মোবাইল ও এক্সেসরিজের দাম বাংলাদেশে: আগে ফোন ঠিক করুন, তারপর এক্সেসরিজ
এই পেজে মোবাইল ও এক্সেসরিজের দাম শুরু ৳169 থেকে, যেখানে একটি ফ্লিপ কভার পাওয়া যায়; আর সবচেয়ে দামি পণ্য 1TB-এর iPhone 15 Pro, দাম ৳299,999। উপরের তালিকায় 497টি ফোন আর 345টি এক্সেসরিজ একসাথে আছে, তাই শুরুতে একটু এলোমেলো লাগা স্বাভাবিক।
সহজ উপায় হলো আগে ফোনের বাজেট ঠিক করা। কোন চার্জার কিনবেন, ম্যাগনেটিক পাওয়ার ব্যাংক আদৌ লাগবে কি না, কোন কভার ফিট করবে — সবই নির্ভর করে ফোনের ওপর। ফোন এখনো বাছাই না হলে RAM ও স্টোরেজ ফিল্টারসহ সব স্মার্টফোন থেকে শুরু করুন।
দুটি সংখ্যা মনে রাখুন। আমাদের তালিকার অর্ধেক ফোনের দাম প্রায় ৳22,350-এর নিচে, আর অর্ধেক এক্সেসরিজের দাম প্রায় ৳2,174-এর নিচে। সাধারণ একটি চার্জার বা ক্যাবলের দাম দ্বিতীয় সংখ্যাটি ছাড়িয়ে গেলে বুঝবেন, এমন ফিচারের জন্য টাকা দিচ্ছেন যা আপনার ফোন হয়তো ব্যবহারই করবে না।
বাংলাদেশে মোবাইলের দাম ২০২৬: বাজেট অনুযায়ী তালিকা
আমাদের তালিকায় ফোনের দাম যেখানে বেশি জমাট, সেই অনুযায়ী চারটি বাজেট ভাগ করেছি। ৳15,000 থেকে ৳30,000-এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মডেল, তাই তুলনা করে কেনার সুযোগও এখানে সবচেয়ে বেশি। নিচের প্রতিটি ফোন এই পেজেই পাওয়া যাচ্ছে।
| বাজেট | মডেল | RAM / স্টোরেজ | দাম |
|---|---|---|---|
| ৳15,000-এর নিচে | Walton Primo GH10i | 2GB / 32GB | ৳ 8,290 |
| ৳15,000-এর নিচে | Realme Narzo N65 5G-এর দাম | 6GB / 128GB | ৳ 13,999 |
| ৳15,000 – ৳30,000 | Vivo Y19s Pro ফোনটি দেখুন | 6GB / 128GB | ৳ 18,499 |
| ৳15,000 – ৳30,000 | স্যামসাং Galaxy A17 5G | 8GB / 128GB | ৳ 28,999 |
| ৳30,000 – ৳60,000 | Nothing Phone (4a) Pro-এর বিস্তারিত | 8GB / 128GB | ৳ 47,999 |
| ৳30,000 – ৳60,000 | Galaxy A56 5G 256GB মডেল | 8GB / 256GB | ৳ 57,499 |
| ৳60,000 বা বেশি | Samsung Galaxy S23 FE | 8GB / 256GB | ৳ 70,000 |
| ৳60,000 বা বেশি | Apple iPhone 15 | 6GB / 128GB | ৳ 159,000 |
দুটি বিষয় চোখে পড়ে। প্রায় ৳20,000-এর কাছে এসে RAM 4GB থেকে 8GB-তে লাফ দেয়, তাই বাজেট সামান্য বাড়ালে ফোন আরও এক বছর স্বচ্ছন্দে চলতে পারে। আর 5G এখন আর মিড-রেঞ্জের বিষয় নয়: Narzo N65 ৳14,000-এর কমে 5G দিচ্ছে, আর স্যামসাংয়ের A-সিরিজে A17 5G থেকে শুরু।
মোবাইল এক্সেসরিজের দাম: তিনটি বাস্তব বাজেট
এখানে এক্সেসরিজের দাম তিনটি স্পষ্ট ভাগে পড়ে। মানুষ যা সবচেয়ে বেশি কেনে — পাওয়ার ব্যাংক, ওয়াল চার্জার, কার চার্জার — তার বেশিরভাগই মাঝের ভাগে।
কভার ও ক্যাবল
৳ 169 – ৳ 999
- Realme Narzo 50-এর Casotec ফ্লিপ কভার, ৳199
- Baseus CAMYS-02 Micro USB ক্যাবল, ৳330
- Oraimo Highway 15 কার চার্জার, ৳420
প্রতিদিনের চার্জিং
৳ 1,000 – ৳ 2,999
- Awei P20K স্লিম পাওয়ার ব্যাংক, ৳1,199
- LDNIO 65W চার পোর্টের চার্জার, ৳1,850
- Joyroom JR-QP191 22.5W পাওয়ার ব্যাংক, ৳2,400
প্রিমিয়াম ও অডিও
৳ 3,000 বা বেশি
- Riversong Phantom Pro 65W 20,000mAh, ৳3,999
- JBL Go 4 ব্লুটুথ স্পিকার, ৳5,000
- iPhone-এর জন্য Anker MagGo ম্যাগনেটিক পাওয়ার ব্যাংক, ৳7,990
টাকা সবচেয়ে ভালো কাজে লাগে মাঝের ভাগে। ৳1,850-এর একটি মাল্টি-পোর্ট চার্জার দুই-তিনটি সস্তা চার্জারের কাজ একাই করে। আর ৳2,500-এর মধ্যে ব্র্যান্ডেড 10,000mAh পাওয়ার ব্যাংকে ওভারচার্জ সুরক্ষা থাকে, যা ৳500-এর নামহীন পণ্যে প্রায়ই থাকে না।
কোন ফোনে কোন চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক আর কভার
প্রথমে ফোনের প্রোডাক্ট পেজে সর্বোচ্চ চার্জিং ওয়াট দেখে নিন। বাকি সিদ্ধান্ত ওই একটি সংখ্যা আর আপনার দিন কীভাবে কাটে, তার ওপর নির্ভর করে।
২০ হাজার টাকার মধ্যের অ্যান্ড্রয়েড
এই বাজেটের বেশিরভাগ ফোনের জন্য 20W থেকে 22.5W পাওয়ার ব্যাংকই যথেষ্ট। 65W প্যাকে বাড়তি টাকা দিলে এমন গতি কিনবেন যা ফোন নিতেই পারবে না।
পরামর্শ
Hoco J89 20W পাওয়ার ব্যাংক, ৳1,649
মিড-রেঞ্জ 5G ফোন
অনেক নতুন ফোনের বক্সে এখন চার্জার থাকে না। দুই বা তার বেশি পোর্টের USB-C PD অ্যাডাপ্টার থাকলে ফোন আর ইয়ারবাড একই সকেট থেকে সারারাত চার্জ হয়।
পরামর্শ
পোর্ট সংখ্যা মিলিয়ে দেখুন ফাস্ট চার্জারের দাম
iPhone ব্যবহারকারী
ম্যাগনেটিক চার্জার লাগে শুধু iPhone 12 বা নতুন মডেলে, অথবা ম্যাগনেটিক কেস পরানো অ্যান্ড্রয়েডে। পুরোনো iPhone-এ সাধারণ Qi প্যাড লাগবে।
পরামর্শ
যাতায়াত ও রাইড-শেয়ার চালক
ঢাকার জ্যামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ম্যাপ চালালে যেকোনো ব্যাটারি ফুরিয়ে যায়। দুই পোর্টের কার চার্জারে ফোন আর আরেকটি ডিভাইস একসাথে চার্জ হয়।
পরামর্শ
Oraimo Bullet 48 48W কার চার্জার, ৳1,190
ভ্রমণকারী ও ভারী ব্যবহারকারী
65W USB-C আউটপুটের 20,000mAh প্যাক অনেক USB-C চার্জিং ল্যাপটপ-ও চার্জ করতে পারে, ফলে এক প্যাকেই পুরো ব্যাগ চলে।
পরামর্শ
Riversong Phantom Pro PB103 65W, ৳3,999
যেকোনো ফোনের সুরক্ষা
কভার বানানো হয় নির্দিষ্ট একটি মডেলের মাপে। Narzo 50-এর কভার Narzo N65-এ লাগবে না, নাম কাছাকাছি হলেও। তাই পুরো মডেল নাম দিয়ে খুঁজুন।
পরামর্শ
মডেল অনুযায়ী মোবাইল কভারের দাম দেখুন
কোন ব্র্যান্ডের মোবাইল ভালো?
সব দামে কোনো একটি ব্র্যান্ড সেরা নয়। নিচের দামের পরিসর আমাদের নিজেদের তালিকা থেকে নেওয়া, তাই এটি দেখায় আজ এখানে কী কেনা যায় — ব্র্যান্ডের বৈশ্বিক পুরো লাইন-আপ নয়।
| ব্র্যান্ড | দামের পরিসর | শক্তির দিক | যা মাথায় রাখবেন |
|---|---|---|---|
| রিয়েলমি মোবাইলের দাম | ৳9,999 – ৳98,000 | Narzo থেকে GT 7 Pro পর্যন্ত সবচেয়ে বিস্তৃত পরিসর | কিছু পুরোনো মডেলও আছে; লঞ্চের বছর দেখে নিন |
| ভিভো মোবাইলের দাম তালিকা | ৳12,999 – ৳47,999 | নতুন বাজেট ফোন, RAM ও স্টোরেজের অনেক ভ্যারিয়েন্ট | ৳50,000-এর ওপরে বিকল্প কম |
| স্যামসাং মোবাইল দাম বাংলাদেশ | ৳12,000 – ৳183,999 | A-সিরিজ 5G আর ফোল্ডেবল ফোন | ফ্ল্যাগশিপগুলো আগের S23 প্রজন্মের |
| ওয়ালটন স্মার্টফোন | ৳8,290 – ৳27,990 | সবচেয়ে কম দামে শুরু, দেশীয় সার্ভিস নেটওয়ার্ক | পরিসর ছোট, বেশিরভাগ 4G |
| আইফোনের দাম বাংলাদেশে | ৳159,000 – ৳299,999 | দীর্ঘ সফটওয়্যার আপডেট, ভালো রিসেল দাম | বাজেট মডেল নেই; এক্সেসরিজও দামি |
| গুগল পিক্সেল ফোন | ৳43,500 – ৳120,000 | ক্যামেরা প্রসেসিং আর ঝামেলাহীন অ্যান্ড্রয়েড | Pixel 7 ও 8 প্রজন্ম; প্রতিটি পেজে ওয়ারেন্টি দেখে নিন |
অফিসিয়াল ফোন, ওয়ারেন্টি আর লোডশেডিং
অফিসিয়াল না আনঅফিসিয়াল?
অফিসিয়াল ফোন আসে ব্র্যান্ডের বাংলাদেশি পরিবেশকের মাধ্যমে এবং BTRC-তে নিবন্ধিত থাকে। এর ওয়ারেন্টি ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভাগীয় শহরের ব্র্যান্ড সার্ভিস সেন্টারে পাওয়া যায়। আনঅফিসিয়াল ফোন সস্তা হতে পারে, তবে সাধারণত শুধু বিক্রেতার ওয়ারেন্টি থাকে। টাকা দেওয়ার আগে *#06# ডায়াল করে IMEI দেখুন, তারপর KYD লিখে স্পেস দিয়ে IMEI নম্বর 16002-এ SMS করুন।
লোডশেডিং ও ভোল্টেজ
দেশের বিদ্যুৎ 220V, আর গায়ে 100–240V লেখা যেকোনো চার্জার সাধারণ ওঠানামা সামলাতে পারে। আসল ঝুঁকি হলো লোডশেডিংয়ের পর বিদ্যুৎ ফেরার মুহূর্তের সার্জ। বিদ্যুৎ গেলে চার্জার খুলে রাখুন বা সার্জ প্রোটেক্টরসহ মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার করুন, আর ততক্ষণ ভরসা রাখুন পাওয়ার ব্যাংকের দাম ও মডেল দেখে বেছে নেওয়া একটি প্যাকে।
গরম ও বর্ষা
আর্দ্রতায় চার্জিং পোর্টে মরিচা ধরে, তাই বৃষ্টিতে ভেজা ফোন পোর্ট পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত চার্জ দেবেন না। গরমে ফাস্ট চার্জ দেওয়ার সময় মোটা কভার খুলে রাখুন: আটকে থাকা তাপ চার্জিং ধীর করে আর ব্যাটারি দ্রুত ক্ষয় করে।
যে পাঁচটি ভুলে টাকা নষ্ট হয়
শুধু RAM দেখে তুলনা
নতুন 8GB ফোন পুরোনো 12GB ফোনের চেয়েও দ্রুত চলতে পারে। RAM-কে একমাত্র মাপকাঠি ভাবার আগে লঞ্চের বছর আর প্রসেসর দেখুন।
অপ্রয়োজনীয় ওয়াটের জন্য টাকা
25W সীমার ফোন 65W চার্জারে এক সেকেন্ডও দ্রুত চার্জ হবে না। বড় চার্জার কিনুন শুধু যদি ট্যাবলেট বা ল্যাপটপও চালাতে চান।
লঞ্চের বছর না দেখা
এখানকার কিছু ফ্ল্যাগশিপ এক-দুই প্রজন্ম পুরোনো। দামে ভালো হতে পারে, তবে আপডেট কম বছর পাবেন।
নামহীন পাওয়ার ব্যাংকে ভরসা
নামহীন প্যাক প্রায়ই ক্যাপাসিটি বাড়িয়ে লেখে আর ওভারচার্জ সুরক্ষা রাখে না। ব্র্যান্ডেড 10,000mAh মডেল এখানে ৳1,199 থেকেই শুরু।
IMEI চেক বাদ দেওয়া
নিবন্ধনহীন ফোনে নেটওয়ার্ক বন্ধ হতে পারে, ওয়ারেন্টিও মেলে না। SMS চেক করতে এক মিনিট লাগে।
মোবাইল ও এক্সেসরিজ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
বাংলাদেশে মোবাইলের দাম কত থেকে শুরু?
ClickBD-তে মোবাইলের দাম ৳8,290 থেকে ৳299,999 পর্যন্ত। সবচেয়ে কম দামের ফোন 2GB RAM ও 32GB স্টোরেজের Walton Primo GH10i, আর সবচেয়ে দামি 1TB স্টোরেজের Apple iPhone 15 Pro। তালিকার অর্ধেক ফোনের দাম প্রায় ৳22,350-এর নিচে, আর সবচেয়ে বেশি মডেল আছে ৳15,000 থেকে ৳30,000-এর মধ্যে।
২০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মোবাইল কোনটি?
২০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো পছন্দ Vivo Y19s Pro, দাম ৳18,499, যাতে আছে 6GB RAM ও 128GB স্টোরেজ। স্যামসাং পছন্দ হলে 6GB RAM ও 128GB স্টোরেজের Galaxy A07 পাবেন ৳18,999-এ। দুটিতেই বাজেটের বাকি ৳1,000 থেকে ৳1,500 দিয়ে কভার আর স্ক্রিন গার্ড কেনা যায়।
সবচেয়ে কম দামে 5G ফোন কোনটি?
আমাদের তালিকায় সবচেয়ে কম দামের 5G ফোন Realme Narzo N65 5G, দাম ৳13,999; এতে আছে 6GB RAM, 128GB স্টোরেজ আর 120Hz ডিসপ্লে। পরের ধাপে 8GB RAM-এর Samsung Galaxy A17 5G, দাম ৳28,999। বড় শহরের বাইরে 5G নেটওয়ার্ক এখনো সীমিত, তাই একে ভবিষ্যতের প্রস্তুতি হিসেবে দেখুন।
নতুন ফোনের সাথে কোন কোন এক্সেসরিজ লাগে?
নতুন ফোনে সাধারণত চারটি এক্সেসরিজ লাগে: কভার, স্ক্রিন গার্ড, চার্জার আর পাওয়ার ব্যাংক। অনেক ফোনের বক্সে এখন চার্জার থাকে না, তাই আগে বক্সে কী আছে দেখে নিন। এখানে পুরো সেট প্রায় ৳2,500 থেকে ৳4,000-এ হয়, যেমন ৳199-এর ফ্লিপ কভার, ৳1,850-এর LDNIO 65W চার্জার আর ৳1,199-এর Awei পাওয়ার ব্যাংক।
১০০০০ mAh পাওয়ার ব্যাংকে ফোন কয়বার চার্জ হয়?
10,000mAh পাওয়ার ব্যাংকে সাধারণ 5,000mAh ব্যাটারির ফোন প্রায় দেড় থেকে দুইবার চার্জ হয়। রূপান্তরের সময় শক্তি ক্ষয় হয় বলে লেখা ক্যাপাসিটির মাত্র 60 থেকে 70 শতাংশ ফোনে পৌঁছায়। দুইবারের বেশি পূর্ণ চার্জ চাইলে 20,000mAh মডেল নিন, যেমন ৳2,820-এর Bwoo BO-P44।
25W সাপোর্টের ফোনে কি 65W চার্জার ব্যবহার করা যায়?
হ্যাঁ, ব্র্যান্ডেড 65W USB-C চার্জার 25W ফোনে নিরাপদ। USB Power Delivery-র মাধ্যমে ফোন আর চার্জার নিজেরা ঠিক করে নেয় কত পাওয়ার যাবে, তাই ফোন শুধু তার সমর্থিত পাওয়ারই নেয়। সুবিধা হলো একই চার্জারে ট্যাবলেট বা USB-C ল্যাপটপও চলে। নামহীন উচ্চ-ওয়াটের চার্জার এড়িয়ে চলুন।
অফিসিয়াল ফোন চেনার উপায় কী?
*#06# ডায়াল করে ফোনের IMEI নম্বর দেখুন, তারপর KYD লিখে একটি স্পেস দিয়ে IMEI নম্বর 16002-এ SMS করুন। BTRC-র ফিরতি বার্তা জানাবে ফোনটি বাংলাদেশে নিবন্ধিত কি না। টাকা দেওয়ার আগেই এটি করুন, কারণ নিবন্ধনহীন ফোনে নেটওয়ার্ক বন্ধ হতে পারে এবং সাধারণত শুধু বিক্রেতার ওয়ারেন্টি থাকে।
পাওয়ার ব্যাংকের দাম কত?
ClickBD-তে পাওয়ার ব্যাংকের দাম ৳1,199 থেকে ৳7,990 পর্যন্ত। সবচেয়ে কম দামের Awei P20K 10,000mAh, বেশিরভাগ 10,000mAh ফাস্ট চার্জিং মডেল ৳1,600 থেকে ৳2,500-এর মধ্যে, আর ম্যাগনেটিক প্যাক শুরু ৳2,050 থেকে। iPhone ব্যবহারকারীদের জন্য প্রিমিয়াম পছন্দ ৳7,990-এর Anker MagGo 10,000mAh, যা চুম্বকের মাধ্যমে ফোনের পেছনে আটকে থাকে।
লোডশেডিংয়ের সময় ফোন চার্জ দেওয়া কি নিরাপদ?
লোডশেডিংয়ের সময় পাওয়ার ব্যাংক থেকে চার্জ দেওয়া নিরাপদ; ঝুঁকি আসে বিদ্যুৎ ফেরার মুহূর্তে। তখন ভোল্টেজ হঠাৎ বেড়ে সস্তা চার্জার নষ্ট করতে পারে। বিদ্যুৎ গেলে ওয়াল চার্জার খুলে রাখুন বা সার্জ প্রোটেক্টরসহ মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার করুন। 100–240V লেখা চার্জার দেশের 220V লাইনের সাধারণ ওঠানামা সামলাতে পারে।
বিমানে কি 20000mAh পাওয়ার ব্যাংক নেওয়া যায়?
হ্যাঁ, বেশিরভাগ এয়ারলাইনে 20,000mAh পাওয়ার ব্যাংক হাতের ব্যাগে নেওয়া যায়। 3.7 ভোল্টে এর ক্ষমতা প্রায় 74 ওয়াট-আওয়ার, যা সাধারণ 100Wh সীমার নিচে। এটি অবশ্যই হ্যান্ড লাগেজে রাখতে হবে, চেক-ইন ব্যাগে নয়। কিছু এয়ারলাইন ফ্লাইটে পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে, তাই আগে নিয়ম দেখে নিন।
ফিল্টার দিয়ে দুই ক্লিকে বেছে নিন
উপরে ফিরে গিয়ে ফিল্টারে দামের সীমা দিন আর এক-দুটি ব্র্যান্ড বেছে নিন। তারপর শেষ দুটি ফোন পাশাপাশি খুলুন: ৳28,999-এর Samsung Galaxy A17 5G বনাম ৳31,299-এর 256GB Vivo Y31d — এই তুলনাতেই বুঝবেন আপনার কাছে 5G না বাড়তি স্টোরেজ বেশি জরুরি।
সেটআপ সম্পূর্ণ করতে দেখুন ইয়ারবাড ও হেডফোনের দাম, স্মার্টওয়াচ ও ফিটনেস ব্যান্ড, কিংবা পোর্টেবল ব্লুটুথ স্পিকার। পড়াশোনা বা স্ট্রিমিংয়ের জন্য বড় স্ক্রিন চাইলে দেখুন ট্যাবলেটের দাম।





























