটর মিলে প্রায় ১০০–১৫০ ওয়াট, 650VA UPS দেয় প্রায় ১০–১৫ মিনিট — সেভ করে বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট, কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য নয়। মিনি পিসি বা অল ইন ওয়ান প্রায়ই ৬০ ওয়াটের নিচে চলে, তাই একই UPS-এ অনেক বেশি সময় পাওয়া যায়। ভোল্টেজ বেশি ওঠানামা করলে বড় UPS-এর চেয়ে UPS-এর আগে একটা স্ট্যাবিলাইজার বেশি কাজে দেয়।
ওয়ারেন্টির মেয়াদ নয়, লেখাটা পড়ুন
দুইটা লিস্টিংয়ে "১২ মাস" লেখা থাকলেও জিনিসটা এক নয়। প্রোডাক্ট পেজে তিনটা জিনিস দেখুন: manufacturer নাকি seller ওয়ারেন্টি, সার্ভিস carry-in নাকি on-site, আর পার্টস কভার করে নাকি শুধু লেবার। Dell, HP আর Lenovo-র বিজনেস লাইনের অনুমোদিত সার্ভিস কভারেজ ঢাকা ও চট্টগ্রামে সাধারণত সবচেয়ে বেশি; কমপ্যাক্ট বা বিশেষায়িত আমদানি মডেলে সময় বেশি লাগতে পারে। অর্ডারের আগে লিস্টিংয়ের শর্ত মিলিয়ে নিন।
আর্দ্রতা, ধুলা আর পিসি রাখার জায়গা
এখানে ব্যবহারের চেয়ে বর্ষার আর্দ্রতা আর ধুলাই ডেস্কটপ বেশি পুরনো করে দেয়। পেছনের এগজস্টের সামনে অন্তত ১০ সেমি ফাঁকা রাখুন, বন্ধ ক্যাবিনেটে টাওয়ার ঢোকাবেন না, আর কেসিং মেঝে থেকে একটু উঁচুতে রাখুন। ছোট মেশিনে সমস্যা আগে দেখা দেয়, কারণ বাতাস ঢোকার পথ ছোট আর দ্রুত বন্ধ হয়। বছরে দুইবার ফিল্টার পরিষ্কার করলে অনেক বছর বাড়ে।
ডেলিভারি, EMI আর দাম বদলানোর কারণ
ডলার রেট, আমদানি শুল্ক আর স্টকের সাথে বাংলাদেশে ডেস্কটপের দাম ওঠানামা করে, আর একই মডেল নম্বর কয়েক রকম RAM ও storage কনফিগারেশনে আসে — তাই গত মাসে দেখা দাম আজকের দাম নয়। EMI থাকলে সেটা আলাদা প্রোডাক্টের চেকআউটে দেখাবে, ক্যাটাগরি পেজে নয়। টাওয়ার বাক্সবন্দি অবস্থায় আসে আর সেটআপ করতে হয়; অল ইন ওয়ান সবচেয়ে কম ঝামেলায় চালু হয়।
যে আটটি ভুলে টাকা নষ্ট হয়
পুরনো পিসির দাম মাথায় রাখা
সার্চে দেখা ৳ 12,000-এর মেশিনগুলো অফিস থেকে ছাড়া পুরনো হার্ডওয়্যার, প্রায়ই এক দশক পুরনো DDR3 RAM-এ, ম্যানুফ্যাকচারার ওয়ারেন্টির পথ নেই। নতুন কিছু ৳ 27,000-এর নিচে শুরু হয় না।
barebone-কে সম্পূর্ণ পিসির সাথে তুলনা
RAM, ড্রাইভ আর OS যোগ করার পরেই তুলনা করুন। যোগ করলে দামের ফারাক প্রায়ই পুরোপুরি মিলে যায়।
জেনারেশন না দেখে ব্যাজ দেখা
পুরনো i7 নতুন i5 এর কাছে হেরেও দাম বেশি নিতে পারে। কোনটা কী, সেটা মডেল নম্বরেই লেখা আছে।
ধরে নেওয়া যে মনিটর আছে
টাওয়ার, SFF আর মিনি পিসি মানে শুধু কম্পিউটার। স্ক্রিন থাকে শুধু অল ইন ওয়ান পিসি তে।
ধরে নেওয়া যে Windows আছে
অনেক লিস্টিং আসে FreeDOS নিয়ে বা কোনো OS ছাড়াই। বাজেট করার আগে দেখে নিন, লাইসেন্স আলাদা খরচ।
৳ 4,000 বাঁচাতে 8GB নেওয়া
8GB তখনই ঠিক, যখন একটা স্লট খালি আছে। পাতলা অল ইন ওয়ানে প্রায়ই থাকে না, আর সাশ্রয়টা স্থায়ী সমস্যা হয়ে যায়।
বাজেটে UPS না রাখা
এখানে UPS ঐচ্ছিক জিনিস নয়। কম্পিউটার আর ব্যাকআপের বাজেট একসাথে করুন, না হলে তাড়াহুড়ায় কিনতে হবে।
কাজে লাগবে না এমন workstation কেনা
Xeon বা M-series workstation নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের জন্য। আপনার কোনো সফটওয়্যার সেটা না চাইলে ভালো অফিস টাওয়ারের চেয়ে দ্রুত মনে হবে না।
ডেস্কটপ পিসি নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
এখানে ডেস্কটপ পিসির দাম কত থেকে শুরু?
এই ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে কম ৳ 27,000 — Asus NUC 14 Essential মিনি পিসি, আর সম্পূর্ণ টাওয়ারের মধ্যে সবচেয়ে কম ৳ 31,080। সার্চে এর চেয়ে কম যে দামগুলো দেখবেন, সেগুলো প্রায় সবসময়ই পুরনো বা অফিস থেকে ছাড়া মেশিন, ম্যানুফ্যাকচারার ওয়ারেন্টি ছাড়া — অর্থাৎ সস্তা নয়, আলাদা জিনিস।
ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিংয়ের জন্য কোন কনফিগারেশন ভালো?
নতুন জেনারেশনের Core i5 বা Ryzen 5, 16GB RAM আর 512GB NVMe SSD — লেখালেখি, ডিজাইন, ডেটা এন্ট্রি, ক্লায়েন্ট মিটিং সবই স্বচ্ছন্দে চলে। এখানে সেটা প্রায় ৳ 66,000 থেকে ৳ 90,000 রেঞ্জে। টাইমলাইনে ভিডিও এডিট বা 3D রেন্ডার না করলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড লাগবে না।
অনলাইন ক্লাস আর পড়াশোনার জন্য কী লাগবে?
বেশিরভাগ গাইড যা বলে তার চেয়ে অনেক কম। Core i3 বা সমমানের প্রসেসর, 8GB RAM আর 256GB SSD দিয়ে ক্লাস, ব্রাউজার আর অফিস সফটওয়্যার আরামে চলে। মনিটরসহ সম্পূর্ণ টাওয়ারের জন্য ৳ 31,000 থেকে ধরুন, আর স্ক্রিনসহ অল ইন ওয়ানের জন্য ৳ 42,000 থেকে।
গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য কী দরকার?
Photoshop, Illustrator আর লেআউটের কাজে প্রসেসরের টিয়ারের চেয়ে RAM বেশি জরুরি: কমপক্ষে 16GB, ফাইল বড় হলে 32GB। ভিডিওর জন্য আলাদা GPU আর দ্রুত storage যোগ করুন। বাস্তবে সেটা এখানে ৳ 146,000 থেকে ৳ 290,000 রেঞ্জ, অথবা সফটওয়্যার macOS-এ চললে Mac Mini।
Intel নাকি AMD — ২০২৬ সালে কোনটা নেব?
একই দাম আর একই জেনারেশনে পার্থক্য এতটাই কম যে কোনোটাই ভুল হবে না। AMD সাধারণত টাকার তুলনায় বেশি কোর দেয়, যা রেন্ডারিং আর ভারী মাল্টিটাস্কিংয়ে কাজে লাগে। এখানকার অফিস টাওয়ারে Intel বেশি, যেটা মূলত পার্টস আর সার্ভিসের দিক থেকে সুবিধা। ব্র্যান্ড নয়, নির্দিষ্ট দুইটা মেশিন তুলনা করুন।
গেমিং পিসি কেনার জন্য এই ক্যাটাগরি কি ঠিক জায়গা?
সত্যি বলতে, না। এখানকার প্রায় সব মেশিনেই ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স, যা কাজের জন্য ভালো, আধুনিক গেমের জন্য নয়। ৳ 390,000-এর Asus ROG NUC একমাত্র ব্যতিক্রম, যেখানে শক্তিশালী আলাদা GPU আছে। গেমিংই লক্ষ্য হলে পুরো ক্যাটাগরি না ঘেঁটে সরাসরি ওই মেশিনটা দেখুন।
দামের সাথে কি মনিটর, কীবোর্ড আর Windows থাকে?
সাধারণত তিনটাই থাকে না। টাওয়ার, SFF আর মিনি পিসি শুধু কম্পিউটার হিসেবে বিক্রি হয়। অল ইন ওয়ানে ডিসপ্লে থাকে, অনেকটিতে কীবোর্ড-মাউসও। অপারেটিং সিস্টেম লিস্টিং ভেদে আলাদা — FreeDOS বা OS ছাড়া দুটোই সাধারণ। প্রোডাক্ট পেজের প্যাকেজ তালিকাই একমাত্র নির্ভরযোগ্য উত্তর।
ডেস্কটপের জন্য কত VA-র UPS লাগবে?
দাম নয়, আসল বিদ্যুৎ খরচ ধরে হিসাব করুন। টাওয়ার আর ২৪ ইঞ্চি মনিটর মিলে প্রায় ১০০–১৫০ ওয়াট, তাই 650VA থেকে 1000VA দেয় মোটামুটি ১০–১৫ মিনিট — কাজ সেভ করে নিরাপদে বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট। একই UPS-এ মিনি পিসি বা অল ইন ওয়ান অনেক বেশি সময় চলবে।
উপরের তালিকা ছোট করুন
প্রাইস ফিল্টারে আপনার আসল সর্বোচ্চ বাজেট বসান — UPS আর পরে যোগ করা RAM ধরে — তারপর ধরন অনুযায়ী ফিল্টার করে তুলনা শুরু করুন। দুই-তিনটায় নেমে এলে প্রতিটিতে একই চারটি জিনিস মিলিয়ে দেখুন: RAM ও খালি স্লট, ড্রাইভের সাইজ ও ধরন, বাক্সে কী কী আছে, আর ওয়ারেন্টিতে ঠিক কী লেখা।
আকার নিয়ে দ্বিধা থাকলে ThinkCentre Neo 50s SFF ৳ 69,300 আর Lenovo A100 অল ইন ওয়ান ৳ 58,000 পাশাপাশি দেখুন — একই ক্রেতা, দুই রকম উত্তর। বহনযোগ্য কিছু দরকার হলে ল্যাপটপের দাম দেখুন, আর ডেস্কের বাকি জিনিসের জন্য কম্পিউটার ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি।





























