পিসি কম্পোনেন্ট দাম বাংলাদেশে এখন আসলে কেমন
এই পেজে থাকা ১২২টি পার্টসের দাম শুরু ৳ ২,৩৯০ থেকে — T-wolf NEOPULSE micro-ATX গেমিং কেসিং — আর সবচেয়ে বেশি ৳ ২,২৭,০০০, PNY GeForce RTX 5080 16GB GDDR7 গ্রাফিক্স কার্ড। এই পার্থক্যটা ডিসকাউন্টের নয়, এক ধরনের পার্টসের সঙ্গে আরেক ধরনের পার্টসের।
কেসিং, একটা RAM স্টিক আর ফ্যান থাকে নিচের দিকে। নতুন জেনারেশনের গ্রাফিক্স কার্ড বা ওয়ার্কস্টেশন বোর্ড থাকে উপরে। কিন্তু পিসি চালাতে গিয়ে যেটা আসলে অনুভব করবেন, সেটা মাঝের অংশ — মাদারবোর্ড, RAM আর স্টোরেজ।
উপরের ফিল্টার থেকে আগে একটা পার্টস টাইপ বেছে নিন। মাদারবোর্ডের দাম তুলনা করতে হবে অন্য মাদারবোর্ডের সঙ্গে, ফ্যানের সঙ্গে নয়।
কম্পিউটার পার্টস দাম: বাজেট অনুযায়ী চারটি ধাপ
এই চারটি ধাপ এসেছে এই পেজের আসল দাম থেকে, আন্দাজ করে নয়। ৳ ৪,৭০০ থেকে ৳ ৭,৫০০ এবং ৳ ৬৭,৫০০ থেকে ৳ ১,১৩,৫০০-এর মাঝে প্রায় কোনো পণ্যই নেই।
| ধাপ | দাম | কী কী পাবেন | স্টকে থাকা উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| এন্ট্রি | ৳ ২,৩৯০ – ৳ ৪,৭০০ | micro-ATX ও মিনি টাওয়ার কেসিং, DDR3L RAM, কেসিং ফ্যান | Value Top Mania X5 Mini Plus (PSU সহ) — ৳ ৩,৩৫০ |
| মেইনস্ট্রিম | ৳ ৭,৫০০ – ৳ ১৭,২০০ | এন্ট্রি গ্রাফিক্স কার্ড, DDR4 কিট, B760 বোর্ড, পোর্টেবল SSD | Asus PRIME B760M-F LGA1700 micro-ATX — ৳ ১৪,৭০০ |
| পারফরম্যান্স | ৳ ৩২,০০০ – ৳ ৬৭,৫০০ | DDR5 6000MHz কিট, RTX 3050 শ্রেণির কার্ড, Z890 গেমিং বোর্ড | Asus Dual RTX 3050 V2 OC 8GB — ৳ ৪২,৯০০ |
| হাই-এন্ড | ৳ ১,১৩,৫০০ – ৳ ২,২৭,০০০ | X870E ও ওয়ার্কস্টেশন বোর্ড, লেটেস্ট জেনারেশনের গ্রাফিক্স কার্ড | Asus ROG Crosshair X870E Hero BTF AM5 — ৳ ১,১৩,৫০০ |
গ্রাফিক্স কার্ড আর প্রসেসরের দাম বিদেশি রিভিউতে দেখা দামের চেয়ে বেশি মনে হওয়ার কারণ আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট। ওই রিভিউর দামে বাংলাদেশের শুল্ক কখনোই ধরা থাকে না, তাই সরাসরি তুলনা করাটা ভুল হয়।
সব ক্যাটাগরিতে স্টক সমান নয়। RAM ও মেমোরি সবচেয়ে বেশি, এরপর পিসি কেসিং ও SSD। প্রসেসর আর পাওয়ার সাপ্লাই তুলনামূলক কম, তাই ফুল সেট কিনলে এই দুটো আগে দেখে নিন।
মাদারবোর্ড প্রসেসর ম্যাচিং: কেনার আগে তিনটি চেক
ফেরত আসা বেশিরভাগ পার্টস নষ্ট থাকে না — শুধু ফিট করে না। এই তিনটি ধাপ ক্রমে মিলিয়ে নিলে বাকি বিল্ড সহজ হয়ে যায়।
১. সকেট আর চিপসেট
আগে প্রসেসর ঠিক করুন, তারপর বোর্ড। Intel-এর 12th থেকে 14th জেনারেশনের জন্য LGA1700, Intel Core Ultra-র জন্য LGA1851, আর Ryzen 7000 ও 9000-এর জন্য AM5। শুধু সকেট মিললেই হবে না — চিপসেটকেও ওই নির্দিষ্ট প্রসেসর সাপোর্ট করতে হবে, আর পুরনো বোর্ডে BIOS আপডেট লাগতে পারে।
দেখে নিন
২. RAM-এর জেনারেশন
DDR4 আর DDR5-এর স্লট আলাদা। DDR5 কিট কোনোভাবেই DDR4 বোর্ডে বসবে না, আর এর কোনো কনভার্টারও নেই। কার্টে দেওয়ার আগে বোর্ডের লিস্টিংয়ে RAM টাইপ দেখে নিন। একটার বদলে দুইটা ম্যাচিং স্টিক কিনুন — dual-channel-এর সুবিধা সামান্য বেশি স্পিডের চেয়ে বড়।
দেখে নিন
Team T-Force Vulcan Z 16GB DDR4 3200MHz — ৳ ১২,৪০০
৩. সাইজ আর পাওয়ার
বোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টরের সঙ্গে কেসিং মেলান — ATX, micro-ATX নাকি mini-ITX। এরপর কেসিংয়ের স্পেসিফিকেশনে দুটো সংখ্যা দেখুন: সর্বোচ্চ গ্রাফিক্স কার্ডের দৈর্ঘ্য আর কুলারের উচ্চতা। PSU-র ওয়াট হিসাব করুন গ্রাফিক্স কার্ড দেখে। কেসিং ঠিক হলে কুলিং ফ্যান দেখুন।
দেখে নিন
Asus Prime AP201 মিনি টাওয়ার কেসিং — ৳ ১০,৪০০
পিসি বানাতে কত টাকা লাগে
উপরের পার্টস দাম ধরে পুরো পিসির আনুমানিক খরচ — মনিটর, কিবোর্ড ও মাউস বাদে। এগুলো পরিকল্পনার জন্য, কোটেশন নয়।
স্টুডেন্ট ও অফিস
৳ ৪৫,০০০ – ৳ ৬০,০০০
- বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স সহ এন্ট্রি প্রসেসর
- micro-ATX বোর্ড, 8GB DDR4, 500GB SSD
- ক্লাস, ডকুমেন্ট আর ব্রাউজিংয়ের জন্য যথেষ্ট
- আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড লাগে না
দৈনন্দিন ও হালকা ক্রিয়েটিভ
৳ ৬০,০০০ – ৳ ৯০,০০০
- 16GB RAM আর 1TB NVMe ড্রাইভ
- যেমন Asus GT 1030 2GB low profile
- ফটো এডিটিং ও অনেক ট্যাব একসঙ্গে
- পরে বড় কার্ড লাগানোর জায়গা থাকে
গেমিং
৳ ১,০০,০০০ – ৳ ১,৬০,০০০
- RTX 3050 শ্রেণির কার্ড ৳ ৪২,৯০০
- 16GB বা 32GB কিট, 1TB NVMe
- ভালো ব্র্যান্ডের 550W বা তার বেশি PSU
- তিন বা তার বেশি ফ্যানের এয়ারফ্লো কেসিং
ওয়ার্কস্টেশন
৳ ৩,০০,০০০+
- Asus Pro WS WRX90E-SAGE SE — ৳ ১,৯৯,৫০০
- 32GB DDR5 6000MHz বা তার বেশি
- রেন্ডারিং, 3D ও ভিডিও টাইমলাইন
- পার্টসের আগে কুলিং ও পাওয়ার পরিকল্পনা
কোন ব্র্যান্ডের পার্টস এখানে বেশি
সব ধরনের পার্টসে কোনো একটি ব্র্যান্ড সেরা নয়। এই পেজের স্টক আসলে যেখানে বেশি, সেটাই নিচে দেওয়া হলো।
| ব্র্যান্ড | যেখানে শক্তিশালী | জেনে রাখুন |
|---|---|---|
| ASUS | মাদারবোর্ড, কেসিং, এন্ট্রি গ্রাফিক্স | এই পেজে সবচেয়ে বড় রেঞ্জ — ৳ ৭,৫০০ থেকে ৳ ১,৯৯,৫০০ পর্যন্ত |
| PNY | RAM, SSD, গ্রাফিক্স কার্ড | দুই প্রান্তেই আছে — ৳ ৯,২০০ DDR4 কিট আর ৳ ২,২৭,০০০ RTX 5080 |
| Gigabyte | কেসিং ও বোর্ড | ৳ ৪,০০০–৫,০০০ দামের গ্লাস কেসিংয়ে ভালো |
| Team, Apacer, Adata, Transcend | ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ RAM | মেমোরির বেশিরভাগ স্টক এখানেই; RAM-এর দাম মিলিয়ে দেখুন |
| Antec, Revenger, Value Top, Xtreme | কম দামের কেসিং | ৳ ২,৪০০–৩,৪০০ ধাপ; সঙ্গে দেওয়া PSU-র মান দেখে নিন |
কম চাহিদার পার্টস আছে, তবে অল্প। সাউন্ড কার্ড, কার্ড রিডার, নেটওয়ার্ক কার্ড বা ইন্টারনাল হার্ড ড্রাইভ খুঁজলে হাতে গোনা কয়েকটি অপশন পাবেন।
বাংলাদেশে ডেস্কটপ চালানো: বিদ্যুৎ, ওয়ারেন্টি ও আবহাওয়া
গরমের চেয়ে ভোল্টেজের ওঠানামায় বেশি পার্টস নষ্ট হয়
আমাদের লাইন ভোল্টেজ ২২০V-এর আশপাশে স্থির থাকে না, আর লোডশেডিংয়ের পর বিদ্যুৎ ফেরার মুহূর্তের ঝটকাতেই বেশিরভাগ ক্ষতি হয়। পরিচিত ব্র্যান্ডের 80 PLUS Bronze বা তার ভালো রেটিংয়ের PSU হলো সবচেয়ে সস্তা বিমা — নিজের দামের কয়েক গুণ পার্টস এটি বাঁচায়। বড় গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে গিয়ে PSU-তে কাটছাঁট করা লাভজনক নয়।
UPS নিন সেফ শাটডাউনের জন্য
ডেস্কটপে UPS-এর কাজ হলো দুই-তিন মিনিট সময় দেওয়া, যাতে কাজ সেভ করে ঠিকভাবে বন্ধ করা যায়, আর ভোল্টেজ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা। অফিস পিসির জন্য 650VA যথেষ্ট; আলাদা গ্রাফিক্স কার্ডসহ গেমিং পিসিতে 1000VA থেকে 1200VA দরকার। সবচেয়ে সস্তা অফলাইন মডেলের চেয়ে লাইন-ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইউনিট নেওয়াই ভালো।
অফিসিয়াল ইমপোর্ট বনাম আনঅফিসিয়াল
ব্র্যান্ডের অনুমোদিত পরিবেশকের মাধ্যমে আসা পার্টসে দেশেই ওয়ারেন্টি ক্লেইম করা যায় — পার্টস ভেদে সাধারণত এক থেকে তিন বছর। দেখতে একই রকম আনঅফিসিয়াল পার্টসে সেই সুবিধা প্রায়ই থাকে না। কেনার সময় জিজ্ঞাসা করে নিন কোন চ্যানেলে এসেছে, ইনভয়েস সংরক্ষণ করুন। বোর্ড ও কার্ডের RMA সাধারণত ঢাকা ও চট্টগ্রামের সার্ভিস পয়েন্টে হয়, তাই কয়েক দিন পিসি ছাড়া থাকার প্রস্তুতি রাখুন।
বর্ষায় অতিরিক্ত RAM স্টিক বা কার্ড ড্রয়ারে খোলা না রেখে সিলিকা প্যাকেটসহ এয়ারটাইট ব্যাগে রাখুন। কন্টাক্ট পয়েন্টে আর্দ্রতার সমস্যা ধীরে হয়, কিন্তু সহজেই এড়ানো যায়।
প্রথম বিল্ডে যে ভুলগুলোতে টাকা নষ্ট হয়
আগে বোর্ড কেনা
আগে প্রসেসর ঠিক করুন, তারপর সকেট মিলিয়ে বোর্ড। উল্টো করলেই LGA1700 বোর্ডের সঙ্গে LGA1851 প্রসেসর মেলানোর ঝামেলায় পড়তে হয়।
সস্তা পাওয়ার সাপ্লাই
নন-ব্র্যান্ড PSU নষ্ট হলে বোর্ড আর কার্ডও সঙ্গে নিয়ে যেতে পারে। কার্ডে বাজেট বাড়ানোর আগে রেটেড PSU নিশ্চিত করুন।
ভুল RAM অর্ডার
DDR5 কখনোই DDR4 বোর্ডে বসবে না। বোর্ডের লিস্টিংয়ে টাইপ দেখে ডেস্কটপ RAM ফিল্টার করুন।
ভুল পার্টস আপগ্রেড
পুরনো পিসি এখনো হার্ড ড্রাইভ থেকে বুট করলে SSD লাগান। নতুন গ্রাফিক্স কার্ডে ওই পার্থক্য আসবে না।
কেসিংয়ের মাপ না দেখা
লম্বা কার্ড আর উঁচু কুলার সব কেসিংয়ে ঢোকে না। মাপ দুটো স্পেসিফিকেশনেই লেখা থাকে।
ইনভয়েস না রাখা
পার্টসের ওয়ারেন্টি ক্লেইম চলে কেনার কাগজে। পার্টস নষ্ট হওয়ার দিন নয়, হাতে পাওয়ার দিনই সেটি সংরক্ষণ করুন।
পিসি কম্পোনেন্ট নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
পিসি বানাতে কত টাকা লাগে?
সাধারণ কাজের একটি ডেস্কটপ শুরু হয় প্রায় ৳ ৪৫,০০০ থেকে, যেখানে এন্ট্রি প্রসেসরের সঙ্গে কেসিং, মাদারবোর্ড, RAM ও স্টোরেজ ধরা থাকে। আলাদা গ্রাফিক্স কার্ডসহ গেমিং বিল্ড পড়ে প্রায় ৳ ১,০০,০০০, আর হাই-এন্ড বোর্ড ও নতুন কার্ডের ওয়ার্কস্টেশন ৳ ৩,০০,০০০ ছাড়ায়। এই হিসাব অফিসিয়াল ওয়ারেন্টির নতুন পার্টস ধরে।
কোন পার্টস পিসির পারফরম্যান্সে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে?
কাজের ধরনের উপর নির্ভর করে: গেমিংয়ের FPS ঠিক করে গ্রাফিক্স কার্ড, আর বাকি প্রায় সবকিছু ঠিক করে প্রসেসর। ভিডিও এডিটিং ও রেন্ডারিংয়ে প্রসেসরের কোর সংখ্যা সবচেয়ে জরুরি। সাধারণ ব্যবহারে হার্ড ড্রাইভ থেকে SSD-তে গেলে পার্থক্য সবচেয়ে বেশি বোঝা যায়। RAM কম থাকলে বাকি পার্টস যত ভালোই হোক, সব কাজ ধীর হবে।
যেকোনো মাদারবোর্ডে কি যেকোনো প্রসেসর চলে?
না — সকেট আর চিপসেট দুটোই প্রসেসরের সঙ্গে মিলতে হবে। Intel-এর 12th থেকে 14th জেনারেশনের জন্য LGA1700, Core Ultra-র জন্য LGA1851, আর Ryzen 7000 ও 9000-এর জন্য AM5 বোর্ড লাগে। সঠিক সকেটের বোর্ডেও নতুন প্রসেসরের জন্য BIOS আপডেট লাগতে পারে, তাই অর্ডারের আগে নির্মাতার সাপোর্টেড CPU তালিকা দেখে নিন।
গেমিং আর দৈনন্দিন কাজে কত GB RAM দরকার?
২০২৬ সালে গেমিংয়ের জন্য 16GB হলো যুক্তিসঙ্গত শুরু, আর ব্রাউজিং, অফিসের কাজ ও অনলাইন ক্লাসে 8GB এখনো চলে। ভিডিও এডিটিং, 3D কাজ ও ভারী মাল্টিটাস্কিংয়ে 32GB অনেক বেশি আরামদায়ক। একটার বদলে দুইটা ম্যাচিং স্টিকের কিট কিনুন, কারণ dual-channel সুবিধা সামান্য বেশি স্পিডের চেয়ে বেশি কাজে দেয়।
হার্ড ড্রাইভ থাকলেও কি SSD লাগবে?
হ্যাঁ — হার্ড ড্রাইভ রেখে দিলেও Windows আর প্রতিদিনের সফটওয়্যার SSD-তে রাখুন। বুট টাইম, অ্যাপ খোলা আর ফাইল খোঁজা সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত হয়ে যায়, আর এই পার্থক্য দ্রুত প্রসেসরের চেয়ে অনেক বেশি টের পাওয়া যায়। সিনেমা, ব্যাকআপ আর আর্কাইভের জন্য হার্ড ড্রাইভই ভালো, কারণ সেখানে প্রতি GB খরচ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে ডেস্কটপ পিসির জন্য কি UPS দরকার?
হ্যাঁ, যে পিসির ডেটা হারাতে চান না তার জন্য অবশ্যই। লেখার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ গেলে ড্রাইভের ডেটা নষ্ট হতে পারে বা Windows বুট বন্ধ হয়ে যেতে পারে, আর বারবার এভাবে বন্ধ হলে স্টোরেজের আয়ু কমে। সাধারণ বিল্ডে 650VA থেকে 1200VA লাইন-ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইউনিট নিরাপদে বন্ধ করার সময় দেয় ও ভোল্টেজ কিছুটা স্থির রাখে।
বাংলাদেশে পিসি পার্টসে কি অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি থাকে?
শুধু তখনই, যখন পার্টসটি ব্র্যান্ডের অনুমোদিত পরিবেশকের মাধ্যমে দেশে এসেছে। অফিসিয়াল পার্টসে দেশেই ক্লেইম করা যায় এমন ওয়ারেন্টি থাকে, পার্টস ভেদে সাধারণত এক থেকে তিন বছর। আনঅফিসিয়াল পার্টস হার্ডওয়্যার হিসেবে একই হতে পারে, কিন্তু দেশে ক্লেইম করার সুযোগ থাকে না। তাই চ্যানেল জেনে নিন ও ইনভয়েস রাখুন।
RTX 3050-এর জন্য কত ওয়াটের PSU দরকার?
RTX 3050 ভিত্তিক বিল্ডের জন্য ভালো মানের 550W ইউনিটই বাস্তবসম্মত সর্বনিম্ন। কার্ডটি নিজে খুব বেশি বিদ্যুৎ টানে না, কিন্তু বাড়তি হেডরুম ভোল্টেজ পড়ে যাওয়া থেকে বাঁচায় আর পরে আপগ্রেডের জায়গা রাখে। নন-ব্র্যান্ড ইউনিটের বেশি ওয়াটের চেয়ে পরিচিত ব্র্যান্ডের 80 PLUS Bronze বা ভালো রেটিং বেছে নিন।
২০২৬ সালে DDR4 নাকি DDR5 RAM কেনা উচিত?
আপনার মাদারবোর্ড যেটি সাপোর্ট করে সেটিই কিনুন, কারণ দুটির স্লট আলাদা এবং একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না। পুরনো LGA1700 ও AM4 বোর্ডে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে DDR4 চলে, আর LGA1851 ও AM5 বোর্ডে শুধু DDR5। নতুন বিল্ড করলে DDR5 নেওয়াই ভবিষ্যতের জন্য ভালো; পুরনো বোর্ডে RAM বাড়ালে যেটি লাগানো আছে সেটিই মেলান।
পুরনো ডেস্কটপে প্রথমে কোন পার্টস আপগ্রেড করব?
পিসি এখনো হার্ড ড্রাইভ থেকে বুট করলে প্রথমেই SSD লাগান, কারণ এত কম খরচে পুরনো পিসির গতি আর কিছুতেই এতটা বদলায় না। দ্বিতীয় ধাপ RAM — 4GB বা 8GB থেকে 16GB-তে নিয়ে যাওয়া। এরপরই কেবল গ্রাফিক্স কার্ডের কথা ভাবুন, আর কেনার আগে দেখে নিন আপনার পাওয়ার সাপ্লাই সেটি টানতে পারবে কি না।
যে পার্টস বাকি সব ঠিক করে, সেখান থেকেই শুরু করুন
আগে প্রসেসর বা মাদারবোর্ড ফিল্টার করে সকেট ঠিক করুন, তারপর বাকি পার্টস। Intel না AMD — এই সিদ্ধান্ত নিতে Asus TUF Gaming Z890-PRO WIFI আর ROG Crosshair X870E Hero পাশাপাশি দেখে নিন।
নিজে বানাতে না চাইলে রেডি ডেস্কটপ পিসি ও ল্যাপটপ দেখুন। সেটআপ পূর্ণ করতে লাগবে মনিটর, কিবোর্ড ও মাউস, এক্সটার্নাল স্টোরেজ ও রাউটার।





























