গ্রাফিক্স কার্ডের দাম ২০২৬: ৳৫,৮০০ থেকে ৳২,১৯,০০০-এ আসলে কী পাবেন
এই পেজে গ্রাফিক্স কার্ডের দাম শুরু ৳৫,৮০০ থেকে, যা শুধু মনিটরে ছবি দেখানোর কার্ড। সবচেয়ে দামি কার্ডটি ৳২,১৯,০০০-এর, যা 4K গেমিংয়ের জন্য। আসল প্রশ্নটা কার্ড খুঁজে পাওয়া নয়, বরং এখানকার ১২টি কার্ডের মধ্যে কোনটি আপনার মনিটর, পাওয়ার সাপ্লাই আর পছন্দের গেমের সঙ্গে মিলবে।
কম খরচ করলে নতুন গেম আটকে আটকে চলবে। বেশি খরচ করলে পুরনো প্রসেসরের কারণে দামি কার্ডটি পুরো শক্তি দেখাতে পারবে না। নিচের অংশগুলো এই দুই ভুল এড়াতে সাজানো।
এখন তালিকার সব কার্ডই NVIDIA চিপের, আর বানিয়েছে চারটি ব্র্যান্ড: Asus গ্রাফিক্স কার্ড (৪টি মডেল), GIGABYTE গ্রাফিক্স কার্ডের দাম (৩টি), MSI GPU (৩টি) এবং PNY GeForce কার্ড (২টি)। তাই ড্রাইভার সেটআপ সবগুলোতে একই। তবে আজ তুলনা করার মতো কোনো AMD Radeon বা Intel Arc কার্ড নেই।
সহজ নিয়ম: আগে ঠিক করুন কার্ডটি দিয়ে কী করবেন, তারপর বাজেট বেছে নিন, শেষে দুটি জিনিস মিলিয়ে দেখুন — চিপের নাম আর কত পাওয়ার লাগে।
গ্রাফিক্স কার্ডের দামের তালিকা ২০২৬
এই পেজের ১২টি কার্ড, কম দাম থেকে বেশি দামে সাজানো। দামগুলো প্রতিটি লিস্টিংয়ের বর্তমান বিক্রয়মূল্য।
| কার্ড | চিপ ও মেমোরি | যে কাজে ভালো | দাম |
|---|---|---|---|
| MSI GT 710 2GB DDR3 লো প্রোফাইল | GT 710 · 2GB DDR3 | স্লিম অফিস পিসিতে ডিসপ্লে | ৳৫,৮০০ |
| GIGABYTE GT 710 2GB | GT 710 · 2GB | অফিসে বাড়তি মনিটর | ৳৬,৮০০ |
| Asus GT 710 EVO 2GB GDDR5 | GT 710 · 2GB GDDR5 | অফিসের কাজ ও ভিডিও দেখা | ৳৭,৯৫০ |
| Gigabyte GT 1030 OC 2GB | GT 1030 · 2GB | লো সেটিংসে পুরনো গেম | ৳১১,২২০ |
| Asus GT 1030 2GB লো প্রোফাইল | GT 1030 · 2GB GDDR5 | ছোট কেসিংয়ে হালকা গেম | ৳১২,৬০০ |
| Asus GT 730 2GB | GT 730 · 2GB GDDR5 | একাধিক মনিটরের অফিস ডেস্ক | ৳১৬,৫০০ |
| MSI GTX 1650 Ventus XS 4GB | GTX 1650 · 4GB GDDR6 | 1080p ই-স্পোর্টস | ৳২১,৭০০ |
| PNY RTX 3050 Verto 6GB | RTX 3050 · 6GB GDDR6 | কম বাজেটে 1080p গেমিং | ৳২৬,০০০ |
| Gigabyte GTX 1650 Windforce OC 4GB | GTX 1650 · 4GB GDDR6 | 1080p ই-স্পোর্টস | ৳৪৪,৯৯০ |
| MSI GT 1030 4GB GDDR4 OC | GT 1030 · 4GB GDDR4 | অফিস ও হালকা গেম | ৳৪৪,৯৯০ |
| Asus Dual RTX 3050 V2 OC 8GB | RTX 3050 · 8GB GDDR6 | মিডিয়াম-হাই সেটিংসে 1080p AAA | ৳৪৫,৫০০ |
| PNY RTX 5080 16GB GDDR7 | RTX 5080 · 16GB GDDR7 | 4K গেমিং ও ভারী ক্রিয়েটিভ কাজ | ৳২,১৯,০০০ |
৳৪৪,৯৯০ দামের দুটি কার্ড ভালো করে দেখুন। Gigabyte মডেলটিতে সেই একই GTX 1650 চিপ, যা MSI কার্ডে পাচ্ছেন ৳২১,৭০০-তে। আর 4GB GT 1030 কার্ডটি ৳২৬,০০০ দামের 6GB RTX 3050-এর চেয়ে ধীর। দাম দেখার আগে চিপ মিলিয়ে নিন।
কোন কাজে কোন গ্রাফিক্স কার্ড লাগবে
গ্রাফিক্স কার্ডের পারফরম্যান্স নির্ভর করে এর সঙ্গের মনিটর আর প্রসেসরের ওপর। আপনার কাজের সঙ্গে মেলে এমন ঘরটি বেছে নিয়ে প্রস্তাবিত কার্ডটি দেখুন।
অফিস পিসি ও বাড়তি মনিটর
প্রসেসরে বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স না থাকলে, বা দ্বিতীয়-তৃতীয় মনিটর লাগাতে চাইলে GT 710 বা GT 730 যথেষ্ট, কোনো পাওয়ার ক্যাবল লাগে না। কেনার আগে আপনার মনিটরের পোর্ট মিলিয়ে নিন, কারণ পুরনো অফিস মনিটরে এখনো VGA বা DVI থাকে।
প্রস্তাবিত
ই-স্পোর্টস ও 1080p গেমিং
Valorant, CS2, PUBG আর eFootball 1080p-তে GTX 1650-এ ভালো চলে। নতুন AAA গেমের জন্য RTX 3050 নিন। এর 8GB ভার্সন মিডিয়াম থেকে হাই সেটিংস সামলায়, আর DLSS আপস্কেলিং সাপোর্টেড গেমে FPS বাড়ায়।
প্রস্তাবিত
4K গেমিং, এডিটিং ও 3D
RTX 5080 বানানো হয়েছে 4K আর হাই-রিফ্রেশ মনিটরের জন্য। এর 16GB GDDR7 মেমোরি বড় টেক্সচার, 4K টাইমলাইন আর Blender সিন সামলায়। সঙ্গে নতুন জেনারেশনের ডেস্কটপ প্রসেসর রাখুন; পুরনো কোয়াড-কোরে এই কার্ডের অনেকটা টাকাই নষ্ট হবে।
প্রস্তাবিত
4K বিল্ডের জন্য PNY RTX 5080 16GB — ৳২,১৯,০০০
বাজেট অনুযায়ী সেরা গ্রাফিক্স কার্ড
নিচের চারটি ধাপ উপরের আসল দাম থেকে তৈরি, আন্দাজে নয়। ৳৪৫,৫০০ থেকে ৳২,১৯,০০০-এর মাঝখানে এখন কোনো কার্ড নেই — RTX 4060 বা 5060 শ্রেণির কোনো মডেল তালিকায় নেই, তাই মাঝারি বাজেটের জন্য আজ এখানে বিকল্প পাবেন না।
শুধু ডিসপ্লে
৳৫,৮০০ – ৳৭,৯৫০
- MSI, GIGABYTE ও Asus-এর GT 710
- কোনো পাওয়ার ক্যাবল লাগে না
- অফিস পিসি ও বাড়তি মনিটর
হালকা আপগ্রেড
৳১১,২২০ – ৳১৬,৫০০
- পুরনো গেমের জন্য GT 1030 2GB
- Asus-এর লো প্রোফাইল অপশন
- একাধিক মনিটরে GT 730
1080p গেমিং
৳২১,৭০০ – ৳৪৫,৫০০
- ৳২১,৭০০-তে GTX 1650 সবচেয়ে সাশ্রয়ী
- ৳২৬,০০০-তে RTX 3050 6GB
- AAA গেমে ৳৪৫,৫০০-র RTX 3050 8GB
ফ্ল্যাগশিপ
৳২,১৯,০০০
- 16GB GDDR7 সহ RTX 5080
- 4K ও হাই রিফ্রেশ রেট
- 850W শ্রেণির PSU লাগবে
২জিবি না ৪জিবি গ্রাফিক্স কার্ড? কত VRAM লাগবে বুঝে নিন
পণ্যের শিরোনামে আসল স্পেসিফিকেশনের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের কথাও মেশানো থাকে। কোন অংশ দেখবেন আর এই পেজের কার্ডে তার মানে কী, নিচে দেওয়া হলো।
| শিরোনামে যা লেখা | এর মানে | এই পেজে উদাহরণ |
|---|---|---|
| চিপের নাম (GT 710, GTX 1650, RTX 3050) | গতির সবচেয়ে বড় নির্ধারক। আগে চিপ, তারপর মেমোরি তুলনা করুন। | ৳১১,২২০-র GT 1030 ৳১৬,৫০০-র GT 730-এর চেয়ে দ্রুত |
| VRAM (2GB থেকে 16GB) | কার্ডে কত ছবির ডেটা রাখা যায়। ই-স্পোর্টসে 4GB চলে, নতুন 1080p গেমে 8GB আরামদায়ক, 4K-তে 16GB। | RTX 3050 পাওয়া যায় 6GB ও 8GB-তে |
| মেমোরি টাইপ (DDR3 থেকে GDDR7) | দ্রুত মেমোরি চিপকে ভালোভাবে ডেটা জোগায়। DDR3 কার্ড শুধু ডিসপ্লের কাজে। | GT 710 আছে DDR3 ও GDDR5 দুটোতেই |
| লো প্রোফাইল বা LP | অর্ধেক উচ্চতার ব্র্যাকেট, স্লিম অফিস কেসিংয়ে ঢোকে। | MSI GT 710 LP ও Asus GT 1030 LP |
| OC, Ti, Super | OC মানে একই চিপে সামান্য ফ্যাক্টরি ওভারক্লক। Ti ও Super একই মডেল নম্বরের শক্তিশালী সংস্করণ। | দুটি GTX 1650-ই OC মডেল |
| “4K Gaming” জাতীয় শব্দ | বিক্রেতার ভাষা, স্পেসিফিকেশন নয়। চিপ দেখুন। | GT 730 ডিসপ্লে কার্ড, 4K গেমিং কার্ড নয় |
এখানকার সব কার্ড PCIe x16 স্লটে বসে, আর পুরনো PCIe 3.0 মাদারবোর্ডেও প্রায় কোনো পার্থক্য ছাড়াই চলে।
পাওয়ার সাপ্লাই, লোডশেডিং ও ওয়ারেন্টি: বাংলাদেশে GPU কেনার আগে
কার্ড দেখে PSU ঠিক করুন
GT 710, GT 730 আর GT 1030 কার্ড শুধু স্লটের পাওয়ারেই চলে। GTX 1650 আর 6GB RTX 3050 টানে প্রায় 70–75W, তবে কিছু ওভারক্লক ভার্সনে 6-pin প্লাগ থাকে, তাই লিস্টিং দেখে নিন। 8GB RTX 3050 টানে প্রায় 130W, এর জন্য 8-pin ক্যাবলসহ 550W ইউনিট দরকার। RTX 5080-এর জন্য NVIDIA 850W সাজেস্ট করে। নাম ছাড়া বেশি ওয়াটের বদলে ব্র্যান্ডের 80 PLUS পাওয়ার সাপ্লাই নিন।
বিদ্যুতের ঝটকা থেকে বাঁচান
লোডশেডিংয়ের পর বিদ্যুৎ ফেরার মুহূর্তের ভোল্টেজ স্পাইকে গরমের চেয়েও বেশি কার্ড নষ্ট হয়। 1000VA বা তার বেশি লাইন-ইন্টারঅ্যাক্টিভ UPS গেমিং পিসিকে কাজ সেভ করে ঠিকভাবে বন্ধ হওয়ার সময় দেয়, আর ভালো PSU মাঝের ওঠানামা সামলায়।
অফিসিয়াল নাকি আনঅফিসিয়াল
ব্র্যান্ডের অনুমোদিত পরিবেশকের মাধ্যমে আসা কার্ডে দেশেই ওয়ারেন্টি ক্লেইম করা যায়। দেখতে একই রকম আনঅফিসিয়াল কার্ডে প্রায়ই সেই সুবিধা থাকে না। বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করুন কার্ডটি কোন পথে এসেছে, ইনভয়েস রেখে দিন, আর মনে রাখুন ক্লেইম সাধারণত পরিবেশকের সার্ভিস পয়েন্টে যায়, যার বেশিরভাগই ঢাকায়।
গ্রাফিক্স কার্ড কেনায় যে ছয় ভুলে টাকা নষ্ট হয়
চিপ না দেখে মেমোরি দেখা
4GB GT 1030 তবুও GT 1030-ই। দুর্বল চিপে বেশি VRAM দিলে দাম বাড়ে, গতি নয়।
পাওয়ার প্লাগ ভুলে যাওয়া
PSU-তে বাড়তি 6-pin বা 8-pin ক্যাবল না থাকলে কার্ড চালুই হবে না। অর্ডারের আগে দেখে নিন।
কেসিং না মাপা
ডুয়াল-ফ্যান কার্ডে লম্বা জায়গা লাগে, স্লিম অফিস টাওয়ারে লাগে লো প্রোফাইল। পিসি কেসিংয়ের স্পেসিফিকেশনে মাপ মিলিয়ে নিন।
পুরনো CPU-র সঙ্গে নতুন কার্ড
ই-স্পোর্টস গেমে প্রায়ই প্রসেসরই FPS ঠিক করে। দ্রুত কার্ড ধীর চিপের দুর্বলতা ঢাকতে পারে না।
দরকার নেই এমন কার্ড কেনা
অফিসের কাজ আর ভিডিওর জন্য বেশিরভাগ প্রসেসরের বিল্ট-ইন গ্রাফিক্সই মনিটর চালাতে যথেষ্ট।
ইনভয়েস ফেলে দেওয়া
ওয়ারেন্টি ক্লেইম চলে কেনার কাগজে। কার্ড হাতে পাওয়ার দিন থেকেই সেটি রেখে দিন।
গ্রাফিক্স কার্ড নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
বাংলাদেশে গ্রাফিক্স কার্ডের দাম কত?
এই পেজে গ্রাফিক্স কার্ডের দাম শুরু ৳৫,৮০০ থেকে, MSI GT 710 দিয়ে, আর সর্বোচ্চ ৳২,১৯,০০০, PNY RTX 5080। সাধারণ ডিসপ্লে কার্ড ৳৮,০০০-এর নিচে, GTX 1650-এর মতো এন্ট্রি গেমিং কার্ড ৳২১,৭০০ থেকে, আর 8GB RTX 3050 ৳৪৫,৫০০। ডলারের দাম আর আমদানি খরচের সঙ্গে দাম বদলায়, তাই কেনার দিন লিস্টিং দেখে নিন।
সবচেয়ে কম দামের গ্রাফিক্স কার্ড কোনটি?
এখানে সবচেয়ে কম দামের কার্ড MSI GT 710 2GB DDR3 লো প্রোফাইল, দাম ৳৫,৮০০। এরপর GIGABYTE GT 710, দাম ৳৬,৮০০। দুটিই ডিসপ্লে কার্ড: মনিটরের পোর্ট বাড়ায়, অফিসের কাজ আর ভিডিও চালায়, কিন্তু নতুন গেমের জন্য নয়। সবচেয়ে কম বাজেটে গেম খেলতে চাইলে ৳২১,৭০০-র MSI GTX 1650 থেকে শুরু করুন।
৩০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা গ্রাফিক্স কার্ড কোনটি?
এই পেজে ৳৩০,০০০-এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী কার্ড PNY RTX 3050 Verto 6GB, দাম ৳২৬,০০০। এটি 1080p-তে ই-স্পোর্টস গেম মসৃণভাবে চালায়, অনেক নতুন গেম লো থেকে মিডিয়াম সেটিংসে চলে, আর DLSS সাপোর্ট করে। শুধু Valorant, CS2 বা PUBG খেললে ৳২১,৭০০-র MSI GTX 1650 নিলে ৳৪,৩০০ বাঁচবে, পারফরম্যান্স সামান্য কম।
২জিবি গ্রাফিক্স কার্ডের দাম কত, এতে কি গেম চলবে?
এই পেজে ২জিবি গ্রাফিক্স কার্ডের দাম ৳৫,৮০০ থেকে ৳১৬,৫০০, মোট ৬টি মডেল। GT 710 আর GT 730 মূলত ডিসপ্লে, ভিডিও ও অফিসের কাজের জন্য, নতুন গেমের জন্য নয়। 2GB GT 1030 লো সেটিংসে পুরনো বা হালকা গেম চালাতে পারে। আধুনিক গেমের জন্য অন্তত 4GB GTX 1650 দরকার।
৪জিবি গ্রাফিক্স কার্ডের দাম কত?
এই পেজে ৪জিবি গ্রাফিক্স কার্ডের দাম ৳২১,৭০০ থেকে ৳৪৪,৯৯০, মোট ৩টি মডেল। সবচেয়ে ভালো মান ৳২১,৭০০-র MSI GTX 1650 Ventus XS, যা 1080p ই-স্পোর্টসে ভালো চলে। Gigabyte GTX 1650-এ একই চিপ থাকলেও দাম ৳৪৪,৯৯০, আর 4GB GT 1030 গেমিংয়ে অনেক দুর্বল, তাই চিপ মিলিয়ে কিনুন।
RTX 3050-এর দাম বাংলাদেশে কত?
এই পেজে RTX 3050-এর দাম PNY Verto 6GB-এর জন্য ৳২৬,০০০ আর Asus Dual V2 OC 8GB-এর জন্য ৳৪৫,৫০০। দুটি এক কার্ড নয়: 8GB ভার্সনে মেমোরি বেশি, মেমোরি বাস চওড়া, পারফরম্যান্সও স্পষ্টভাবে বেশি। তবে এর জন্য 8-pin পাওয়ার কানেক্টর আর 550W পাওয়ার সাপ্লাই লাগে।
গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য কত ওয়াটের PSU লাগবে?
কার্ডের ওপর নির্ভর করে। GT 710, GT 730 আর GT 1030-এ বাড়তি কানেক্টর লাগে না, প্রায় যেকোনো সচল PSU-তে চলে। GTX 1650 বা 6GB RTX 3050-এর বিল্ডে ভালো মানের 450W যথেষ্ট, 8GB RTX 3050-এ লাগে 550W, আর RTX 5080-এর জন্য NVIDIA 850W সাজেস্ট করে। নাম ছাড়া বেশি ওয়াটের চেয়ে ব্র্যান্ডের 80 PLUS ইউনিট ভালো।
প্রসেসরে গ্রাফিক্স থাকলে কি আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড লাগবে?
অফিসের কাজ, ব্রাউজিং বা ভিডিওর জন্য লাগবে না। বিল্ট-ইন গ্রাফিক্সই মনিটর চালায়, তাই আলাদা কার্ড কাজে আসে শুধু গেম, ভিডিও এডিটিং বা বেশি মনিটরের জন্য। তবে প্রসেসরে গ্রাফিক্স একেবারেই না থাকলে, যেমন নামের শেষে F থাকা Intel মডেলে, কার্ড ছাড়া স্ক্রিনে কিছুই আসবে না।
পুরাতন বা ইউজড গ্রাফিক্স কার্ড কেনা কি ঠিক?
কেনা যায়, তবে ঝুঁকি বুঝে। ইউজড কার্ডে সাধারণত অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি থাকে না, আর আগে মাইনিং বা টানা ভারী কাজে ব্যবহার হয়ে থাকলে ফ্যান ও থার্মাল পেস্ট ক্ষয়ে যেতে পারে। কিনলে চালু অবস্থায় গেম চালিয়ে তাপমাত্রা দেখুন। নতুন কার্ডে দেশীয় ওয়ারেন্টি পাবেন, যেমন ৳২১,৭০০-র MSI GTX 1650।
বাংলাদেশে গ্রাফিক্স কার্ডের দাম বেশি কেন?
গ্রাফিক্স কার্ড আমদানি করা পণ্য, তাই বিশ্ববাজারের দামের সঙ্গে যোগ হয় আমদানি শুল্ক, ভ্যাট, শিপিং খরচ আর টাকা-ডলারের বিনিময় হার। বিদেশি রিভিউতে যে কার্ড সস্তা মনে হয়, সেখানে এসব খরচ ধরা থাকে না। অফিসিয়াল কার্ডে দেশীয় ওয়ারেন্টিও থাকে, যা কম দামের আনঅফিসিয়াল কার্ডে প্রায়ই থাকে না।
অর্ডারের আগে দুটি কার্ড পাশাপাশি তুলনা করুন
উপরের প্রাইস ফিল্টারে ৳২০,০০০–৳৩০,০০০ দিন, তারপর MSI GTX 1650 আর PNY RTX 3050 6GB পাশাপাশি খুলুন। পাওয়ার কানেক্টর, কার্ডের দৈর্ঘ্য আর পোর্ট আপনার পিসির সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন, তারপর ঠিক করুন আপনার গেমের জন্য ৳৪,৩০০ বেশি খরচ করা দরকার কি না।
নিজে বিল্ড করতে না চাইলে গ্রাফিক্স কার্ড লাগানো রেডি ডেস্কটপ পিসি দেখুন।











