এলজি টিভির দাম বাংলাদেশে: বাজেট অনুযায়ী আসলে কী পাওয়া যায়
এই পেজে এলজি টিভির দাম শুরু ৳ 31,000 থেকে — একটি 32 ইঞ্চি HD সেট — আর সর্বোচ্চ ৳ 615,900, যেটি 86 ইঞ্চি NanoCell। মোট 29টি লিস্টিং। এত বড় পার্থক্যের পুরোটা কিন্তু সাইজের জন্য নয়।
এখানে দুটি 43 ইঞ্চি এলজি সেটের দামের ব্যবধান ৳ 42,000। পার্থক্যটা কাচের পেছনের প্যানেলে, আর সেটটি অফিসিয়াল চ্যানেলে এসেছে কি না তাতে। এই দুটো বুঝে নিলে বাকি সিদ্ধান্ত দ্রুত হয়ে যায়।
4K শুরু হচ্ছে ৳ 45,900 থেকে। অর্থাৎ HD এখন কেবল 32 ইঞ্চিতেই যুক্তিসঙ্গত — এর বড় সাইজে 4K প্যানেলের বাড়তি খরচ এতটাই কম যে HD নেওয়া মানে ভুল জায়গায় টাকা বাঁচানো। উপরের বাজেট ফিল্টারে একটি ব্যান্ড বেছে নিন, তারপর নিচের সেকশনগুলো ক্রমে পড়ুন।
বাজেট অনুযায়ী এলজি টিভির দামের তালিকা
এই চারটি ব্যান্ড কোনো গোল নম্বর থেকে বানানো নয় — এই পেজের দামগুলো বাস্তবে যেখানে গুচ্ছ হয়ে আছে, সেখান থেকে নেওয়া। ৳ 57,900 আর ৳ 66,900-এর মাঝে, কিংবা ৳ 111,990 আর ৳ 174,900-এর মাঝে কোনো সেট নেই। ঠিক ওই ফাঁকগুলোতেই প্যানেল প্রযুক্তি বদলে যায়।
| ব্যান্ড | দামের সীমা | লিস্টিং | কী পাবেন |
|---|---|---|---|
| এন্ট্রি | ৳ 31,000 – ৳ 57,900 | 6 | একটি 32 ইঞ্চি HD আর পাঁচটি 43 ইঞ্চি 4K সেট। সবচেয়ে কমে LG 32LQ636B 32 ইঞ্চি webOS স্মার্ট টিভি, ৳ 31,000। |
| মেইনস্ট্রিম | ৳ 66,900 – ৳ 111,990 | 11 | 43 থেকে 65 ইঞ্চি, 4K UHD ও NanoCell। LG 55UT8050 55 ইঞ্চি 4K UHD এখানেই, ৳ 89,900। |
| আপার মিড | ৳ 174,900 – ৳ 209,900 | 4 | এখান থেকেই OLED শুরু। LG C3 55 ইঞ্চি OLED evo ৳ 174,900। |
| প্রিমিয়াম | ৳ 299,900 – ৳ 615,900 | 8 | 65 ইঞ্চি ও তার বেশি — যেমন QNED80 75 ইঞ্চি এবং 77 ইঞ্চি OLED evo AI C5। |
29টির মধ্যে 11টিই মেইনস্ট্রিম ব্যান্ডে — এতেই বোঝা যায় বাজারটা আসলে কোথায়। ৳ 60,000-এর নিচে আপনি মূলত সাইজ বাছছেন। ৳ 66,900 থেকে ৳ 111,990-এর মধ্যে একই সাইজে সাধারণ 4K না NanoCell, সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ৳ 174,900-এর উপরে OLED কনট্রাস্ট কিনছেন, আর তখন একই টাকায় সাইজ অনেকটা কমে যায়।
OLED, NanoCell, QNED না UHD — কোন প্যানেলে টাকা সার্থক
এখানকার প্রতিটি এলজি সেটেই webOS, ThinQ ভয়েস কন্ট্রোল আর Magic Remote আছে, তাই সফটওয়্যার নিয়ে ভাবার কিছু নেই। পার্থক্যটা প্যানেলে। প্রতিটি কী করে আর এই পেজে তার দাম কত, দেখে নিন।
UHD 4K — যুক্তিসঙ্গত ডিফল্ট
ব্যাকলাইটসহ সাধারণ LED প্যানেল, রেজোলিউশন 3840 x 2160। রং ভালো, তবে অসাধারণ নয়; উজ্জ্বল ঘরে কালো রং কিছুটা ধূসর লাগতে পারে। সাধারণ টিভি দেখা, স্ট্রিমিং আর দিনের বেলার ব্যবহারে এটিই যথেষ্ট, আর টাকা প্রতি সাইজ এখানেই সবচেয়ে বেশি।
পরামর্শ
LG UT8050 50 ইঞ্চি 4K UHD — ৳ 80,900
NanoCell — কম দামে নিখুঁত রং
LED ব্যাকলাইটের উপরে ন্যানো-কণার একটি স্তর মূল রংগুলোর মাঝের ঘোলাটে তরঙ্গ শুষে নেয়। লাল রং কমলার দিকে সরে যায় না, আর পাশ থেকে দেখলেও ছবি ফ্যাকাশে হয় না — যেসব ঘরে সোফা দেয়াল বরাবর লম্বা করে রাখা, সেখানে এটি বড় সুবিধা।
পরামর্শ
LG NANO81 55 ইঞ্চি NanoCell — ৳ 106,000
QNED — রোদ-ঝলমলে ঘরের জন্য
NanoCell ফিল্টারের উপরে Quantum Dot স্তর, আর বেশি উজ্জ্বলতায় চালানো। টিভি যদি জানালার দিকে মুখ করে থাকে বা দিনের বেলা ঘর আলোকিত থাকে, তবে এই প্যানেলই সঠিক — কারণ উজ্জ্বলতা বাড়লেও রং গাঢ় থাকে, যেখানে OLED-কে প্রতিফলনের সঙ্গে লড়তে হয়।
পরামর্শ
LG QNED80 75 ইঞ্চি — ৳ 449,900
OLED — ব্যাকলাইটে যে কনট্রাস্ট সম্ভব নয়
প্রতিটি পিক্সেল নিজেই আলো তৈরি করে এবং কালোর জন্য পুরোপুরি নিভে যায়, তাই সাবটাইটেলের চারপাশে বা রাতের দৃশ্যে ব্যাকলাইটের আভা থাকে না। রেসপন্স টাইম প্রায় তাৎক্ষণিক, তাই গেমিংয়ের জন্য এগুলোই সেরা। খরচটাই বাধা — এখানে OLED শুরু ৳ 174,900 থেকে, আর ওই দামে 75 নয়, 55 ইঞ্চি পাবেন।
পরামর্শ
LG OLED evo AI C5 55 ইঞ্চি — ৳ 197,900
ছোট রুমের জন্য কত ইঞ্চি টিভি — দূরত্ব মেপে ঠিক করুন
ডেলিভারির পর সাইজই একমাত্র জিনিস যা আর বদলানো যায় না। আপনি যেখানে বসেন সেখান থেকে টিভির দেয়াল পর্যন্ত মেপে নিন, তারপর সারি ধরে মিলিয়ে দেখুন। 4K প্যানেলের পিক্সেল ছোট বলে কাছ থেকেও দেখা যায়, তাই এই দূরত্বগুলো পুরোনো হিসাবের চেয়ে কম।
| স্ক্রিন সাইজ | আরামদায়ক দূরত্ব | এই পেজে দাম | সাধারণত যে ঘরে |
|---|---|---|---|
| 32 ইঞ্চি | 4 – 5 ফুট | ৳ 31,000 | বেডরুম, রান্নাঘর |
| 43 ইঞ্চি | 5.5 – 7 ফুট | ৳ 45,900 – ৳ 87,900 | সাধারণ ফ্ল্যাটের বসার ঘর |
| 50 – 55 ইঞ্চি | 7 – 9 ফুট | ৳ 80,900 – ৳ 197,900 | বড় বসার ঘর, ড্রয়িং রুম |
| 65 ইঞ্চি ও তার বেশি | 9 ফুট বা বেশি | ৳ 111,990 – ৳ 615,900 | খোলা জায়গা, ডুপ্লেক্স, বাণিজ্যিক |
ঢাকা ও চট্টগ্রামের বেশিরভাগ ফ্ল্যাটে সোফা থাকে টিভির দেয়াল থেকে ছয় থেকে আট ফুট দূরে — এ কারণেই এখানে 43 আর 50 ইঞ্চি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়, এবং এই পেজের 29টির মধ্যে 10টিই 43 ইঞ্চি। বসার জায়গা যদি পাঁচ ফুটের কম হয়, 65 ইঞ্চি সেট সিনেমার অনুভূতি দেবে না, বরং চোখ ঘুরিয়ে দেখতে হবে। মাপ নেওয়ার পর উপরের সাইজ ফিল্টার ব্যবহার করুন।
অফিসিয়াল না আনঅফিসিয়াল এলজি টিভি — দামের পার্থক্যে কী মেলে
এই পেজে একই 43 ইঞ্চি এলজি NanoCell দু'বার আছে। আনঅফিসিয়াল Nano75 43 ইঞ্চি ৳ 45,900, আর অফিসিয়াল Nano75 43 ইঞ্চি ৳ 57,900। একই প্যানেল, ব্যবধান ৳ 12,000 — পার্থক্যটা হার্ডওয়্যারে নয়।
অফিসিয়াল মানে আসলে কী
অফিসিয়াল সেট এলজির অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে, শুল্ক পরিশোধ করে দেশে এসেছে, আর এর ওয়ারেন্টি এলজির নিজস্ব সার্ভিস নেটওয়ার্ক মেনে নেয়। প্যানেলে সমস্যা হলে দাবিটা এলজির কাছেই যায়। আনঅফিসিয়াল সেট ব্যক্তিগতভাবে আমদানি করা, তাই ওয়ারেন্টি বলতে যা আছে তা বিক্রেতার নিজের প্রতিশ্রুতি, আর যন্ত্রাংশ ও মেরামত এলজির সার্ভিস চেইনের বাইরে সামলাতে হয়।
দুটোর কোনোটিই ফাঁদ নয়। ছাড় যদি বড় হয়, নিজে মেরামত সামলাতে আপত্তি না থাকে, আর টাকা দেওয়ার আগে বিক্রেতার লিখিত রিটার্ন শর্ত দেখে নেন — তবে আনঅফিসিয়াল সেট যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু ছাড় সামান্য হলে এটি খারাপ সিদ্ধান্ত, কারণ অল্প টাকার বিনিময়ে দাবির পথটাই ছেড়ে দিচ্ছেন।
বিদ্যুৎ, লোডশেডিং ও বর্ষাকাল
- বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া এলজি টিভি 220–240V, 50Hz-এ চলে, আলাদা কনভার্টার লাগে না। বিদ্যুৎ খরচ কম বলে ছোট একটি IPS-এও লোডশেডিংয়ের সময় চলে।
- ঝুঁকিটা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় নয়, ফিরে আসার সময়ের সার্জে। সার্জ প্রোটেকশনযুক্ত আউটলেটের খরচ প্যানেল মেরামতের তুলনায় সামান্য, আর OLED সেটে এটি বাধ্যতামূলক ধরাই ভালো।
- স্টেবিলাইজার তখনই দরকার যখন সরবরাহে স্পষ্ট ওঠানামা দেখা যায় — বাতি নিভু নিভু হওয়া, ফ্যান ধীর হয়ে যাওয়া। স্থিতিশীল ভবনে টিভির নিজের পাওয়ার সাপ্লাই স্বাভাবিক তারতম্য সামলে নেয়।
- বর্ষায় দেয়ালে লাগানো সেটের পেছনে কয়েক সেন্টিমিটার ফাঁকা রাখুন যাতে গরম বাতাস বেরোতে পারে, আর স্যাঁতসেঁতে বাইরের দেয়াল এড়িয়ে চলুন।
- কিস্তি বা EMI ঠিক করেন বিক্রেতা ও আপনার কার্ড ইস্যুয়ার, এলজি নয়। তাই প্রতিটি লিস্টিংয়ে সুবিধা আলাদা — অর্ডারের আগে প্রোডাক্ট পেজের শর্ত দেখে নিন।
যে ভুলগুলোতে ক্রেতার টাকা নষ্ট হয়
32 ইঞ্চিতে 4K-এর জন্য টাকা দেওয়া
32 ইঞ্চি সেট চার-পাঁচ ফুট দূর থেকে দেখলে বাড়তি পিক্সেল চোখেই ধরা পড়ে না। ওই সাইজে ৳ 31,000-এর HD সেটই সৎ পছন্দ। বাড়তি টাকাটা বরং 43 ইঞ্চিতে যাওয়ার কাজে লাগান।
দেয়ালে আঁটে বলেই সাইজ বাছা
দেয়াল খুব কমই সীমাবদ্ধতা, আসল হিসাব বসার দূরত্ব। ছয় ফুট দূরত্বের ঘরে 65 ইঞ্চি কিনে বছরের পর বছর অস্বস্তিতে দেখার ঘটনা অহরহ। আগে মাপুন, তারপর ফিল্টার করুন।
আনঅফিসিয়াল মানেই শুধু সস্তা ভাবা
৳ 12,000 সাশ্রয় সত্যি, কিন্তু যে সার্ভিস দাবিটা ছাড়ছেন সেটিও সত্যি। নিজের খরচে প্যানেল মেরামতের সম্ভাব্য ব্যয়ের সঙ্গে ছাড়টা মিলিয়ে দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নিন।
অন্য ব্র্যান্ড মিলিয়ে না দেখা
প্রায় প্রতিটি দামেই এলজির সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী আছে। চূড়ান্ত করার আগে Samsung টেলিভিশন দেখে নিন — 79টি লিস্টিং, শুরু ৳ 22,900 থেকে — আর একই বাজেটে Sony টেলিভিশনও দেখুন।
এলজি টিভি নিয়ে ক্রেতাদের সাধারণ প্রশ্ন
বাংলাদেশে এলজি টিভির দাম কত?
ক্লিকবিডিতে এলজি টিভির দাম ৳ 31,000 থেকে ৳ 615,900 পর্যন্ত, মোট 29টি লিস্টিং। শুরুটা 32 ইঞ্চি HD স্মার্ট টিভি দিয়ে, 43 ইঞ্চি 4K মডেল শুরু ৳ 45,900 থেকে, 55 ইঞ্চি OLED ৳ 174,900 থেকে, আর সর্বোচ্চ 86 ইঞ্চি NanoCell। 29টির মধ্যে 11টিই ৳ 66,900 থেকে ৳ 111,990-এর মধ্যে।
সবচেয়ে কম দামের এলজি টিভি কোনটি?
সবচেয়ে কম দামে আছে LG 32LQ636B, ৳ 31,000 — 32 ইঞ্চি HD স্মার্ট টিভি, webOS সহ অ্যাপ ও স্ক্রিন শেয়ারিং সুবিধা। এই পেজে এটিই একমাত্র HD সেট। পরের ধাপ 43 ইঞ্চি 4K NanoCell, ৳ 45,900 — বসার দূরত্ব পাঁচ ফুটের বেশি হলে এটিই ভালো পছন্দ।
৪৩ ইঞ্চি এলজি টিভির দাম কত?
এই পেজে 43 ইঞ্চি এলজি 4K স্মার্ট টিভির দাম ৳ 45,900 থেকে ৳ 87,900, আর 29টির মধ্যে 10টিই এই সাইজের। নিচের দিকেরগুলো আনঅফিসিয়াল NanoCell, মাঝামাঝি ৳ 51,990-এর আশপাশে অফিসিয়াল UHD মডেল, আর উপরের দিকে অফিসিয়াল ওয়ারেন্টিসহ NanoCell রং ফিল্টারিং।
NanoCell আর OLED-এর পার্থক্য কী?
NanoCell LED ব্যাকলাইটের উপর ন্যানো-কণার স্তর দিয়ে রং ছেঁকে নেয়, আর OLED-এ প্রতিটি পিক্সেল নিজে আলো দেয় ও কালোর জন্য পুরো নিভে যায়। OLED-এ কনট্রাস্ট গভীর ও রেসপন্স দ্রুত, যা সিনেমা ও গেমিংয়ে কাজে লাগে। একই সাইজে NanoCell অনেক সস্তা — 55 ইঞ্চিতে ৳ 106,000 বনাম ৳ 197,900।
অফিসিয়াল না আনঅফিসিয়াল এলজি টিভি কিনব?
নিজে মেরামত সামলাতে প্রস্তুত না থাকলে অফিসিয়ালই কিনুন। অফিসিয়াল সেটের ওয়ারেন্টি এলজির নিজস্ব সার্ভিস নেটওয়ার্ক মানে, আনঅফিসিয়ালে থাকে কেবল বিক্রেতার প্রতিশ্রুতি। এই পেজে একই 43 ইঞ্চি Nano75-এর দাম আনঅফিসিয়ালে ৳ 45,900 আর অফিসিয়ালে ৳ 57,900 — অর্থাৎ ৳ 12,000-এর বিপরীতে সার্ভিস দাবির হিসাব।
এলজি টিভিতে কি স্টেবিলাইজার লাগে?
বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া এলজি টিভি 220–240V, 50Hz-এ চলে এবং ভেতরে সুরক্ষা থাকে, তাই স্থিতিশীল বিদ্যুৎ থাকলে স্টেবিলাইজার লাগে না। যেখানে ভোল্টেজ ওঠানামা চোখে পড়ে — বাতি নিভু নিভু, ফ্যান ধীর — সেখানে নিন। স্টেবিলাইজারের চেয়েও জরুরি সার্জ প্রোটেকশন, কারণ ক্ষতি হয় বিদ্যুৎ ফেরার মুহূর্তে।
১০ বাই ১২ ফুট ঘরের জন্য কত ইঞ্চি টিভি ভালো?
10 বাই 12 ফুট ঘরের জন্য 43 থেকে 50 ইঞ্চি এলজি টিভি উপযুক্ত। এই মাপের ঘরে বসার জায়গা সাধারণত পর্দা থেকে ছয় থেকে আট ফুট দূরে পড়ে, যা 43 ইঞ্চির সঙ্গে আরামে মেলে এবং 50 ইঞ্চির সঙ্গে দূরের প্রান্তে। 55 ইঞ্চি তখনই কাজে লাগবে যদি সাত ফুট বা তার বেশি পিছিয়ে বসা যায়।
এলজি টিভি কি কিস্তিতে কেনা যায়?
কিস্তি বা EMI সুবিধা নির্ভর করে বিক্রেতা ও আপনার কার্ড ইস্যুয়ারের উপর, এলজির উপর নয়। লিস্টিং ভেদে শর্ত আলাদা হয়, কারণ মেয়াদ ও সুদ ঠিক করেন সংশ্লিষ্ট বিক্রেতা। অর্ডার করার আগে প্রোডাক্ট পেজে দেওয়া শর্ত দেখে নিন এবং বিক্রেতার সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে নিন।
লোডশেডিংয়ের দেশে OLED টিভি কেনা কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, একটি সতর্কতা মেনে চললে: টিভিটি সার্জ প্রোটেকশনযুক্ত আউটলেট বা UPS-এ লাগান। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় প্যানেলের ক্ষতি হয় না, ক্ষতি করে ফিরে আসার সময়ের ভোল্টেজ স্পাইক। এই পেজে OLED শুরু ৳ 174,900 থেকে, তাই সার্জ প্রোটেকশনই সেটটির সবচেয়ে সস্তা বিমা।
এবার তালিকা ছোট করে আনুন
দুটি ধাপেই বেশিরভাগ কাজ হয়ে যায়। উপরের বাজেট ফিল্টারে চারটি ব্যান্ডের একটি বেছে নিন, তারপর সাইজ ফিল্টারে আপনার মাপা দূরত্ব অনুযায়ী সংখ্যাটি দিন। সাধারণত তিন-চারটি সেট বাকি থাকে, আর তখন আপনি দাম নয়, প্যানেল তুলনা করছেন।
43 ইঞ্চিতে থাকলে এই পেজের সবচেয়ে স্পষ্ট তুলনা — 43UR8050 UHD ৳ 53,990 বনাম 43NANO81 NanoCell ৳ 73,900 — একই সাইজ, ব্যবধান ৳ 20,000, আর পুরো পার্থক্যটাই রং সামলানোয়। আরও দেখতে চাইলে TCL টেলিভিশন, Walton টেলিভিশন বা সব ব্র্যান্ডের টেলিভিশন দেখুন। পুরো ঘর সাজাচ্ছেন? দেখুন ভিশন ও হোম এন্টারটেইনমেন্ট, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন।




























