সাউন্ড সিস্টেমের দাম বাংলাদেশ — স্পিকার, সাউন্ডবার, হেডফোন ও হোম থিয়েটার

৳ ১৯০ থেকে ৳ ১,০৬,৯৯০ পর্যন্ত ২৩০+ অডিও পণ্য। উপরের ফিল্টার থেকে ধরন, ব্র্যান্ড ও বাজেট অনুযায়ী বেছে নিন।

Sound category

সাউন্ড সিস্টেমের দাম বাংলাদেশ: বাজেট অনুযায়ী কী পাবেন

প্রশ্নটা প্রায় সবারই এক — ৳ ৩,০০০ দিয়ে একটা পোর্টেবল স্পিকার, নাকি ৳ ৩০,০০০ দিয়ে একটা সাউন্ডবার? সঠিক উত্তর নির্ভর করে ঘরের আকারের উপর, ব্র্যান্ডের নামের উপর নয়। এখানে দাম শুরু ৳ ১৯০ ওয়্যারড ইয়ারফোন থেকে, আর সর্বোচ্চ ৳ ১,০৬,৯৯০ পার্টি স্পিকার পর্যন্ত।

৳ ১৫,০০০ থেকে ৳ ৩০,০০০ এর মধ্যেই শব্দের মান সবচেয়ে বেশি লাফ দেয়। এর নিচে আপনি কিনছেন সুবিধা, উপরে কিনছেন ঘর ভরা বেস আর টিভির সঠিক কানেকশন। নিচে ঠিক করে নিন আপনার ঘরের জন্য কোন দিকটা দরকার।

স্পিকার ও সাউন্ডবারের দামের ধাপ

দামের ধাপ কী পাবেন কাদের জন্য উদাহরণ দাম
৳ ১৯০ – ১,৫০০ ওয়্যারড ইয়ারফোন, সাধারণ হেডসেট ছাত্রছাত্রী, কল ও বিকল্প জোড়া UiiSii HM15 Hi-Res ওয়্যারড ইয়ারফোন ৳ ৩৯৯
৳ ১,৫০০ – ৫,০০০ TWS ইয়ারবাড, পোর্টেবল ব্লুটুথ স্পিকার প্রতিদিনের চলাচল, ডেস্ক, ছোট ঘর Weofly Boulder ওয়াটারপ্রুফ ব্লুটুথ স্পিকার ৳ ৩,৩০০
৳ ৫,০০০ – ২০,০০০ ANC হেডফোন, সাধারণ সাউন্ডবার ভ্রমণ, টিভির প্রথম আপগ্রেড Samsung HW-T400 2.0ch সাউন্ডবার ৳ ১৪,৯৯০
৳ ২০,০০০ – ৬০,০০০ 2.1 ও 5.1 হোম থিয়েটার, পার্টি স্পিকার পরিবারের ড্রয়িং রুম, সিনেমা Sony HT-S20R 5.1ch Dolby Digital হোম থিয়েটার ৳ ২৫,৯৯৯
৳ ৬০,০০০+ Dolby Atmos ফ্ল্যাগশিপ, ৮০০W+ পার্টি স্পিকার বড় হল, আলাদা মিডিয়া রুম JBL Bar 800MK2 7.1 Dolby Atmos সাউন্ডবার ৳ ৮৮,৪৯০

স্টক ও অফার অনুযায়ী দাম বদলায়, তাই এগুলোকে বাজারের একটা ধারণা হিসেবে দেখুন। উপরের প্রাইস ফিল্টারে নিজের সর্বোচ্চ বাজেট বসিয়ে নিন।

যে স্পেসিফিকেশনগুলো সিদ্ধান্ত বদলে দেয়

2.0, 2.1 নাকি 5.1 চ্যানেল

সংখ্যাটা স্পিকারের সংখ্যা বোঝায়, আর দশমিকের পরের অঙ্কটা সাবউফার। ঢাকার সাধারণ ১২ × ১৪ ফুট ড্রয়িং রুমে 2.1 সেটআপ কার্যত 5.1 এর সমান ফল দেয়, কারণ পেছনের স্যাটেলাইট স্পিকার বসানোর জায়গা বা তার টানার সুযোগ থাকে না। ঘর ১৫ ফুটের বেশি চওড়া হলে তবেই 5.1 ভাবুন।

প্রস্তাবিত পণ্য

Sony HT-S400 2.1ch ওয়্যারলেস সাবউফার সাউন্ডবার — ৳ ২৯,৮০০

ওয়াট দেখে কেন বিভ্রান্ত হবেন না

বিজ্ঞাপনের ওয়াট সাধারণত পিক পাওয়ার, ধারাবাহিক আউটপুট নয়। তাই ১০০০W মানে ১০০W এর দশ গুণ জোরে বাজবে না। ১২ × ১৪ ফুট ঘরের জন্য প্রকৃত ২০০ থেকে ৩০০W যথেষ্ট। ৫০০W এর উপরে যা কিছু, সেটা হল বা খোলা জায়গার জন্য — ফ্ল্যাটের জন্য নয়।

প্রস্তাবিত পণ্য

JBL Bar 2.1 Deep Bass MK2 300W সাউন্ডবার — ৳ ৩৫,৬০০

HDMI ARC, eARC আর পুরনো টিভি

ARC একটাই HDMI কেবলে টিভির শব্দ ফেরত পাঠায়, ফলে টিভির রিমোট দিয়েই ভলিউম নিয়ন্ত্রণ হয়। eARC আনকমপ্রেসড Dolby Atmos চালানোর ব্যান্ডউইথ দেয়। টিভি ছয় বছরের বেশি পুরনো হলে ARC পোর্ট না-ও থাকতে পারে; তখন optical বা 3.5 mm দিয়েই সংযোগ করতে হবে। কেনার আগে টিভির পোর্টের লেখা দেখে নিন।

প্রস্তাবিত পণ্য

Samsung HW-Q600C 3.1.2ch Dolby Atmos সাউন্ডবার — ৳ ৪২,৪৮৭

ANC আর ENC এক জিনিস নয়

ANC আপনি যা শোনেন তা কমায় — বাসে বা জেনারেটরের শব্দে কাজে লাগে। ENC উল্টো দিকে, কলের ওপাশের মানুষ যা শোনেন সেটা পরিষ্কার করে। কম দামের তালিকায় দুটোই লেখা থাকে, তাই মিলিয়ে পড়ুন। ৳ ৩,০০০ এর নিচে ANC সামান্যই কাজ করে; সত্যিকারের নীরবতা সাধারণত ৳ ১৩,০০০ থেকে শুরু।

প্রস্তাবিত পণ্য

JBL Live 670NC ANC হেডফোন, ৬৫ ঘণ্টা ব্যাকআপ — ৳ ১৩,০০০

IPX রেটিং আসলে কী বোঝায়

IPX4 ছিটেফোঁটা পানি ও ঘাম সামলায়। IPX5 সরাসরি পানির ধারা সহ্য করে। IPX7 এক মিটার পানির নিচে আধা ঘণ্টা টিকে থাকে। বর্ষাকালে বাইরে ব্যবহারের জন্য IPX5 কার্যত সর্বনিম্ন; ঘরের ভেতরের জন্য IPX4 যথেষ্ট। মনে রাখবেন, পানিতে নষ্ট হলে সাধারণত ওয়ারেন্টি প্রযোজ্য হয় না।

প্রস্তাবিত পণ্য

JBL PartyBox Encore IPX4 100W স্পিকার, ২টি মাইকসহ — ৳ ৪১,৪৯৯

ব্যাটারি ব্যাকআপের বাস্তব হিসাব

ঘোষিত ঘণ্টা ধরা হয় মাঝারি ভলিউমে, লাইট বন্ধ রেখে। জোরে বাজালে আর RGB চালু রাখলে বাস্তবে অর্ধেক সময় পাবেন। বাইরের অনুষ্ঠানের জন্য অন্তত ১০ ঘণ্টার রেটিং দেখুন। বাংলাদেশের গরমে দুই-তিন বছর পর ব্যাটারির ক্ষমতা লক্ষণীয়ভাবে কমে যায়।

প্রস্তাবিত পণ্য

JBL Boombox 3 পোর্টেবল ব্লুটুথ স্পিকার — ৳ ৪৫,০০০

বাংলাদেশে কোন ব্র্যান্ড কীসে ভালো

কোনো ব্র্যান্ড সব জায়গায় সেরা নয়। বর্তমানে যা স্টকে আছে তার ভিত্তিতে প্রতিটি ব্র্যান্ডের প্রকৃত শক্তি ও দুর্বলতা নিচে দেওয়া হল।

ব্র্যান্ড যেখানে সবচেয়ে ভালো যেখানে দুর্বল দামের পরিসর
JBL পার্টি স্পিকার, Atmos সাউন্ডবার, ANC হেডফোন নিরপেক্ষ শোনার জন্য নয়, বেস ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি ৳ ২,৪৯৯ – ১,০৬,৯৯০
Sony সত্যিকারের রিয়ার স্পিকারসহ 5.1 হোম থিয়েটার কম দামের পোর্টেবল স্পিকার ৳ ২৫,৯৯৯ – ৫৫,৯০০
Samsung Samsung টিভির সঙ্গে মানানসই সাউন্ডবার হেডফোন ও ইয়ারবাডের সংগ্রহ এখানে সীমিত ৳ ১৪,৯৯০ – ৪২,৪৮৭
A4Tech Bloody কম দামে গেমিং হেডসেট গান শোনার জন্য টিউনিং উপযুক্ত নয় ৳ ১,৪৯৯ – ৮,৫৯৯
Edifier ডেস্কের কাজে ভারসাম্যপূর্ণ, নির্ভুল শব্দ ভারী বেস ও পার্টির ব্যবহার ৳ ৩,০৯০ – ৪,২৯০
Anker, Xiaomi, Oraimo ৳ ৩,৫০০ এর নিচে কাজের ANC ইয়ারবাড দীর্ঘমেয়াদি সার্ভিস সাপোর্ট অনিয়মিত ৳ ২,৭০০ – ৩,০৯০

এক ব্র্যান্ডে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো সংগ্রহ দেখতে চাইলে বাংলাদেশে স্পিকারের সম্পূর্ণ তালিকা এবং হোম অডিও ও হোম থিয়েটার সিস্টেম দেখে নিন।

বাজেট অনুযায়ী সেরা পছন্দ

৳ ৫,০০০ এর মধ্যে সেরা

৳ ১,০০০ – ৳ ৫,০০০

প্রিমিয়াম

৳ ৩০,০০০ – ৳ ১,০৬,৯৯০

বাংলাদেশে অডিও কেনার বাস্তব দিকগুলো

ভোল্টেজের ওঠানামা ও স্ট্যাবিলাইজার

ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক এলাকায় মেইন ভোল্টেজ ২২০V এর অনেক বাইরে চলে যায়, আর এই ওঠানামাই অ্যামপ্লিফায়ার নষ্ট হওয়ার প্রধান কারণ। ৳ ২০,০০০ এর উপরের বেশিরভাগ হোম থিয়েটারে মেইন-চালিত সাবউফার বা রিসিভার থাকে — এগুলোর জন্য ৫০০VA বা তার বেশি সার্ভো স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। ব্যাটারিচালিত ব্লুটুথ স্পিকারে এই সমস্যা নেই।

লোডশেডিং ও IPS এর আউটপুট

কম দামের IPS বা ইনভার্টার পিওর সাইন ওয়েভ নয়, মডিফায়েড স্কয়ার ওয়েভ দেয়। এতে অ্যামপ্লিফায়ারে গুনগুন শব্দ হয় এবং দীর্ঘ সময় চালালে পাওয়ার সাপ্লাইয়ে চাপ পড়ে। বিদ্যুৎ গেলে IPS এ চালাতে চাইলে আগে দেখে নিন সেটি পিওর সাইন ওয়েভ কি না, নয়তো হোম থিয়েটার শুধু মেইন লাইনেই চালান।

অফিসিয়াল বনাম আনঅফিসিয়াল ওয়ারেন্টি

অফিসিয়াল পণ্য ব্র্যান্ডের অনুমোদিত পরিবেশক বাংলাদেশে এনেছেন, তাই দেশের সার্ভিস সেন্টারেই সারানো যায়। আনঅফিসিয়াল বা গ্রে-মার্কেট পণ্যের আন্তর্জাতিক ওয়ারেন্টি স্থানীয় সেন্টার মানতে বাধ্য নয় — অর্থাৎ মেরামতের খরচ আপনার। দামের পার্থক্য সাধারণত ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ, আর ৳ ৪০,০০০ এর সাউন্ডবারে সেই পার্থক্যই আপনার সার্ভিসের নিশ্চয়তা।

সার্ভিস সেন্টার, EMI ও ডেলিভারি

Sony, Samsung ও JBL এর অনুমোদিত সার্ভিস ঢাকায় আছে, বড় ব্র্যান্ডগুলোর ক্ষেত্রে চট্টগ্রামেও পাওয়া যায়; অন্য জেলা থেকে সাধারণত কুরিয়ারে ঢাকায় পাঠাতে হয়। ইনভয়েস সংরক্ষণ করুন — প্রায় সব দাবিতেই সিরিয়াল নম্বরের সঙ্গে এটি লাগে। ৳ ৫,০০০ এর বেশি অডিও কেনাকাটায় সাধারণত ব্যাংক কার্ডে EMI পাওয়া যায়, আর সাউন্ডবার সংযোজিত অবস্থায় আসে বলে আলাদা টেকনিশিয়ান লাগে না।

আর্দ্রতা ও সংরক্ষণ

বর্ষার আর্দ্রতা স্পিকারের কাগজের কোন নষ্ট করে এবং 3.5 mm জ্যাক ও কানেক্টরে মরিচা ধরায়। সাবউফার ও বড় স্পিকার মেঝে থেকে কয়েক ইঞ্চি উঁচুতে এবং বাইরের ভেজা দেয়াল থেকে দূরে রাখুন। দীর্ঘদিন ব্যবহার না করলেও সপ্তাহে একবার ২০ মিনিট চালিয়ে নিন — এতেই বেশিরভাগ ক্ষতি এড়ানো যায়।

যে সাতটি ভুলে টাকা নষ্ট হয়

ছোট ফ্ল্যাটে 5.1 কেনা

সোফার পেছনে মেঝেতে রাখা রিয়ার স্পিকার কার্যত কিছুই দেয় না। ছোট ঘরে একই দামের ভালো 2.1 বরং বেশি কাজে আসে।

শুধু ওয়াট দেখে কেনা

৳ ১২,০০০ এর সিস্টেমে ১০০০W লেখা মানে পিক পাওয়ার। একই দামের পণ্যের সঙ্গে তুলনা করুন, সবচেয়ে বড় সংখ্যা দেখে নয়।

টিভির পোর্ট না দেখা

eARC পোর্ট নেই এমন টিভির জন্য Atmos সাউন্ডবার কিনলে দামের বড় অংশই অব্যবহৃত থাকে। আগে HDMI লেবেল দেখুন।

স্ট্যাবিলাইজার বাদ দেওয়া

৳ ৪৫,০০০ এর হোম থিয়েটার অস্থির মেইন লাইনে চালানো সবচেয়ে ব্যয়বহুল সাশ্রয়।

সস্তা ANC তে ভরসা

৳ ৩,০০০ এর নিচে ANC কেবল নিচু গুনগুন কমায়। বিমানে সত্যিকারের নীরবতা চাইলে ৳ ১৩,০০০ থেকে বাজেট ধরুন।

ওয়ারেন্টির ধরন না জানা

দাম অস্বাভাবিক কম মানে সাধারণত আনঅফিসিয়াল আমদানি ও স্থানীয় সার্ভিস নেই। নষ্ট হওয়ার পরে নয়, কেনার আগেই জিজ্ঞেস করুন।

কেবলের কথা ভুলে যাওয়া

অনেক সাউন্ডবারের বাক্সে HDMI কেবল থাকে না। অডিও অ্যাকসেসরিজ থেকে একটি নিয়ে নিন।

ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা

সাউন্ডবার নাকি হোম থিয়েটার — ড্রয়িং রুমের জন্য কোনটা ভালো?

বেশিরভাগ ফ্ল্যাটের জন্য সাউন্ডবারই ভালো। একটি কেবল লাগে, রিয়ার স্পিকার বসানো বা দেয়াল ফুটো করার ঝামেলা নেই, আর ওয়্যারলেস সাবউফারসহ 2.1 বার টিভির চেয়ে অনেক ভালো বেস দেয়। ঘর ১৫ ফুটের বেশি চওড়া হলে এবং পেছনে স্পিকার বসানোর জায়গা থাকলেই কেবল পূর্ণ 5.1 বেছে নিন।

বাংলাদেশে সবচেয়ে কম দামে ব্যবহারযোগ্য সাউন্ড সিস্টেম কত?

ওয়্যারড ইয়ারফোন শুরু ৳ ১৯০ থেকে, যা কল ও সাধারণ শোনার জন্য যথেষ্ট। তবে দীর্ঘদিন রাখার মতো স্পিকার চাইলে বাস্তব শুরুর দাম ৳ ২,৫০০ থেকে ৳ ৩,৩০০। ৳ ২,০০০ এর নিচে বেস দুর্বল আর ব্যাটারি ব্যাকআপ কম হওয়াই স্বাভাবিক।

হোম থিয়েটারের জন্য কি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার লাগে?

সিস্টেম মেইন লাইনে চললে — যা ৳ ২০,০০০ এর উপরের বেশিরভাগ সেটআপেই সত্যি — হ্যাঁ, লাগে। বাংলাদেশে ভোল্টেজের ওঠানামা সময়ের সঙ্গে অ্যামপ্লিফায়ারের পাওয়ার সাপ্লাই নষ্ট করে, আর ৫০০VA স্ট্যাবিলাইজারের খরচ মেরামতের তুলনায় নগণ্য। ব্যাটারিচালিত স্পিকারে দরকার নেই।

৩০,০০০ টাকার মধ্যে সেরা সাউন্ডবার কোনটি?

এই বাজেটে হয় শক্তিশালী ওয়্যারলেস সাবউফারসহ 2.1 বার, নয়তো সত্যিকারের রিয়ার স্পিকারসহ সাধারণ 5.1 হোম থিয়েটার নিতে পারেন। ফ্ল্যাটের জন্য ৳ ২৫,৪৯৮ এর Denon DHT-S316, আর বড় ঘরের জন্য ৳ ২৫,৯৯৯ এর Sony HT-S20R — দুটোই এই দামে যুক্তিসঙ্গত পছন্দ।

HDMI ARC ছাড়া পুরনো টিভিতে সাউন্ডবার লাগানো যাবে?

যাবে — optical আউটপুট বা 3.5 mm জ্যাক দিয়ে, যা প্রায় সব সাউন্ডবারই সমর্থন করে। Dolby Atmos পাবেন না এবং দুটি রিমোট ব্যবহার করতে হবে, তবে স্টেরিও ও Dolby Digital ঠিকঠাক চলবে। মডেল বাছার আগে টিভিতে কোন আউটপুট আছে দেখে নিন।

স্পিকারে অফিসিয়াল ওয়ারেন্টির বাড়তি দাম কি যুক্তিসঙ্গত?

৳ ১৫,০০০ এর উপরের যেকোনো পণ্যে হ্যাঁ। অফিসিয়াল পণ্য দেশেই অনুমোদিত সেন্টারে সারানো যায়, আর গ্রে-মার্কেট পণ্যে মেরামতের খরচ বা বিদেশে পাঠানোর ঝামেলা আপনার ঘাড়ে পড়ে। কম দামের ইয়ারবাডে পার্থক্যটা তুলনামূলক কম, কারণ সেগুলো মেরামত করাই সচরাচর লাভজনক নয়।

ব্লুটুথ স্পিকারের ব্যাটারি আসলে কতক্ষণ চলে?

জোরে বাজালে ও লাইট চালু রাখলে ঘোষিত সময়ের প্রায় অর্ধেক। ১২ ঘণ্টার রেটিং থাকা স্পিকার পার্টির ভলিউমে সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা চলে। বাংলাদেশের গরমে দুই-তিন বছর পর ব্যাটারির ক্ষমতা আরও কমে যায়।

অডিও পণ্যে কি EMI সুবিধা আছে?

প্রায় ৳ ৫,০০০ এর বেশি অডিও অর্ডারে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে সাধারণত EMI পাওয়া যায়, মেয়াদ সাধারণত তিন থেকে বারো মাস। এটি আপনার ব্যাংক ও নির্দিষ্ট পণ্যের উপর নির্ভর করে, তাই ধরে না নিয়ে চেকআউটের সময় নিশ্চিত করে নিন।

এখনই বেছে নিন

উপরের ফিল্টারে নিজের সর্বোচ্চ বাজেট বসান, চ্যানেল ফরম্যাট ঠিক করুন, তারপর Denon DHT-S316 আর Sony HT-S20R 5.1 সিস্টেম পাশাপাশি তুলনা করুন। নতুন পর্দার সঙ্গে মেলাতে চাইলে দেখে নিন বাংলাদেশে টেলিভিশনের দাম, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা, আর ব্যক্তিগত শোনার জন্য দেখুন বাংলাদেশে হেডফোনের সংগ্রহ।