ভিভো মোবাইলের দাম বাংলাদেশে এখন কেমন
সমস্যাটা সাধারণত দুটো সংখ্যার মাঝখানে — যত টাকা খরচ করতে চান, আর যত টাকায় এমন ফোন পাবেন যেটা দেড় বছর পরেও আফসোস করাবে না। উপরের ৫৯টি Vivo ও iQOO লিস্টিংয়ে দাম শুরু ৳ ১১,৪৯৯ থেকে, Vivo Y02t ৬৪জিবি মডেল দিয়ে, আর সর্বোচ্চ ৳ ১,৪৯,৯৯৯ — Vivo X300 Pro 5G, 200MP ZEISS টেলিফটো ক্যামেরা সহ।
বেশিরভাগ ক্রেতা ৳ ১৫,০০০ থেকে ৳ ৩৫,০০০-এর মধ্যেই থাকেন — ৫৯টির মধ্যে ৪৩টি লিস্টিং এই সীমার ভেতরে। স্পেসিফিকেশন যে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয় না, এই পাতা সেগুলোই মিটিয়ে দেবে: কোন storage-এর জন্য টাকা দেওয়া যুক্তিসঙ্গত, বাংলাদেশে 5G এখনই কাজে লাগবে কি না, আর বাক্স খোলার পরে কী হয়।
বাজেট অনুযায়ী ভিভো মোবাইলের দাম
পাঁচটি ধাপ, গোল সংখ্যা ধরে নয় — উপরের চালু লিস্টিং থেকেই বের করা।
| বাজেট | ধরন | কাদের জন্য | উদাহরণ | দাম |
|---|---|---|---|---|
| ৳ ১৫,০০০-এর নিচে | এন্ট্রি | সেকেন্ড ফোন, শিক্ষার্থীর প্রথম ফোন, বা শুধু কল আর হোয়াটসঅ্যাপ | Vivo Y05 ১২৮জিবি | ৳ ১৪,৮৯৯ |
| ৳ ১৫,০০০ – ৳ ২৪,৯৯৯ | দৈনন্দিন | সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউব, রাইড অ্যাপ, হালকা গেম — তিন বছর চালানোর মতো | Vivo Y21d ৮জিবি RAM | ৳ ২২,৩৯৯ |
| ৳ ২৫,০০০ – ৳ ৩৯,৯৯৯ | আপার মিড | ভালো স্ক্রিন ও ক্যামেরা, দ্রুত চার্জিং, বেশি অ্যাপ একসাথে | Vivo V50 Lite ১২৮জিবি | ৳ ৩২,০০০ |
| ৳ ৪০,০০০ – ৳ ৫৯,৯৯৯ | প্রিমিয়াম মিড | 5G, ১২জিবি RAM, শক্তিশালী ক্যামেরা, দীর্ঘ সফটওয়্যার সাপোর্ট | Vivo V60 Lite 5G ২৫৬জিবি | ৳ ৪৩,৯৯৯ |
| ৳ ৬০,০০০ ও তার বেশি | ফ্ল্যাগশিপ | যাদের কাছে ছবি তোলাই মুখ্য | Vivo X200 5G ২৫৬জিবি | ৳ ৭৯,৫০০ |
যে চারটি জিনিস আসলে আপনার সিদ্ধান্ত বদলে দেয়
এই কয়টা ঠিক না করা পর্যন্ত বাকি স্পেসিফিকেশন নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। প্রতিটার সঙ্গে একটা দাম জড়িত, আর উপরের লিস্টিংয়ে সেই দামটা স্পষ্ট দেখা যায়।
Storage — ১,০০০ টাকার প্রশ্ন
একই Y04-এর দাম ৬৪জিবিতে ৳ ১২,৯৯৯, ১২৮জিবিতে ৳ ১৩,৯৯৯ আর ২৫৬জিবিতে ৳ ১৫,৪৯৯। আপনার জন্য এর মানে: হোয়াটসঅ্যাপের ছবি-ভিডিও আর কয়েক হাজার ফটো জমলে ৬৪জিবি এক বছরেই ভরে যায়, আর ভরা ফোন স্পষ্টভাবে ধীর হয়ে যায়। ১২৮জিবিতে ওঠার ৳ ১,০০০ এই ক্যাটাগরির সবচেয়ে ভালো খরচ।
দেখে নিন
Vivo Y04 ১২৮জিবি কম দামের স্মার্টফোন — ৳ ১৩,৯৯৯
RAM — ৬ নাকি ৮ জিবি
Y31d-এর ৬জিবি ১২৮জিবি ভার্সন ৳ ২৪,২৯৯, আর ৮জিবি ২৫৬জিবি ভার্সন ৳ ৩১,২৯৭। আপনার জন্য এর মানে: ব্রাউজিং, মেসেজিং আর ভিডিওর জন্য ৬জিবি সত্যিই যথেষ্ট। দশ-বারোটা অ্যাপ একসাথে খোলা রাখলে, বা গান চালিয়ে গেম খেললে ৮জিবি কাজে দেয় — বিশেষ করে তৃতীয় বছরে গিয়ে।
দেখে নিন
Vivo Y400, ৮জিবি RAM সহ — ৳ ২৫,৩৯৯
5G — আসলে কী কিনছেন
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক 5G কভারেজ এখনও সীমিত এবং বড় শহরের কিছু অংশেই আটকে আছে। আপনার জন্য এর মানে: আজকের নেটওয়ার্কে 5G ফোন ভালো 4G ফোনের চেয়ে দ্রুত চলবে না। চার বছরের বেশি ব্যবহার করলে 5G একধরনের বীমা। দুই বছর পরপর বদলালে ওই টাকা storage বা ক্যামেরায় দিন।
দেখে নিন
ব্যাটারি ও চার্জিং স্পিড
এই তালিকার প্রায় প্রতিটি ভিভোতেই ৫,০০০ mAh বা তার বেশি ব্যাটারি, তাই ক্ষমতা দিয়ে পার্থক্য করা যায় না। পার্থক্য হয় চার্জিং স্পিডে। আপনার জন্য এর মানে: যে দেশে কোন ঘণ্টায় কারেন্ট থাকবে তার নিশ্চয়তা নেই, সেখানে ৪৫ মিনিটে ভরে যাওয়া ফোন আড়াই ঘণ্টার ফোনের চেয়ে অনেক ভালো।
দেখে নিন
Vivo V60 Lite, ফাস্ট চার্জিং সহ — ৳ ৩৩,৯৯৯
ডিসপ্লে — LCD, AMOLED ও 120Hz
মোটামুটি ৳ ২০,০০০-এর নিচে সাধারণত LCD প্যানেল পাবেন। এর ওপরে AMOLED সাধারণ হয়ে যায়, আর 120Hz রিফ্রেশ রেট শুরু হয় প্রায় ৳ ২৪,০০০ থেকে। আপনার জন্য এর মানে: AMOLED-এ কালো রঙ গাঢ় হয় আর রোদে স্ক্রিন ভালো দেখা যায় — ঢাকার দিনের আলোয় যেটা কাজে লাগে। 120Hz স্ক্রল মসৃণ করে, তবে ব্যাটারি একটু বেশি খায়।
দেখে নিন
Vivo Y31d, 120Hz রিফ্রেশ রেট সহ — ৳ ২৪,২৯৯
ক্যামেরা — ভিভোর আসল জায়গা
বাক্সের গায়ে লেখা মেগাপিক্সেল সংখ্যাটাই সবচেয়ে কম কাজের তথ্য। সেন্সরের আকার, স্টেবিলাইজেশন আর প্রসেসিং ঠিক করে দেয় রাত ন'টায় বিয়ের অনুষ্ঠানে তোলা ছবিটা কাজে লাগবে কি না। আপনার জন্য এর মানে: ৳ ২৫,০০০-এর ফোনের 50MP আর ৳ ৮০,০০০-এর ফোনের 50MP রাতে সম্পূর্ণ আলাদা ছবি দেয়।
দেখে নিন
Vivo V29 5G ক্যামেরা ফোন — ৳ ৫৬,৯৯৯
ভিভো Y, V, X সিরিজ আর iQOO কোথায়
ভিভো তাদের ফোন তিনটি সিরিজে ভাগ করে, সঙ্গে আলাদা একটি পারফরম্যান্স ব্র্যান্ড। প্রতিটি সিরিজ একটা জায়গায় সত্যিই ভালো আর বাকি জায়গায় মোটামুটি — তাই দাম দেখে নয়, আপনার দরকার দেখে সিরিজ বাছুন।
| সিরিজ | এখানে দামের সীমা | সবচেয়ে ভালো যে দিকে | যেখানে পিছিয়ে |
|---|---|---|---|
| Y সিরিজ | ৳ ১১,৪৯৯ – ৳ ৩১,২৯৭ | ব্যাটারি আর দাম। উপরের বেশিরভাগ লিস্টিং এই সিরিজেরই, আর বেশিরভাগ ক্রেতার জন্য এটাই স্বাভাবিক পছন্দ। | কম আলোয় ছবি আর দীর্ঘ সময়ের গেমিং |
| V সিরিজ | ৳ ৩২,০০০ – ৳ ৬২,০০০ | পোর্ট্রেট, সেলফি আর বিল্ড কোয়ালিটি। ভিভোর ডিজাইনের সুনাম এখান থেকেই। | টাকার তুলনায় প্রসেসিং ক্ষমতা |
| X সিরিজ | ৳ ৭৯,৫০০ – ৳ ১,৪৯,৯৯৯ | ছবি তোলা — ব্যস। ZEISS অপটিক্স আর টেলিফটো জুম, যা কম দামের কোনো ফোনে নেই। | শুধু মেসেজিং করলে টাকার সদ্ব্যবহার হয় না |
| iQOO | ৳ ১৮,৫০০ – ৳ ৪৬,০০০ | টাকার তুলনায় গেমিং পারফরম্যান্স। ভিভোর সাব-ব্র্যান্ড, আর এখানে 5G-তে ঢোকার সবচেয়ে সস্তা রাস্তা। | ক্যামেরার ফিনিশিং আর ডিজাইন |
এক ব্র্যান্ডে আটকে না থাকলে বাংলাদেশে অপো মোবাইল ফোন, একই দামের রিয়েলমি ফোন আর শাওমি মোবাইল ফোনের দাম মিলিয়ে দেখা উচিত — ৳ ১৫,০০০ থেকে ৳ ৩৫,০০০ সীমায় এরা সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী।
কত টাকায় কোন ভিভো ফোন
চারটি বাজেট, প্রতিটিতে যে লিস্টিংগুলো সত্যিই দেখার মতো।
কম বাজেট
৳ ১১,৪৯৯ – ৳ ১৫,৯৯৯
- Vivo Y02t ৬৪জিবি — ৳ ১১,৪৯৯, তালিকার সর্বনিম্ন
- Vivo Y04 ১২৮জিবি — ৳ ১৩,৯৯৯, আসলে এটাই কেনা উচিত
- Vivo Y05 ১২৮জিবি — ৳ ১৪,৮৯৯
২০ হাজারের মধ্যে
৳ ১৬,০০০ – ৳ ১৯,৯৯৯
- Vivo Y11d ১২৮জিবি — ৳ ১৬,৪৯৯
- Vivo Y19s Pro, ৬জিবি RAM — ৳ ১৮,৪৯৯
- Vivo Y29 ১২৮জিবি — ৳ ১৯,৫৯৯
সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ
৳ ২০,০০০ – ৳ ৩২,৯৯৯
- গেমিংয়ের জন্য iQOO Z9x 5G — ৳ ২২,০০০
- Vivo Y31d ২৫৬জিবি ৮জিবি RAM — ৳ ৩১,২৯৭
- Vivo V50 Lite — ৳ ৩২,০০০
প্রিমিয়াম
৳ ৩৩,০০০ ও তার বেশি
- iQOO Neo 10R 5G — ৳ ৩৯,০০০
- Vivo V60 Lite 5G ১২জিবি RAM — ৳ ৪৩,৯৯৯
- Vivo X200 5G ফ্ল্যাগশিপ — ৳ ৭৯,৫০০
বাংলাদেশে ভিভো ফোন কেনার আগে — ওয়ারেন্টি, কিস্তি ও বাস্তবতা
অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি ও IMEI যাচাই
অফিসিয়ালভাবে আমদানি করা ফোনে প্রস্তুতকারকের ওয়ারেন্টি থাকে এবং শুল্ক পরিশোধিত IMEI জাতীয় ডেটাবেসে নিবন্ধিত থাকে। আনঅফিসিয়াল সেট ৳ ৩,০০০ থেকে ৳ ৬,০০০ কমে পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু এর কোনোটিই থাকে না। *#06# ডায়াল করে IMEI দেখুন, ডেলিভারি নেওয়ার আগেই বাক্সের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
ঢাকার বাইরে সার্ভিস সুবিধা
ভিভোর অনুমোদিত সার্ভিস নেটওয়ার্ক ঢাকা ও চট্টগ্রামে সবচেয়ে ঘন, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীতে তুলনামূলক কম। বিভাগীয় শহরের বাইরে থাকলে স্ক্রিন বদলানোর বাইরে যেকোনো কাজে কুরিয়ার আর এক-দুই সপ্তাহ ফোন ছাড়া থাকার হিসাব রাখুন। এই খরচটাই অফিসিয়াল ওয়ারেন্টির পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি।
কিস্তি, বিকাশ ও ক্যাশ অন ডেলিভারি
মোটামুটি ৳ ২৫,০০০-এর বেশি দামের ফোনে কার্ড কিস্তি সাধারণত পাওয়া যায়, তিন থেকে বারো মাসে — এতে ৳ ৪৩,৯৯৯-এর ফোন মাসিক হিসাবে সামলানো যায়। লিস্টিংয়ে দেখে নিন সুদ সত্যিই শূন্য কি না, নাকি প্রসেসিং ফি আছে। বাকি ক্ষেত্রে বিকাশ, নগদ ও ক্যাশ অন ডেলিভারি তো আছেই।
লোডশেডিং, ভোল্টেজ ও চার্জিং অভ্যাস
লোডশেডিংয়ের কারণে চার্জ দিতে হয় অল্প সময়ের অনিশ্চিত ফাঁকে — এজন্যই এখানে ফাস্ট চার্জিংয়ের দাম স্থিতিশীল বিদ্যুতের দেশের চেয়ে বেশি। অস্থির লাইনে সস্তা থার্ড-পার্টি চার্জার ব্যবহার করবেন না; কারেন্ট ফেরার সময় ভোল্টেজ ওঠানামা চার্জিং সার্কিটের জন্য সত্যিকারের ঝুঁকি। এলাকায় সমস্যা থাকলে সার্জ প্রোটেক্টেড সকেট বা IPS লাইনে চার্জ দিন।
বর্ষার আর্দ্রতা ও পানি প্রতিরোধ
জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার্জিং পোর্টে জমা আর্দ্রতা ফোন পড়ে যাওয়ার চেয়ে বেশি নষ্ট করে। IP54 বা তার ভালো রেটিং থাকলে রিকশায় বৃষ্টিতে পড়া সামলে যায়, তবে বাজেট সেগমেন্টের কোনো ফোনই পানিতে ডোবানোর জন্য নয়। পোর্ট ভেজা থাকলে পুরো শুকানোর আগে চার্জে দেবেন না — ভেজা পোর্টে চার্জ দেওয়াই আসল ক্ষতিটা করে।
রিসেল ভ্যালু
Y আর V সিরিজে ভিভোর রিসেল ভ্যালু মোটামুটি ভালো থাকে, কারণ এখানে ব্যবহৃত মিড-রেঞ্জ অ্যান্ড্রয়েডের চাহিদা শক্ত। যত্নে রাখা মিড-রেঞ্জ ফোনে দুই বছর পর কেনা দামের প্রায় অর্ধেক আশা করা যায়; ফ্ল্যাগশিপে টাকার অঙ্কে পতন আরও বেশি। বাক্স, চার্জার আর ওয়ারেন্টি কার্ড রেখে দিলে দাম স্পষ্টভাবে বাড়ে।
ভিভো ফোন কেনার সময় আটটি ভুল
১,০০০ টাকা বাঁচাতে ৬৪জিবি নেওয়া
সবচেয়ে সস্তা আফসোস। ভরা ফোন ধীর ফোন, আর কার্ড স্লট না থাকলে পরে ঠিক করারও উপায় নেই।
যে 5G ব্যবহার করতে পারবেন না, তার জন্য বেশি দেওয়া
চার বছর চালানোর পরিকল্পনা থাকলেই কেবল যুক্তিসঙ্গত। নাহলে ওই টাকায় আজই ভালো ক্যামেরা বা বেশি storage মেলে।
মেগাপিক্সেলের পেছনে ছোটা
বাজেট ফোনের 108MP সেন্সর ভালোভাবে প্রসেস করা 50MP-এর কাছে প্রায় সব বাস্তব ছবিতেই হেরে যায়।
আনঅফিসিয়াল ছাড় নেওয়া
প্রথম ওয়ারেন্টি মেরামতেই সাশ্রয়টা উবে যায়, আর অনিবন্ধিত IMEI দেশীয় নেটওয়ার্কে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
চার্জিং ওয়াট না দেখা
একই ৫,০০০ mAh ব্যাটারির দুই ফোনে চার্জ হতে দেড় ঘণ্টার পার্থক্য হতে পারে। লোডশেডিংয়ের সপ্তাহে এটাই বড় কথা।
ভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট মিলিয়ে ফেলা
একই Y31d এখানে ৳ ২৪,২৯৯ আর ৳ ৩১,২৯৭ দুই দামেই আছে। RAM আর storage আলাদা, নাম এক। পুরো টাইটেল পড়ুন।
বাক্স না মিলিয়ে টাকা দেওয়া
ডেলিভারি ম্যানকে টাকা দেওয়ার আগে সিল, চার্জারের ওয়াট আর বাক্সের IMEI হ্যান্ডসেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
শুধু মেসেজিংয়ের জন্য ফ্ল্যাগশিপ কেনা
গ্যালারিতে যদি বেশিরভাগই স্ক্রিনশট থাকে, ৳ ২২,৩৯৯-এর ৮জিবি Vivo Y21d সব কাজ চালিয়ে দেবে।
ভিভো মোবাইলের দাম নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
ক্লিকবিডি-তে সবচেয়ে কম দামের ভিভো মোবাইল কোনটি?
সবচেয়ে কম দামের লিস্টিং Vivo Y02t, ৳ ১১,৪৯৯ — ৬৪জিবি storage আর ৪জিবি RAM সহ। বাজেট একটু বাড়াতে পারলে Vivo Y04-এর ১২৮জিবি ভার্সন ৳ ১৩,৯৯৯, যেখানে storage দ্বিগুণ। এই সীমায় ওই ৳ ২,৫০০ অন্য কোথাও খরচ করার চেয়ে এটাই দৈনন্দিন ব্যবহারে বেশি পার্থক্য গড়ে।
বাংলাদেশে কোন ভিভো ফোনের ক্যামেরা সবচেয়ে ভালো?
ক্যামেরা হার্ডওয়্যারে সবার আগে Vivo X300 Pro 5G, ৳ ১,৪৯,৯৯৯ — 200MP ZEISS APO টেলিফটো সিস্টেম সহ। এর ভগ্নাংশ দামে V সিরিজ সাধারণ ব্যবহারকারীর চোখে পড়ার মতো প্রায় সবকিছুই দেয়, বিশেষ করে পোর্ট্রেট আর সেলফিতে, আর ৳ ৫৬,৯৯৯-এর Vivo V29 5G বাস্তবসম্মত ভারসাম্য।
iQOO কি ভিভোরই ব্র্যান্ড?
iQOO ভিভোর পারফরম্যান্স-কেন্দ্রিক সাব-ব্র্যান্ড, একই ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিক্রয়োত্তর সেবা ব্যবহার করে হলেও আলাদাভাবে বিক্রি হয়। বিনিময়টা ইচ্ছাকৃত — টাকার তুলনায় শক্তিশালী চিপসেট আর বেশি ফ্রেম রেট মেলে, তবে ক্যামেরা টিউনিং ও ডিজাইনে মনোযোগ কম। গেমিং মুখ্য হলে এটাই ভালো পছন্দ।
বাংলাদেশে এখনই 5G ফোন কেনা কি যুক্তিসঙ্গত?
চার বছর বা তার বেশি একই ফোন চালানোর পরিকল্পনা থাকলেই কেবল। বাণিজ্যিক 5G কভারেজ এখনও সীমিত এবং বড় শহরের কিছু অংশেই কেন্দ্রীভূত, তাই আজকের নেটওয়ার্কে 5G হ্যান্ডসেট 4G-র মতোই আচরণ করবে। দুই বছর পরপর ফোন বদলালে ওই টাকা storage বা ক্যামেরায় দেওয়াই ভালো।
১২৮জিবি নাকি ২৫৬জিবি storage নেব?
প্রায় সবার জন্যই ১২৮জিবি যথেষ্ট। নিয়মিত ভিডিও করলে বা বছরের পর বছরের ছবি ক্লাউডে না রেখে ফোনেই রাখলে তবেই ২৫৬জিবিতে যান। Y04-এ ৬৪ থেকে ১২৮জিবিতে ওঠার খরচ ৳ ১,০০০ এবং সেটা স্পষ্টতই যুক্তিসঙ্গত; এর পরের ধাপে আরও ৳ ১,৫০০ বেশিরভাগ মানুষের জন্য নয়।
ক্লিকবিডি-র ভিভো ফোনে কি অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি থাকে?
ওয়ারেন্টির শর্ত প্রতিটি লিস্টিং অনুযায়ী আলাদা, কারণ মার্কেটপ্লেসে বিক্রেতা ভিন্ন ভিন্ন। অর্ডার করার আগে নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট পেজ দেখে নিন, আর ডেলিভারির সময় *#06# ডায়াল করে IMEI বাক্সের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। অফিসিয়াল সেটে প্রস্তুতকারকের সহায়তা থাকে, আনঅফিসিয়ালে থাকে না।
ভিভো মোবাইল কি কিস্তিতে কেনা যায়?
মোটামুটি ৳ ২৫,০০০-এর বেশি দামের হ্যান্ডসেটে কার্ড কিস্তি সাধারণত পাওয়া যায়, তিন থেকে বারো মাস মেয়াদে। প্রতিটি লিস্টিংয়ে দেখে নিন সুদ সত্যিই শূন্য কি না, নাকি প্রসেসিং ফি যুক্ত হবে। কম দামের মডেলে বিকাশ, নগদ ও ক্যাশ অন ডেলিভারিই বাস্তবসম্মত উপায়।
২০২৬ সালে ৬জিবি RAM কি যথেষ্ট?
ব্রাউজিং, মেসেজিং, সোশ্যাল মিডিয়া আর ভিডিওর জন্য হ্যাঁ। অনেকগুলো অ্যাপ একসাথে খোলা রাখলে বা গান চালিয়ে ভারী গেম খেললে সীমাটা টের পাবেন। তিন বছরের বেশি চালানোর ইচ্ছা থাকলে ৮জিবি নিরাপদ পছন্দ, যার জন্য মডেলভেদে সাধারণত ৳ ২,০০০ থেকে ৳ ৭,০০০ বেশি লাগে।
পছন্দ ছোট করে আনুন
উপরের ফিল্টারে আপনার আসল সর্বোচ্চ বাজেট বসান, তারপর ১২৮জিবি আর ৬জিবি RAM বেছে নিন — এতেই প্রায় অর্ধেক লিস্টিং বাদ পড়ে যাবে। Y31d-এর দুটি ভ্যারিয়েন্ট পাশাপাশি মিলিয়ে দেখুন, বাড়তি ৳ ৭,০০০-এ ঠিক কী পাচ্ছেন বোঝা যাবে। এখানে পছন্দ না হলে বাংলাদেশে সব মোবাইল ফোন, স্যামসাং মোবাইল ফোন আর ইনফিনিক্স বাজেট ফোন একই বাজেট সামলায়। দেখে নিতে পারেন মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ ও চার্জার, কিংবা বাংলাদেশে ল্যাপটপের দাম আর টেলিভিশন।





























