সিসি ক্যামেরার দাম: আগে সিস্টেম ঠিক করুন, তারপর ক্যামেরা
এই পেজে সিসি ক্যামেরার দাম ৳৬৫০ থেকে ৳২৬,৫৭০ পর্যন্ত, মোট ২৪টি ক্যামেরা। তবে আপনার মোট খরচ ঠিক করে ক্যামেরার দাম নয়, বরং কোন সিস্টেম নিচ্ছেন সেটা: DVR-এ চলা অ্যানালগ HD ক্যামেরা, NVR-এ চলা আইপি ক্যামেরা, নাকি সরাসরি মোবাইল অ্যাপে চলা ওয়াইফাই ক্যামেরা।
এই সিদ্ধান্ত নিলে তালিকা অনেক ছোট হয়ে যায়। বেশিরভাগ বাসায় গেটের জন্য আউটডোর বুলেট ক্যামেরা আর ঘর ও সিঁড়ির জন্য ইনডোর ডোম ও টারেট ক্যামেরা লাগে।
সিসিটিভি ক্যামেরার দাম কত: বাজেট অনুযায়ী তালিকা
২৪টি ক্যামেরা চারটি স্পষ্ট দামের ধাপে ভাগ হয়। এর মধ্যে ১৯টিই ৳৩,৩০০-এর নিচে — বাসার জন্য সিসি ক্যামেরার আসল বাজার এখানেই, যেখানে Hikvision, Dahua, Jovision ও TP-Link-এর 2MP মডেলগুলোর দামে পার্থক্য মাত্র কয়েকশো টাকা।
| দামের ধাপ | কী পাবেন | উদাহরণ | দাম |
|---|---|---|---|
| ৳২,০০০-এর নিচে | মিনি ওয়াইফাই ও ছোট হিডেন ক্যামেরা; এন্ট্রি লেভেলের 2MP অ্যানালগ বুলেট, ডোম ও আইবল | A9 মিনি ওয়াইফাই ক্যামেরা; Dahua HAC-B1A21P 2MP বুলেট | ৳৬৫০ – ৳১,৯২৫ |
| ৳২,০০০ – ৳৩,৩০০ | ফুল কালার ও ডুয়াল লাইট 2MP, প্রথম 5MP অ্যানালগ, আর TP-Link VIGI আইপি ক্যামেরা | Hikvision 5MP ইনডোর টারেট; TP-Link VIGI C300HP 3MP আইপি বুলেট | ৳২,২০০ – ৳৩,২৮৯ |
| ৳৫,০০০ – ৳৮,০০০ | অডিওসহ ColorVu, ডুয়াল লেন্স ঘোরানো ওয়াইফাই ক্যামেরা, ব্যাটারিচালিত ট্রেইল ক্যামেরা | Hikvision ColorVu অডিও মিনি বুলেট; TP-Link Tapo C246D ওয়াইফাই ক্যামেরা | ৳৫,১১৫ – ৳৭,৯৭০ |
| ৳১৪,০০০ ও তার বেশি | 20MP ওয়াইল্ডলাইফ ট্রেইল ক্যামেরা ও 8MP প্যানোরামিক আইপি বুলেট | TP-Link InSight S385DPS 8MP | ৳১৪,৪০০ – ৳২৬,৫৭০ |
দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় ধাপে লাফটা ছবির স্পষ্টতার জন্য নয়। এখানে বাড়তি টাকা যায় রাতে রঙিন ছবি ও মাইক্রোফোন, নিজে থেকে ঘোরা ক্যামেরা, অথবা বিদ্যুৎ ছাড়া চলা ব্যাটারির জন্য।
সিসিটিভি, আইপি নাকি ওয়াইফাই ক্যামেরা: কোনটি আপনার বাসার জন্য
এই ক্যাটাগরির প্রতিটি ক্যামেরা তিনটি পরিবারের একটিতে পড়ে, আর রেকর্ডার না মিলিয়ে এগুলো মেশানো উচিত নয়। হিকভিশন বুলেট ক্যামেরা অ্যানালগ HD, আর TP-Link আইপি বুলেট ক্যামেরা নেটওয়ার্কভিত্তিক।
| অ্যানালগ HD (সিসিটিভি) | আইপি / নেটওয়ার্ক | ওয়াইফাই | |
|---|---|---|---|
| ভিডিও কীভাবে যায় | কোএক্সিয়াল ক্যাবলে DVR/XVR-এ | নেটওয়ার্ক ক্যাবলে NVR বা PoE সুইচে | বাসার ওয়াইফাই দিয়ে ক্লাউড বা মেমোরি কার্ডে |
| এই পেজে উদাহরণ | Hikvision DS-2CE, Dahua HAC, Jovision | TP-Link VIGI C220I, C320I, C300HP, C430I | TP-Link Tapo C246D, A9 Mini |
| শুরুর দাম | ৳১,৫৯০ | ৳২,৪৪০ | ৳৭৫০ |
| বাড়তি যন্ত্র | DVR, হার্ডডিস্ক, 12V পাওয়ার সাপ্লাই | NVR বা PoE সুইচ, হার্ডডিস্ক | সাধারণত কিছু লাগে না |
| কার জন্য ভালো | কম খরচে বেশি ক্যামেরা চাওয়া ফ্ল্যাট ও দোকান | নতুন ওয়্যারিং, মোবাইলে আরও স্পষ্ট ছবি | এক-দুইটি ক্যামেরা, ভাড়া বাসা |
| সতর্কতা | DVR ক্যামেরার রেজোলিউশন সাপোর্ট করে কি না দেখুন | প্রতিটি পয়েন্টে নেটওয়ার্ক ক্যাবল লাগে | রাউটার বন্ধ হলে রেকর্ড বন্ধ |
চার থেকে আটটি ক্যামেরার পারিবারিক ফ্ল্যাটে অ্যানালগ HD এখনো সবচেয়ে সাশ্রয়ী। নতুন ভবনে ক্যাবল টানার সুযোগ থাকলে আইপি ক্যামেরা বেশি সুবিধা দেয়। দেয়াল ফুটো করা সম্ভব না হলেই কেবল ওয়াইফাই ক্যামেরা বেছে নিন।
বাসার জন্য সিসি ক্যামেরা: কোন জায়গায় কোন ক্যামেরা
সঠিক ক্যামেরা নির্ভর করে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব আর রাতের আলোর ওপর, মেগাপিক্সেলের সংখ্যার ওপর নয়।
মূল গেট ও গাড়ি ঢোকার পথ
গেটমুখী একটি ওয়েদারপ্রুফ বুলেট প্রায় ২.৫ থেকে ৩ মিটার উচ্চতায় বসালে দরজায় পৌঁছানোর আগেই মুখ ধরা পড়ে। রাতে রঙিন ছবি থাকলে জামা ও গাড়ির রং চেনা যায়।
প্রস্তাবিত
বসার ঘর ও সিঁড়ি
সিলিংয়ের ডোম বা টারেট ক্যামেরা চোখে না লেগেই পুরো ঘর দেখায়। কোণায় বসালে ঘরের সবটা ফ্রেমে আসে।
প্রস্তাবিত
দোকানের ক্যাশ কাউন্টার
মাইক্রোফোনসহ টারেট ক্যামেরা কাউন্টারের দিকে রাখুন। শুধু ভিডিওর চেয়ে অডিও থাকলে বিরোধ মেটানো সহজ হয়।
পার্কিং ও খোলা উঠান
গাড়ি কোথায় গেল দেখতে চাইলে দুটি সরু ক্যামেরার চেয়ে একটি চওড়া ক্যামেরা ভালো। একটি লেনের জন্য সাশ্রয়ী বুলেটই যথেষ্ট।
বয়স্ক মা-বাবা বা শিশুর দেখাশোনা
ছোট প্লাগ-ইন ওয়াইফাই ক্যামেরা ওয়্যারিং ছাড়াই একটি ঘর কভার করে। ঘরের মানুষদের জানিয়ে রাখুন, আর শোবার ঘর ও বাথরুমে কখনো নয়।
খামার, পুকুর বা দূরের জমি
বিদ্যুৎ বা ওয়াইফাই না থাকলে মোশন সেন্সরসহ ব্যাটারিচালিত ট্রেইল ক্যামেরা সপ্তাহের পর সপ্তাহ কার্ডে রেকর্ড করে। এটা পরে দেখার জন্য, লাইভ নয়।
প্রস্তাবিত
নাইট ভিশন ক্যামেরা ও রেজোলিউশন: 2MP নাকি 5MP
বেশিরভাগ চুরি হয় অন্ধকারে, তাই দিনের স্পষ্টতার চেয়ে রাতের পারফরম্যান্স বেশি জরুরি।
| নাইট মোড | কীভাবে কাজ করে | কোথায় ভালো | এই পেজে |
|---|---|---|---|
| ইনফ্রারেড (IR) | অদৃশ্য LED-এর আলোয় সাদা-কালো ছবি | করিডোর, সিঁড়ি, যেখানে শুধু নড়াচড়া দেখলেই চলে | Dahua HAC-B1A21P, ৳১,৫৯০ |
| ফুল কালার / ColorVu | সবসময় জ্বলা আলো ও উজ্জ্বল লেন্সে রাতেও রঙিন ছবি | গেট ও গলি, যেখানে জামা বা গাড়ির রং জরুরি | Jovision ফুল কালার ডোম, ৳২,৫০০ |
| ডুয়াল লাইট / স্মার্ট হাইব্রিড | মানুষ শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত IR-এ থাকে, তারপর রঙিন হয় | যেখানে সারারাত আলো জ্বললে প্রতিবেশীর অসুবিধা | Hikvision LPFS মডেল, ৳১,৬৩০ থেকে |
রেজোলিউশনের ক্ষেত্রে, কয়েক মিটারের মধ্যে দরজা বা কাউন্টারের জন্য 2MP (1080p) যথেষ্ট। একটি ক্যামেরায় বড় ঘর কভার করতে হলে 3MP বা 5MP নিন, আর আগে দেখে নিন রেকর্ডার সেই ইনপুট নেয় কি না। যেমন ৳২,৪৯৯-এর 5MP টারেট চওড়া ঘরে বেশি ডিটেইল দেয়।
লোডশেডিং, বর্ষা ও স্টোরেজ: বাংলাদেশে সিসি ক্যামেরা সেটআপের চেকলিস্ট
শুধু DVR নয়, পুরো লাইন ব্যাকআপে রাখুন
DVR বা NVR, ক্যামেরার পাওয়ার সাপ্লাই আর রাউটার — তিনটিই একই IPS বা UPS লাইনে দিন। শুধু রেকর্ডার ব্যাকআপে থাকলে লোডশেডিংয়ের সময় বক্স চালু থাকে, কিন্তু সব ক্যামেরার স্ক্রিন কালো হয়ে যায়।
বর্ষার আগে জয়েন্ট সিল করুন
আউটডোর ক্যামেরা সাধারণত বৃষ্টি সামলায়, কিন্তু ক্যাবলের জোড়া সামলায় না। BNC বা নেটওয়ার্ক কানেক্টর সিল করা জাংশন বক্সে রাখুন, আর বুলেট ক্যামেরা কার্নিশের নিচে বসান যাতে পানি ক্যাবল বেয়ে ভেতরে না ঢোকে।
স্টোরেজ ও মোবাইলে দেখার ব্যবস্থা
যত দিনের ফুটেজ রাখতে চান সেই অনুযায়ী সার্ভেইল্যান্স হার্ডডিস্ক বাজেটে রাখুন। দূর থেকে দেখতে Hik-Connect, DMSS বা VIGI অ্যাপ ইনস্টল করুন আপনার মোবাইল ফোনে।
পেমেন্ট ও ডেলিভারি
ClickBD-এর ব্র্যান্ড পেজে বিকাশ, নগদ ও ক্যাশ অন ডেলিভারির সুবিধা উল্লেখ আছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ সারা দেশে ডেলিভারি। অর্ডারের আগে প্রতিটি লিস্টিংয়ে বিক্রেতার ওয়ারেন্টি শর্ত দেখে নিন।
হিকভিশন, দাহুয়া নাকি TP-Link: কোন ব্র্যান্ডের সিসি ক্যামেরা ভালো
সব ক্ষেত্রে সেরা কোনো একক ব্র্যান্ড নেই। Hikvision-এর মডেল সবচেয়ে বেশি, কিন্তু আইপি বা ওয়াইফাই ক্যামেরা চাইলে এখানে TP-Link-ই একমাত্র বিকল্প।
| ব্র্যান্ড | লিস্টিং | এই রেঞ্জে শক্তি | দামের পরিসর |
|---|---|---|---|
| Hikvision | ৮ | সবচেয়ে বেশি অপশন: IR, ColorVu, ডুয়াল লাইট, অডিও, 2MP থেকে 5MP | ৳১,৬৩০ – ৳৫,১১৫ |
| TP-Link | ৬ | এখানে একমাত্র আইপি (VIGI) ও ওয়াইফাই (Tapo, InSight) অপশন | ৳২,৪৪০ – ৳২৬,৫৭০ |
| Dahua | ৩ | সবচেয়ে সস্তা অ্যানালগ HD বুলেট ও আইবল; ফুল কালার LED ডোম | ৳১,৫৯০ – ৳২,২০০ |
| Jovision | ২ | কম দামে ফুল কালার 2MP মডেল | ৳২,৩১০ – ৳২,৫০০ |
| ব্র্যান্ডবিহীন | ৫ | মিনি, পেন ও ট্রেইল ক্যামেরা, বিশেষ কাজের জন্য | ৳৬৫০ – ৳১৪,৪০০ |
সিসি ক্যামেরা কেনার ছয়টি ভুল যা টাকা নষ্ট করে
রেকর্ডারের আগে ক্যামেরা কেনা
অ্যানালগ ক্যামেরার জন্য এমন DVR লাগে যা তার ফরম্যাট ও রেজোলিউশন সাপোর্ট করে। পুরনো 2MP DVR-এ 5MP ক্যামেরা কম মানে রেকর্ড করে, বা একেবারেই দেখায় না।
শুধু DVR-এ ব্যাকআপ দেওয়া
লোডশেডিংয়ে রেকর্ডার চালু থাকে কিন্তু ক্যামেরা বিদ্যুৎ হারায়। ক্যামেরার পাওয়ার সাপ্লাইও IPS-এ দিন।
অতিরিক্ত উঁচুতে বসানো
৪ মিটার উঁচু ক্যামেরা শুধু মাথার তালু দেখায়। ২.৫ থেকে ৩ মিটারে মুখ চেনা যায়, আবার হাতের নাগালেও থাকে না।
রোদের দিকে মুখ করে বসানো
পেছনে সূর্যের আলো থাকলে দর্শনার্থী শুধু কালো ছায়া হয়ে যায়। খোলা আকাশের দিকে নয়, প্রবেশপথের আড়াআড়ি ক্যামেরা রাখুন।
ডিফল্ট পাসওয়ার্ড রেখে দেওয়া
মোবাইলে দেখার সুবিধা চালু করলে রেকর্ডার ইন্টারনেটে উন্মুক্ত হয়। অ্যাডমিন পাসওয়ার্ড বদলান, পরিবারকে শুধু দেখার অ্যাকাউন্ট দিন।
ভুল ধরনের ক্যামেরা বেছে নেওয়া
ছবি তোলার সাধারণ ক্যামেরা ২৪ ঘণ্টা চলার জন্য তৈরি নয়। ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফির অন্য বিভাগ নয়, টানা রেকর্ডিংয়ের জন্য বানানো সিকিউরিটি ক্যামেরা নিন।
সিসি ক্যামেরা নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
বাংলাদেশে সিসি ক্যামেরার দাম কত?
ClickBD-তে সিকিউরিটি ক্যামেরার দাম ৳৬৫০-এর SQ11 মিনি ক্যামেরা থেকে ৳২৬,৫৭০-এর TP-Link InSight S385DPS 8MP প্যানোরামিক বুলেট পর্যন্ত। বাসার জন্য বেশিরভাগ 2MP সিসি ক্যামেরা ৳১,৫৯০ থেকে ৳২,৫০০-এর মধ্যে। মনে রাখবেন, DVR বা NVR, হার্ডডিস্ক, ক্যাবল ও পাওয়ার সাপ্লাই আলাদা কিনতে হয়।
৪টি সিসি ক্যামেরার প্যাকেজে কত খরচ পড়ে?
শুধু চারটি 2MP অ্যানালগ ক্যামেরার দাম এই পেজের তালিকা অনুযায়ী প্রায় ৳৬,৩৬০ থেকে ৳৯,৬০০, যেমন ৳১,৫৯০-এর Dahua বুলেট বা ৳২,৪০০-এর Hikvision ColorVu। এর সঙ্গে ৪ চ্যানেলের DVR, হার্ডডিস্ক, ক্যাবল ও অ্যাডাপ্টার যোগ করতে হবে, যা এই ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত নয়।
বাসার জন্য কোন সিসি ক্যামেরা ভালো?
বেশিরভাগ বাসায় গেটে একটি আউটডোর 2MP বুলেট আর ভেতরে ডোম বা টারেট ক্যামেরা সবচেয়ে ভালো কাজ করে। ৳২,৪০০-এর Hikvision DS-2CE10DF0T-F রাতেও গেট রঙিন দেখায়, আর ৳১,৭০০-এর Hikvision DS-2CE76D0T-LPFS ভেতরে অডিওসহ রেকর্ড করে। রেকর্ডার ছাড়া চাইলে TP-Link Tapo C246D নিন।
লোডশেডিংয়ের সময় কি সিসি ক্যামেরা রেকর্ড করে?
শুধু তখনই, যখন ক্যামেরা, রেকর্ডার ও রাউটার তিনটিই বিদ্যুৎ পায়। কেবল DVR-এ IPS দিলে বক্স চালু থাকে কিন্তু ক্যামেরা বন্ধ হয়ে স্ক্রিন কালো দেখায়। ক্যামেরার পাওয়ার অ্যাডাপ্টারও ব্যাকআপ লাইনে দিন; হার্ডডিস্কসহ রেকর্ডার ইন্টারনেট ছাড়াও রেকর্ড চালিয়ে যায়।
মোবাইলে সিসি ক্যামেরা দেখার নিয়ম কী?
ব্র্যান্ডের অ্যাপ ইনস্টল করে ক্যামেরা বা রেকর্ডার অ্যাকাউন্টে যুক্ত করলেই মোবাইলে দেখা যায় — Hikvision-এর জন্য Hik-Connect, Dahua-র জন্য DMSS, আর TP-Link-এর জন্য VIGI ও Tapo অ্যাপ। অ্যানালগ ক্যামেরার ক্ষেত্রে DVR রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়, আইপি ও ওয়াইফাই ক্যামেরা সরাসরি যুক্ত হয়। লাইভ ছবি কতটা মসৃণ হবে তা আপলোড স্পিডের ওপর নির্ভর করে।
2MP আর 5MP সিসি ক্যামেরার পার্থক্য কী?
2MP ক্যামেরা 1080p ফুল HD রেকর্ড করে, যা কয়েক মিটার দূরের দরজায় মুখ চেনার জন্য যথেষ্ট। ৳২,৪৯৯-এর Hikvision DS-2CE76H0T-ITPF-এর মতো 5MP ক্যামেরায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি পিক্সেল, তাই চওড়া ঘরে জুম করে দেখা যায়। তবে এর জন্য 5MP সাপোর্টেড রেকর্ডার ও বেশি স্টোরেজ লাগে।
ইন্টারনেট ছাড়া কি সিসি ক্যামেরা চলে?
হ্যাঁ। তারযুক্ত সিসিটিভি সিস্টেম কোনো ইন্টারনেট ছাড়াই DVR বা NVR-এর হার্ডডিস্কে রেকর্ড করে; ইন্টারনেট লাগে শুধু মোবাইলে লাইভ দেখা বা অ্যালার্ট পেতে। TP-Link Tapo-র মতো ওয়াইফাই ক্যামেরার সেটআপ ও অ্যাপে দেখার জন্য বাসার রাউটার লাগে, আর সাধারণত মেমোরি কার্ডে ফুটেজ রাখে।
সিসিটিভি আর আইপি ক্যামেরার পার্থক্য কী?
সাধারণ অ্যানালগ HD সিসিটিভি ক্যামেরা কোএক্সিয়াল ক্যাবলে DVR-এ ভিডিও পাঠায়, আর আইপি ক্যামেরা নেটওয়ার্ক ক্যাবলে NVR-এ ডিজিটাল ভিডিও পাঠায়। এই পেজে Hikvision ও Dahua-র অ্যানালগ মডেল ৳১,৫৯০ থেকে এবং TP-Link VIGI আইপি ক্যামেরা ৳২,৪৪০ থেকে শুরু। নতুন ওয়্যারিংয়ে আইপি বেশি উপযোগী।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজ কত দিন থাকে?
হার্ডডিস্ক ভরে না যাওয়া পর্যন্ত ফুটেজ থাকে, তারপর রেকর্ডার নিজে থেকে সবচেয়ে পুরনো দিনের ফুটেজ মুছে লেখে। মোটামুটি হিসাবে, H.265 কম্প্রেশনে চারটি 2MP ক্যামেরার টানা রেকর্ডিং একটি 1TB ডিস্কে প্রায় দুই থেকে তিন সপ্তাহ থাকে। মোশন রেকর্ডিং বা বড় ডিস্কে সময় বাড়ে।
বর্ষায় আউটডোর সিসি ক্যামেরা কি নষ্ট হয়?
বেশিরভাগ আউটডোর বুলেট ক্যামেরা ভারী বৃষ্টির জন্য তৈরি, কিন্তু Hikvision DS-2CE76D0T-ITMF-এর মতো ইনডোর টারেট নয়, তাই বাইরে বসানোর আগে লিস্টিং পড়ুন। সাধারণত নষ্ট হয় ক্যামেরা নয়, ক্যাবলের জোড়া। কানেক্টর জাংশন বক্সে সিল করুন আর ক্যামেরা কার্নিশের নিচে বসান।
অর্ডারের আগে দুটি ক্যামেরা পাশাপাশি তুলনা করুন
উপরের প্রাইস ফিল্টার দিয়ে আপনার বাজেটের ধাপে থাকুন, তারপর দুটি মডেল পাশাপাশি খুলুন। শুরু করার জন্য ভালো জোড়া হলো ৳২,৪৪০-এর TP-Link VIGI C320I আইপি বুলেট বনাম ৳১,৭০০-এর Hikvision অডিও মিনি বুলেট। দামের এই পার্থক্যই আইপি বনাম অ্যানালগের খরচ, আর এটাই বলে দেবে এরপর কোন রেকর্ডার কিনবেন।























