ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টারের দাম কত? আগে ঠিক করুন মাসে কত পাতা প্রিন্ট করবেন
ক্লিকবিডি-তে ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টারের দাম ৳ ১২,৯১০ থেকে ৳ ১০,০০,০০০ পর্যন্ত, মোট ৪১টি লিস্টিং। তবে আসল রিফিল-ট্যাঙ্ক মডেলগুলোর সবচেয়ে দামিটিও ৳ ১,৫৮,০০০-এর মধ্যে। মজার ব্যাপার হলো, ৳ ১৫,০০০-এর সাধারণ প্রিন্টার আর ৳ ৪০,০০০-এর অফিস প্রিন্টারের কালির মান প্রায় একই। বাড়তি টাকায় আপনি পান স্ক্যান, WiFi, দুই পাশে প্রিন্ট, বড় কাগজ আর গতি।
তাই "সবচেয়ে সস্তা কোনটা" না ভেবে তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিন: মাসে কত পাতা প্রিন্ট হবে, তার কত ভাগ রঙিন, আর পরিবারের বা অফিসের অন্যরা মোবাইল থেকে প্রিন্ট করবেন কি না। এরপর উপরের ফিল্টার ব্যবহার করলে ৪১টি থেকে তিন-চারটি মডেলেই তালিকা ছোট হয়ে আসবে।
একটি বিষয় খেয়াল রাখুন: Epson WorkForce Pro WF-C5890 (৳ ১,১১,০০০) এবং WorkForce Enterprise AM-C4000 (৳ ১০,০০,০০০) এই তালিকায় থাকলেও এগুলো বড় অফিসের ভারী কাজের মেশিন, বোতলে কালি ভরা সাধারণ ট্যাঙ্ক প্রিন্টার নয়।
বাজেট অনুযায়ী ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টারের দামের তালিকা
বর্তমান দামগুলো চারটি স্পষ্ট ধাপে ভাগ হয়, প্রতিটির মাঝে দামের ফাঁক আছে। প্রথম ধাপে ১৪টি, দ্বিতীয় ধাপে ১৪টি, আর অফিসের দুই ধাপে ৬টি করে লিস্টিং। প্রতি ধাপে প্রিন্টের মান নয়, সুবিধা বাড়ে।
| বাজেট | বাড়তি টাকায় কী পাবেন | উদাহরণ | দাম |
|---|---|---|---|
| ৳ ১২,৯১০ – ৳ ২০,০০০ | শুধু প্রিন্ট বা সাধারণ প্রিন্ট-স্ক্যান-কপি; WiFi কেবল এই ধাপের উপরের দিকে | HP Ink Tank 115 শুধু প্রিন্টের মডেল | ৳ ১২,৯১০ |
| ৳ ২২,৫০০ – ৳ ৩৮,১৯০ | পরিবারের জন্য WiFi অল-ইন-ওয়ান, সাদা-কালো অফিস ট্যাঙ্ক, প্রথম অটো ডুপ্লেক্স মডেল | Epson EcoTank L3250 WiFi প্রিন্টার | ৳ ২২,৫০০ |
| ৳ ২২,৫০০ – ৳ ৩৮,১৯০ | একই ধাপের উপরের দিক: রিপোর্ট ও হ্যান্ডআউটের জন্য দুই পাশে রঙিন প্রিন্ট | Brother DCP-T830DW ডুপ্লেক্স কালার প্রিন্টার | ৳ ৩৬,৫০০ |
| ৳ ৪১,০০০ – ৳ ৬২,০০০ | একসঙ্গে অনেক পাতা স্ক্যানের ADF, অফিসের A4 মডেল, শুরুর A3 | ADF সহ Epson EcoTank L5290 | ৳ ৪৫,০০০ |
| ৳ ৪১,০০০ – ৳ ৬২,০০০ | একই ধাপে সবচেয়ে কম দামের A3 ইঙ্ক ট্যাঙ্ক | Epson EcoTank L11050 A3 প্রিন্টার | ৳ ৫৮,৫০০ |
| ৳ ৭০,৫৩০ – ৳ ১,৫৮,০০০ | ডুপ্লেক্সসহ A3 অল-ইন-ওয়ান, A3+ ফটো প্রিন্ট, ব্যবসার উপযোগী ট্যাঙ্ক মডেল | Epson EcoTank L15180 A3 ডুপ্লেক্স অল-ইন-ওয়ান | ৳ ১,৫৮,০০০ |
বেশ কিছু লিস্টিংয়ে এখন নিয়মিত দামের চেয়ে ছাড় দেখা যাচ্ছে, তাই অর্ডারের আগে প্রোডাক্ট কার্ডে সর্বশেষ দাম দেখে নিন।
বাসা, পড়াশোনা না অফিস—কোন প্রিন্টার কোন কাজে
শিক্ষার্থী ও মাঝেমধ্যে প্রিন্ট
অ্যাসাইনমেন্ট, ফর্ম আর মাঝে মাঝে রঙিন পাতার জন্য USB অল-ইন-ওয়ানই যথেষ্ট। ভর্তির কাগজ বা আইডির কপির জন্য স্ক্যান খুব কাজে লাগে, তাই শুধু-প্রিন্ট মডেলের চেয়ে এক ধাপ উপরে যাওয়াই ভালো।
পরামর্শ
Epson EcoTank L3210 প্রিন্ট-স্ক্যান-কপি, দাম ৳ ১৮,০০০
পরিবারের সবাই মোবাইল থেকে প্রিন্ট করবেন
কয়েকজন প্রিন্ট করলে WiFi থাকলে আর ল্যাপটপ নিয়ে প্রিন্টারের কাছে যেতে হয় না। বেশিরভাগ WiFi অল-ইন-ওয়ান ৳ ২২,৫০০ থেকে ৳ ২৮,০০০-এর মধ্যে।
পরামর্শ
Canon PIXMA G3010 ওয়্যারলেস অল-ইন-ওয়ান, দাম ৳ ২৪,২০০
অফিসে শুধু সাদা-কালো ডকুমেন্ট
রঙিন প্রিন্ট না লাগলে চার রঙের কালির খরচ কেন দেবেন? Epson M1050 সাদা-কালো WiFi প্রিন্টার ৳ ১৯,৫০০; স্ক্যান ও ডুপ্লেক্স চাইলে এক ধাপ উপরে যান।
পরামর্শ
Epson EcoTank M2170 সাদা-কালো ডুপ্লেক্স অল-ইন-ওয়ান, দাম ৳ ৩২,২০০
ছোট অফিসে কয়েকজন মিলে
তিন-চারজন নিয়মিত রিপোর্ট প্রিন্ট করলে WiFi আর অটো ডুপ্লেক্স দরকার। ডুপ্লেক্স মডেল শুরু ৳ ৩২,২০০ থেকে, বেশিরভাগ ৳ ৩৪,০০০ থেকে ৳ ৪১,০০০-এর মধ্যে।
পরামর্শ
HP Smart Tank 750 ডুপ্লেক্স অল-ইন-ওয়ান, দাম ৳ ৩৮,১৯০
A3 কাগজ: নোটিশ, স্প্রেডশিট, ড্রাফট
এই রেঞ্জে A3 শুরু ৳ ৫৮,৫০০ থেকে। A3-এর চেয়ে বড় নকশা বা ড্রইংয়ের জন্য রোল-কাগজের প্লটার প্রয়োজন হবে।
পরামর্শ
LAN সহ Brother HL-T4000DW A3 প্রিন্টার, দাম ৳ ৬২,০০০
ছবি ও রঙিন স্কুল প্রজেক্ট
এখানে দুটি ট্যাঙ্ক মডেল ফটো প্রিন্টার হিসেবে বিক্রি হয়: একটি Canon ৳ ২৭,৮৯০-এ এবং Epson L8180 A3+ ৳ ৮২,০০০-এ। চাইলে আলাদা ফটো প্রিন্টারের দাম পাতাও দেখে নিন।
পরামর্শ
Canon Pixma G570 MegaTank ফটো প্রিন্টার, দাম ৳ ২৭,৮৯০
এপসন, ব্রাদার, ক্যানন না এইচপি—কোন ব্র্যান্ডের প্রিন্টার নেবেন?
সব কাজে একটি ব্র্যান্ড সেরা নয়। এপসন প্রিন্টারের দাম সবচেয়ে বিস্তৃত রেঞ্জে ছড়ানো, ব্রাদার ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টার মূলত WiFi অফিস মডেলে, ক্যানন প্রিন্টারের দাম শুরুর দিকে সবচেয়ে কম, আর এইচপি ইঙ্ক ট্যাঙ্ক ও স্মার্ট ট্যাঙ্ক বাসা ও ছোট অফিসের বাজেটেই সীমিত।
| ব্র্যান্ড | লিস্টিং | ট্যাঙ্ক মডেলের দাম | যে কাজে ভালো | যা নেই |
|---|---|---|---|---|
| Epson | ১৬ | ৳ ১৫,৩০০ – ৳ ১,৫৮,০০০ | সাদা-কালো M সিরিজ, ADF, A3 ও A3+ ফটো | তালিকায় দুটি WorkForce অফিস মেশিনও আছে |
| Brother | ১০ | ৳ ১৬,৫০০ – ৳ ৮৬,৫০০ | WiFi অল-ইন-ওয়ান, ডুপ্লেক্স, A3 অফিস | শুধু-প্রিন্টের বাজেট মডেল নেই |
| Canon | ৯ | ৳ ১৩,২৪০ – ৳ ৭০,৫৩০ | কম দামে শুধু-প্রিন্ট, ফটো প্রিন্ট | A3 মডেল নেই; MAXIFY ছাড়া ডুপ্লেক্স নেই |
| HP | ৬ | ৳ ১২,৯১০ – ৳ ৩৮,১৯০ | সবচেয়ে কম শুরুর দাম, সহজ বাসার ব্যবহার | A3 বা সাদা-কালো মডেল নেই |
মাঝারি বাজেটে জনপ্রিয় তুলনা: Brother DCP-T430W WiFi অল-ইন-ওয়ান (৳ ২০,০০০) বনাম HP Smart Tank 520 প্রিন্ট-স্ক্যান-কপি মডেল (৳ ২৮,০০০)। বাড়তি টাকা দেওয়ার আগে প্রোডাক্ট পেজে কোনটিতে WiFi আছে দেখে নিন।
কালার প্রিন্টার, সাদা-কালো ইঙ্ক ট্যাঙ্ক না লেজার প্রিন্টার?
চার্ট, ছবি বা রঙিন শিরোনামওয়ালা পাতা নিয়মিত প্রিন্ট হলে কালার ইঙ্ক ট্যাঙ্কই ঠিক। ছোট কার্টিজের তুলনায় বোতলের কালিতে প্রতি পাতার খরচ অনেক কম, আর স্বচ্ছ ট্যাঙ্কে কতটা কালি বাকি তা সবসময় দেখা যায়।
কখন সাদা-কালো ইঙ্ক ট্যাঙ্ক বুদ্ধিমানের কাজ
প্রায় সব পাতাই যদি কালো লেখা হয়, Epson-এর চারটি সাদা-কালো ট্যাঙ্ক মডেল ৳ ১৯,৫০০ থেকে ৳ ৩২,২০০-এর মধ্যে। কম খরচের রিফিল সুবিধা থাকে, অথচ অব্যবহৃত রঙিন কালি নজলে শুকিয়ে যাওয়ার ঝামেলা থাকে না।
কখন অন্য প্রিন্টার দেখবেন
অফিসে সারাদিন দ্রুত গতিতে লেখা প্রিন্ট হলে লেজার প্রিন্টারের দাম তুলনা করুন। বছরে হাতে গোনা কয়েক পাতা প্রিন্ট করলে কার্টিজের ইনকজেট প্রিন্টার শুরুতে সস্তা পড়তে পারে। কার্বন কপির ইনভয়েস বা মাল্টিপার্ট ফর্মের জন্য ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার দরকার।
বাংলাদেশে ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টার ব্যবহারের বাস্তব টিপস
লোডশেডিং। প্রিন্টার সবসময় নিজের পাওয়ার বাটন দিয়ে বন্ধ করুন, যাতে প্রিন্ট হেড নিজের জায়গায় ফিরে ঢেকে যেতে পারে। দেয়ালের সুইচ বন্ধ করলে বা কাজের মাঝে বিদ্যুৎ গেলে নজল খোলা থেকে যায়। IPS-এ চালাতে চাইলে প্রিন্টারের পাওয়ার রেটিং আর IPS-এর আউটপুট মিলিয়ে নিন।
আর্দ্রতা ও অব্যবহৃত সপ্তাহ। ট্যাঙ্কের কালি ভালো থাকে, কিন্তু প্রিন্টার অনেকদিন বন্ধ থাকলে নজল আটকে যেতে পারে। বর্ষায় কাগজ বাঁকা হয়ে জ্যাম করে। সপ্তাহে একটি রঙিন টেস্ট পেজ প্রিন্ট করুন, কাগজ প্যাকেটে রাখুন, আর সমস্যা হলে আগে মেনু থেকে হেড ক্লিনিং চালান।
কালি ভরা ও ওয়ারেন্টি। প্রতিটি মডেলের নির্দিষ্ট ইঙ্ক কোড আছে। নিজের প্রিন্টারের জন্য তৈরি আসল বোতল কিনুন, বিশেষ করে ওয়ারেন্টির সময়ে; ভুল কালিতে ক্ষতি হলে তা ওয়ারেন্টিতে নাও পড়তে পারে। বক্স ও ইনভয়েস রেখে দিন, আর চেকআউটের সময় প্রোডাক্ট পেজে ওয়ারেন্টির শর্ত দেখে নিন।
প্রিন্টার সরানো। কালি ভরা ট্যাঙ্ক প্রিন্টার সোজা ও সমান রাখতে হয়। বাসা বা অফিস বদলের আগে ম্যানুয়ালের নিয়ম মেনে প্যাক করুন, নইলে ভেতরে কালি ছড়িয়ে যেতে পারে।
সার্ভিস ও পেমেন্ট। দামি A3 মডেল কেনার আগে ঢাকা বা চট্টগ্রামে ওয়ারেন্টি সার্ভিস কীভাবে হবে বিক্রেতার কাছে জেনে নিন। ক্লিকবিডি-র ব্র্যান্ড পেজে বিকাশ, নগদ ও ক্যাশ অন ডেলিভারির কথা বলা আছে; EMI থাকলে নির্দিষ্ট লিস্টিংয়েই দেখুন।
যে ছয় ভুলে কম দামের প্রিন্টারও দামি হয়ে যায়
৳ ২,০০০ বাঁচাতে শুধু-প্রিন্ট নেওয়া
প্রিন্ট-স্ক্যান-কপি মডেল শুরু ৳ ১৫,৯৫০ থেকে। স্ক্যান বাদ দিলে প্রতিটি সার্টিফিকেট কপির জন্য দোকানে যেতে হয়।
অপ্রয়োজনীয় রঙের জন্য খরচ
ব্যবহার না হওয়া রঙিন কালিও নজল আটকায়। শুধু কালো লেখা হলে সাদা-কালো ট্যাঙ্ক চালানো সস্তা।
লম্বা ডকুমেন্টে ডুপ্লেক্স না নেওয়া
৪০ পাতার রিপোর্ট হাতে উল্টে প্রিন্ট করা সময় ও কাগজ দুটোই নষ্ট করে। ডুপ্লেক্স শুরু ৳ ৩২,২০০ থেকে।
মাসের পর মাস ফেলে রাখা
আর্দ্র আবহাওয়ায় বন্ধ প্রিন্টারই ঝাপসা প্রিন্টের সবচেয়ে সাধারণ কারণ। সাপ্তাহিক টেস্ট পেজে বেশিরভাগ সমস্যা এড়ানো যায়।
ভুল বোতল ঢালা
রং মিশে গেলে বা অন্য মডেলের কালি দিলে সার্ভিসে নিতে হতে পারে। বোতল খোলার আগে ইঙ্ক কোড ও রং মিলিয়ে নিন।
A3 কাজের জন্য A4 কেনা
নোটিশ বা স্প্রেডশিট A3 হলে পরে কোনো A4 প্রিন্টার তা পারবে না। বাজেটের আগে কাগজের সাইজ ঠিক করুন।
ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টার নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
বাংলাদেশে ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টারের দাম কত?
ক্লিকবিডি-তে ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টারের দাম HP Ink Tank 115-এর ৳ ১২,৯১০ থেকে Epson EcoTank L15180 A3 অল-ইন-ওয়ানের ৳ ১,৫৮,০০০ পর্যন্ত। বাসা ও ছোট অফিসের বেশিরভাগ ক্রেতা ৳ ১৫,০০০ থেকে ৳ ৩৮,০০০-এর মধ্যে কেনেন। তালিকার দুটি Epson WorkForce মেশিন (৳ ১,১১,০০০ ও ৳ ১০,০০,০০০) ভিন্ন শ্রেণির অফিস প্রিন্টার।
সবচেয়ে কম দামের ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টার কোনটি?
এখন সবচেয়ে কম দামের মডেল HP Ink Tank 115, দাম ৳ ১২,৯১০। এরপর Canon Pixma G1737-এর একটি লিস্টিং ৳ ১৩,২৪০ এবং Epson EcoTank L130 ৳ ১৫,৩০০। তিনটিই শুধু প্রিন্ট করে। স্ক্যান ও কপিও লাগলে সবচেয়ে সস্তা HP Ink Tank 315 ও 319, প্রতিটি ৳ ১৫,৯৫০।
প্রিন্ট-স্ক্যান-কপি বা ফটোকপি প্রিন্টারের দাম কত?
প্রিন্ট, স্ক্যান ও কপি একসঙ্গে করা যায় এমন ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টার ৳ ১৫,৯৫০ থেকে শুরু। HP Ink Tank 315 ও 319 এই দামে USB মডেল, আর WiFi সহ Brother DCP-T420W ৳ ১৯,০০০। ADF দিয়ে একসঙ্গে অনেক পাতা কপি করতে চাইলে Epson EcoTank L5290-এর দাম ৳ ৪৫,০০০।
বাসার জন্য কোন ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টার ভালো?
বেশিরভাগ বাসার জন্য ৳ ২০,০০০ থেকে ৳ ২৫,০০০-এর WiFi অল-ইন-ওয়ান সবচেয়ে বুদ্ধিমানের পছন্দ। Brother DCP-T430W (৳ ২০,০০০), Epson EcoTank L3250 (৳ ২২,৫০০) ও Canon PIXMA G3010 (৳ ২৪,২০০) প্রিন্ট, স্ক্যান ও কপি করে। একটি কম্পিউটারই যথেষ্ট হলে USB-র Epson L3210 ৳ ১৮,০০০।
অফিসের জন্য ইঙ্ক ট্যাঙ্ক না লেজার প্রিন্টার?
অফিসে নিয়মিত রঙিন প্রিন্ট হলে ইঙ্ক ট্যাঙ্ক ভালো, আর শুধু দ্রুত সাদা-কালো লেখার জন্য সাধারণত মনো লেজার এগিয়ে। রিফিল কালির সুবিধা চান কিন্তু শুধু কালো প্রিন্ট করেন? WiFi ও ডুপ্লেক্সসহ Epson EcoTank M2170 (৳ ৩২,২০০) এই দুইয়ের মাঝামাঝি।
ইঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রিন্টারে কি A3 প্রিন্ট হয়?
হ্যাঁ, তবে নির্দিষ্ট কিছু মডেলে। ক্লিকবিডি-তে A3 ইঙ্ক ট্যাঙ্ক শুরু Epson EcoTank L11050 দিয়ে, দাম ৳ ৫৮,৫০০। এরপর Brother HL-T4000DW ৳ ৬২,০০০ ও Brother MFC-T4500DW ৳ ৮৬,৫০০। A3+ ছবির জন্য Epson L8180 ৳ ৮২,০০০, আর A3 অল-ইন-ওয়ান Epson L15160 ও L15180 যথাক্রমে ৳ ১,৪৫,০০০ ও ৳ ১,৫৮,০০০।
কোন প্রিন্টারে দুই পাশে অটো প্রিন্ট (ডুপ্লেক্স) হয়?
অটো ডুপ্লেক্স শুরু সাদা-কালো Epson EcoTank M2170 দিয়ে, দাম ৳ ৩২,২০০। রঙিনে আছে Brother DCP-T730DW (৳ ৩৪,০০০), Brother DCP-T830DW (৳ ৩৬,৫০০), HP Smart Tank 750 (৳ ৩৮,১৯০) ও Epson EcoTank L4260 (৳ ৪১,০০০)। ৳ ৩২,০০০-এর নিচের কোনো মডেলের নামে ডুপ্লেক্স উল্লেখ নেই।
অনেকদিন প্রিন্ট না করলে কি কালি শুকিয়ে যায়?
ট্যাঙ্কের কালি ভালো থাকে, কিন্তু কয়েক সপ্তাহ বন্ধ থাকলে প্রিন্ট হেডের নজল আটকে যেতে পারে, বিশেষ করে বর্ষার আর্দ্র মাসে। সপ্তাহে একটি রঙিন টেস্ট পেজ প্রিন্ট করলে কালি সচল থাকে। লাইন বাদ পড়লে সার্ভিসে নেওয়ার আগে মেনু থেকে হেড ক্লিনিং চালান।
লোডশেডিংয়ের সময় প্রিন্টার বন্ধ করা কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, যদি দেয়ালের সুইচ নয়, প্রিন্টারের নিজের পাওয়ার বাটন দিয়ে বন্ধ করেন। পাওয়ার বাটনে বন্ধ করলে প্রিন্ট হেড জায়গামতো ঢেকে যায় এবং নজল শুকায় না। বিদ্যুৎ চলে গিয়ে কাজ থেমে গেলে, আবার চালুর পর প্রিন্টারের স্টার্ট-আপ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
বাজারের সাধারণ কালি ভরা কি নিরাপদ?
ভরা যায়, তবে ঝুঁকি আছে। অন্য কোম্পানির কালিতে প্রিন্ট হেড আটকে যেতে বা রং দ্রুত ফিকে হতে পারে, আর এতে হওয়া ক্ষতি ওয়ারেন্টিতে নাও পড়তে পারে। বিশেষ করে ওয়ারেন্টির সময়ে নিজের মডেলের আসল বোতল ব্যবহার করুন এবং রিফিল কেনার আগে প্রোডাক্ট পেজে ইঙ্ক কোড দেখে নিন।
দুই মিনিটে শর্টলিস্ট করুন
উপরে একটি ব্র্যান্ড বেছে নিন, দাম অনুযায়ী সাজান, আর কাগজের সাইজ ও স্ক্যানের প্রয়োজন মিলিয়ে বাকিগুলো বাদ দিন। তারপর দুটি মডেল পাশাপাশি তুলনা করুন, যেমন Epson L3250 ও Canon G3010, WiFi আর ডুপ্লেক্সের দিক থেকে। ইঙ্ক ট্যাঙ্কই ঠিক কি না নিশ্চিত না হলে সব ধরনের প্রিন্টারের দাম ও ধরন দেখে নিন।










