কম্পিউটার এক্সেসরিজ দাম বাংলাদেশ

১২টি সাব-ক্যাটাগরিতে ১,১০০+ পণ্য — ৳ ৪২০ থেকে ৳ ৩,৯০,০০০ পর্যন্ত মাউস, রাউটার, প্রিন্টার, মাদারবোর্ড ও মিনি পিসি।

Computers & Accessories category

কম্পিউটার এক্সেসরিজ দাম বাংলাদেশ: আসলে কত খরচ হয়

ব্র্যান্ড বাছাই করা কঠিন নয়। কঠিন হলো বোঝা — আপনার দরকারি জিনিসটা ৳ ৫০০-এর, নাকি ৳ ৫০,০০০-এর। কারণ "কম্পিউটার এক্সেসরিজ" শব্দটার ভেতরে দুটোই পড়ে। এই মুহূর্তে দাম শুরু হচ্ছে একটি ওয়্যারড অপটিক্যাল মাউসের ৳ ৪২০ থেকে, আর সবচেয়ে উপরে আছে ৳ ৩,৯০,০০০-এর গেমিং মিনি পিসি।

নিচে দেওয়া আছে কোন বাজেটে কী পাওয়া যায়, কোন স্পেসিফিকেশন সিদ্ধান্ত বদলে দেয়, আর বাংলাদেশের বাস্তবতা — ভোল্টেজ, লোডশেডিং, ওয়ারেন্টি ও পার্টস — কীভাবে ঠিক করে দেয় জিনিসটা তিন মাস টিকবে না পাঁচ বছর।

বাজেট অনুযায়ী দামের ভাগ (২০২৬)

দামের সীমা স্তর কার জন্য উদাহরণ দাম
৳ ৪২০ – ৳ ৩,৫০০ সাধারণ পেরিফেরাল নষ্ট মাউস-কীবোর্ড বদলানো, প্রথম ঘরোয়া Wi-Fi A4Tech OP-330 ওয়্যারড অপটিক্যাল মাউস ৳ ৪২০
৳ ৩,৫০০ – ৳ ২০,০০০ দৈনন্দিন আপগ্রেড দ্রুত ইন্টারনেট, প্রথম প্রিন্টার, বাজেট মাদারবোর্ড Pantum BP2310 মনো লেজার প্রিন্টার ৳ ১২,৮০০
৳ ২০,০০০ – ৳ ৭০,০০০ মূল হার্ডওয়্যার ছোট অফিস, ছাত্রছাত্রী, প্রথম সিরিয়াস বিল্ড Asus NUC 14 Essential মিনি পিসি ৳ ৩৫,০০০
৳ ৭০,০০০ – ৳ ১,৩০,০০০ পারফরম্যান্স গেমিং, ডিজাইন, সারাদিনের পোর্টেবল কাজ Lenovo IdeaPad Slim 5i OLED ল্যাপটপ ৳ ৯৭,৫০০
৳ ১,৩০,০০০+ ওয়ার্কস্টেশন রেন্ডারিং, সিমুলেশন, স্টুডিও কাজ Asus Pro WS WRX90E-SAGE SE ওয়ার্কস্টেশন মাদারবোর্ড ৳ ১,৯৯,৫০০

উপরের ফিল্টারে আগে একটা সর্বোচ্চ দাম বসিয়ে নিন। ১,১০০ পণ্যের তালিকা কয়েক সেকেন্ডে তুলনাযোগ্য একটা ছোট তালিকায় নেমে আসবে।

যে স্পেসিফিকেশনগুলো আসলেই সিদ্ধান্ত বদলায়

রাউটার দাম ও Wi-Fi স্ট্যান্ডার্ড

এক-দুইজনের ফ্ল্যাটে Wi-Fi 6 যথেষ্ট। আটটির বেশি ডিভাইস একসাথে চললে বা লাইন ১০০ Mbps-এর বেশি হলে Wi-Fi 7 কাজে দেয়। তিন রুমের কংক্রিট দেয়ালের বাসায় tri-band সুবিধা দেয়, এক রুমে দেয় না। আপনার জন্য অর্থ: লাইন ধীর হলে সস্তা স্ট্যান্ডার্ড কিনে টাকাটা রাউটারের ভালো অবস্থানে খরচ করুন।

প্রিন্টার দাম: লেজার না ইঙ্কজেট

লেখা প্রিন্টের জন্য লেজারই ভালো, কারণ টোনার শুকিয়ে যায় না। রঙিন ছবি ছাপার দরকার না হলে ইঙ্কজেট কেনার মানে নেই। মাসে ৩০ পাতার কম ছাপলে ইঙ্কজেটের হেড জমে যায়, আর হেড ক্লিন করাতেই খরচ। আপনার জন্য অর্থ: সিভি, ফর্ম আর অ্যাসাইনমেন্টের জন্য মনো লেজার প্রতি পাতায় সস্তা এবং ঝামেলাহীন।

মাদারবোর্ড: আগে সকেট দেখুন

একটি বোর্ড শুধু একটি CPU সকেটের সাথেই চলে। LGA1700-এ Intel-এর ১২ থেকে ১৪তম প্রজন্ম, LGA1851-এ Core Ultra, AM5-এ বর্তমান Ryzen। ছোট কেসিংয়ে Micro-ATX, ভবিষ্যতে বাড়াতে চাইলে ATX। আপনার জন্য অর্থ: আগে প্রসেসর ঠিক করুন, তারপর সেই সকেট ধরে বোর্ড ফিল্টার করুন।

ল্যাপটপ: RAM আগে, স্টোরেজ পরে

ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট আর ভিডিও কলে 8GB RAM চলে। বিশটা ট্যাব খোলা রাখলে বা এডিটিং করলে 16GB দরকার। 512GB-এর কম স্টোরেজ Windows-এ এক বছরেই ভরে যায়। অনেক পাতলা মডেলে RAM সোল্ডার করা থাকে। আপনার জন্য অর্থ: ৳ ৫,০০০ বাঁচাতে কম RAM নেওয়ার আগে দেখে নিন পরে বাড়ানো যাবে কি না।

প্রস্তাবিত পণ্য

Asus Vivobook Go 14, 512GB SSD ৳ ৫৩,০০০

মিনি পিসি দাম ও অল-ইন-ওয়ান

মিনি পিসি টাওয়ারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বিদ্যুৎ টানে, যা লোডশেডিংয়ে IPS চালানোর সময় বড় সুবিধা। Barebone মডেলে RAM ও SSD থাকে না, তাই আরও ৳ ৮,০০০ থেকে ৳ ১৫,০০০ ধরে রাখুন। অল-ইন-ওয়ানে ২৩.৮ ইঞ্চি স্ক্রিন একসাথে থাকে। আপনার জন্য অর্থ: দুই ডেস্কের অফিসে মিনি পিসি ও আলাদা মনিটর সাধারণত সস্তা পড়ে।

মাউস ও কীবোর্ড দাম

মেমব্রেন কীবোর্ড সস্তা ও নিঃশব্দ। মেকানিক্যাল বেশিদিন টেকে এবং সুইচ বেছে নেওয়া যায় — গেমিংয়ে লিনিয়ার, টাইপিংয়ে ট্যাকটাইল। মাউসে ৩,২০০-এর বেশি DPI অফিসের কাজে কোনো পার্থক্য আনে না; হাতের মাপই আরাম ঠিক করে। আপনার জন্য অর্থ: দিনে চার ঘণ্টার বেশি টাইপ করলে ৳ ৩,০০০ মেকানিক্যাল কীবোর্ডে দিন, দামি মাউসে নয়।

কোন ব্র্যান্ড কোথায় ভালো

সব ব্র্যান্ড সব জায়গায় সেরা নয়। বর্তমান ক্যাটালগে ভাগটা এরকম।

ব্র্যান্ড যেখানে শক্তিশালী সোজা কথা
Pantum প্রিন্টার ৳ ১২,৮০০ থেকে মনো লেজারের সবচেয়ে বড় সংগ্রহ, টোনার সহজলভ্য। ছবি ছাপার জন্য নয়।
Asus পিসি কম্পোনেন্ট ও মাদারবোর্ড ৳ ১৪,৭০০ থেকে ৳ ১,৯৯,৫০০ পর্যন্ত বিস্তৃত, সাথে মিনি পিসি। রেঞ্জ বড় বলে মডেলের টিয়ার দেখে নিন।
Lenovo ল্যাপটপ ৳ ৩৭,৬৫০ থেকে শুরু করে বাজেট-মিড ল্যাপটপে সবচেয়ে ভালো ধারাবাহিকতা। পাতলা মডেলে RAM সোল্ডার করা।
Cudy নেটওয়ার্কিং ডিভাইস Wi-Fi 7 মেশ ৳ ৭,৮০০ থেকে — দামে আগ্রাসী। সার্ভিস নেটওয়ার্ক তুলনামূলক ছোট।
A4Tech সাধারণ এক্সেসরিজ ৳ ৪২০-তে ক্যাটাগরির সবচেয়ে কম দাম। স্পেয়ার হিসেবে ভালো, দিনে আট ঘণ্টার ব্যবহারের জন্য নয়।

বাজেট অনুযায়ী পছন্দ

৳ ১,০০০-এর নিচে

৳ ৪২০ – ৳ ৯৯৯

৳ ১০,০০০-এর নিচে

৳ ৩,০০০ – ৳ ৯,৯৯৯

৳ ৫০,০০০-এর নিচে

৳ ১০,০০০ – ৳ ৪৯,৯৯৯

৳ ৫০,০০০-এর উপরে

৳ ৫০,০০০ +

বাংলাদেশে কেনার আগে যা জানা দরকার

ভোল্টেজ ওঠানামা ও স্ট্যাবিলাইজার

ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক এলাকায় ভোল্টেজ ২২০V-এর অনেক নিচে-উপরে ওঠানামা করে, আর পাওয়ার সাপ্লাই বা প্রিন্টারের বোর্ড সাধারণত পুরনো হয়ে নয়, এই ওঠানামাতেই নষ্ট হয়। আপনার মোট লোডের প্রায় দ্বিগুণ ক্ষমতার একটি সার্ভো স্ট্যাবিলাইজার ডেস্কটপ ও মনিটর দুটোই সামলায়।

লোডশেডিং, IPS ও লেজার প্রিন্টার

লেজার প্রিন্টারের ফিউজার গরম হওয়ার সময় হঠাৎ অনেক কারেন্ট টানে। এই ধাক্কায় বেশিরভাগ ঘরোয়া IPS ট্রিপ করে, আর সস্তা মডিফায়েড-সাইন ইনভার্টার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। লেজার প্রিন্টার সরাসরি মেইন লাইনে রাখুন, IPS-এ রাখুন রাউটার ও পিসি। মিনি পিসি এখানে বাড়তি সুবিধা দেয়, কারণ কম বিদ্যুতে একই ব্যাটারি অনেক বেশি সময় চলে।

অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি মানে কী

অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি দেয় ব্র্যান্ডের নিযুক্ত দেশীয় ডিস্ট্রিবিউটর, যাদের কাছে স্পেয়ার থাকে এবং যারা প্রয়োজনে প্রস্তুতকারকের কাছে যেতে পারে। আনঅফিসিয়াল বা গ্রে পণ্যের নিশ্চয়তা দেয় যিনি আমদানি করেছেন — মেয়াদ কম, রিপ্লেসমেন্টের বদলে মেরামত, আর আমদানিকারক ব্যবসা বন্ধ করলে কিছুই থাকে না। টাকা দেওয়ার আগে তিনটি প্রশ্ন করুন: ওয়ারেন্টি কে দিচ্ছে, মেয়াদ কত, আর দাবি হলে বদলে দেওয়া হবে না সারিয়ে দেওয়া হবে। উত্তরটা ইনভয়েসে লিখিয়ে নিন।

সার্ভিস সেন্টার, কিস্তি ও ডেলিভারি

অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারের বেশিরভাগই ঢাকা ও চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। এর বাইরে থাকলে কুরিয়ারের সময়টা হিসাবে ধরুন, বিশেষ করে যে ব্র্যান্ডের উপস্থিতি কম। দামি পণ্যে কার্ড EMI সাধারণত পাওয়া যায়, ছোট কেনাকাটায় ক্যাশ অন ডেলিভারি, bKash, Nagad ও Rocket চলে। "০%" অফারে ব্যাংকের প্রসেসিং ফি আছে কি না দেখে নিন।

বর্ষার আর্দ্রতা ও দাম কেন বদলায়

টানা কয়েক সপ্তাহ ৮০%-এর বেশি আর্দ্রতায় কানেক্টরে মরিচা পড়ে আর লেন্সে ছত্রাক জন্মায়। মেশিন পনেরো দিন ফেলে না রেখে প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা চালান, টাওয়ার মেঝে থেকে উঁচুতে রাখুন, আর স্পেয়ার ক্যাবল-ড্রাইভ সিলিকা প্যাকের সাথে রাখুন। দামের ক্ষেত্রে: আমদানি শুল্ক ও ডলারের বিপরীতে টাকার অবস্থান সরাসরি দোকানের দামে প্রভাব ফেলে, তাই একই মডেলের দাম তিন মাসেই হাজার টাকা বদলে যেতে পারে। দাম হঠাৎ অনেক কমলে ওয়ারেন্টির উৎস যাচাই করুন।

যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়

প্রসেসরের আগে বোর্ড কেনা

সকেটই সব ঠিক করে। LGA1851 বোর্ডে LGA1700 প্রসেসর কোনোদিন বসবে না।

Barebone মানে খালি, ভুলে যাওয়া

Barebone মিনি পিসিতে RAM ও SSD থাকে না। তুলনা করার আগে ৳ ৮,০০০–৳ ১৫,০০০ যোগ করুন।

UPS-কে স্ট্যাবিলাইজার ভাবা

UPS দেয় বন্ধ করার সময়, স্ট্যাবিলাইজার সামলায় ভোল্টেজ। দ্বিতীয়টা বাদ দিলেই পাওয়ার সাপ্লাই যায়।

ধীর লাইনে Wi-Fi 7 কেনা

লাইন ৪০ Mbps হলে কোনো রাউটারই সেটা বাড়াবে না। আগে লাইন ঠিক করুন।

কম ছাপার জন্য ইঙ্কজেট

মাসে ৩০ পাতার কম হলে মাল্টিফাংশন মনো লেজার প্রিন্টার চালানো সস্তা।

ওয়ারেন্টি জিজ্ঞেস না করা

দাম অস্বাভাবিক কম মানে সাধারণত গ্রে ইমপোর্ট। টাকা দেওয়ার আগেই জেনে নিন কে ওয়ারেন্টি দিচ্ছে।

৳ ৫,০০০ বাঁচাতে 8GB নেওয়া

RAM সোল্ডার করা থাকলে ওই সাশ্রয় মেশিনের আয়ু জুড়ে সীমা বেঁধে দেয়।

ডেস্কের মাপ না দেখা

২৭ ইঞ্চি মনিটরে আরাম পেতে প্রায় ৮০ সেমি দূরত্ব লাগে। অর্ডারের আগেই মেপে নিন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশে সবচেয়ে কম দামের কম্পিউটার এক্সেসরিজ কোনটি?

সাধারণ ওয়্যারড অপটিক্যাল মাউস সবচেয়ে নিচে, প্রায় ৳ ৪২০। ওয়্যারড কীবোর্ড, ক্যাবল ও মাউস প্যাডও ৳ ১,০০০-এর নিচে পাওয়া যায়। স্পেয়ার বা দ্বিতীয় ডেস্কের জন্য এগুলো ঠিক আছে, তবে দিনে আট ঘণ্টা ব্যবহারের জিনিসে ৳ ২,০০০ থেকে ৳ ৩,০০০ খরচ করাই ভালো।

বাংলাদেশে Wi-Fi 7 রাউটার কেনা কি যুক্তিসঙ্গত?

শুধু তখনই, যখন আপনার লাইন ১০০ Mbps-এর বেশি বা অনেক ডিভাইস একসাথে চলে। Wi-Fi 7 মেশ ইউনিট শুরু ৳ ৭,৮০০ থেকে, tri-band মডেল ৳ ১৭,৩০০ পর্যন্ত। ধীর লাইনে ৳ ৩,০০০-এর Wi-Fi 6 রাউটারই একই গতি দেবে, আর রাউটারের অবস্থান বদলালে লাভ বেশি হবে।

ঢাকায় ডেস্কটপের জন্য UPS না স্ট্যাবিলাইজার দরকার?

সাধারণত দুটোই, কারণ দুটো আলাদা সমস্যার সমাধান। স্ট্যাবিলাইজার ভোল্টেজ ওঠানামা সামলায়, যা পাওয়ার সাপ্লাই নষ্টের প্রধান কারণ। UPS দেয় কাজ সেভ করে বন্ধ করার কয়েক মিনিট। একটাই কিনতে পারলে স্ট্যাবিলাইজারই বেশি খরচ বাঁচায়।

ওয়ারেন্টি অফিসিয়াল কি না বুঝব কীভাবে?

ইনভয়েসে ওয়ারেন্টি প্রদানকারীর নাম দেখুন। অফিসিয়াল হলে সেখানে ব্র্যান্ডের দেশীয় ডিস্ট্রিবিউটরের নাম ও মেয়াদ লেখা থাকে, পণ্যভেদে সাধারণত এক থেকে তিন বছর। বিক্রেতা নাম বলতে না পারলে বা শুধু দোকানের অল্প দিনের গ্যারান্টি দিলে সেটিকে আনঅফিসিয়াল ধরে দাম বিবেচনা করুন।

কিস্তিতে কম্পিউটার এক্সেসরিজ কেনা যায়?

ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও মিনি পিসির মতো দামি পণ্যে কার্ড EMI সাধারণত পাওয়া যায়, মেয়াদ তিন থেকে বারো মাস। ছোট কেনাকাটা সাধারণত ক্যাশ অন ডেলিভারি বা মোবাইল ওয়ালেটে হয়। রাজি হওয়ার আগে দেখে নিন অফারটি সত্যিই সুদমুক্ত, নাকি ব্যাংক প্রসেসিং ফি নিচ্ছে।

ঘরের জন্য লেজার না ইঙ্কজেট প্রিন্টার?

রঙিন ছবি ছাপার নির্দিষ্ট দরকার না থাকলে লেজারই ভালো। মনো লেজার মডেল শুরু প্রায় ৳ ১২,৮০০ থেকে, প্রতি পাতায় খরচ কম, আর টোনার গুঁড়ো বলে অনেকদিন না চালালেও সমস্যা হয় না। ইঙ্কজেটের হেড বসে থাকলে জমে যায়, যা মাঝে মাঝে ছাপা পরিবারের জন্য বড় ঝামেলা।

মিনি পিসি কি ডেস্কটপ টাওয়ারের বিকল্প হতে পারে?

অফিসের কাজ, ব্রাউজিং ও ভিডিও কলের জন্য অবশ্যই। ৳ ৩৫,০০০ থেকে শুরু হওয়া মিনি পিসি অনেক কম বিদ্যুৎ টানে, যা লোডশেডিংয়ে কাজে দেয়। সীমাবদ্ধতা হলো ভেতরে বাড়ানোর সুযোগ কম, আর barebone মডেলে RAM ও SSD আলাদা কিনতে হয়। ভারী গেমিং বা রেন্ডারিংয়ে টাওয়ারই এগিয়ে।

বর্ষাকালে কম্পিউটার এক্সেসরিজ কীভাবে রক্ষা করব?

সপ্তাহের পর সপ্তাহ ফেলে না রেখে প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা মেশিন চালান, ভেতরের তাপে আর্দ্রতা কমে। টাওয়ার মেঝে থেকে উঁচুতে রাখুন, স্পেয়ার ক্যাবল ও ড্রাইভ সিলিকা জেলের সাথে রাখুন, আর ভেজা কাপড় পোর্টে চাপাবেন না। ক্যামেরা ও স্ক্যানারের লেন্সে ছত্রাকই সবচেয়ে সাধারণ ক্ষতি।

এখনই তালিকা ছোট করুন

উপরের ফিল্টারে সর্বোচ্চ দাম বসান, সাব-ক্যাটাগরি বেছে নিন, তারপর দুটি মডেল পাশাপাশি মিলিয়ে দেখুন — ৳ ৩,০০০-এর Wi-Fi 6 রাউটার আর ৳ ৭,৮০০-এর Wi-Fi 7 মেশ ইউনিটের তুলনাটাই সবচেয়ে পরিষ্কার উদাহরণ। পুরো মেশিন খুঁজছেন? ডেস্কটপ পিসির তালিকা আর একটি মনিটর সহ মিনি পিসি — দুটো মিলিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিন।