পেনড্রাইভের দাম বাংলাদেশ: টাকাটা কোথায় খরচ করবেন
এই পেজে পেনড্রাইভের দাম ৳ 800 থেকে ৳ 5,899 পর্যন্ত, মোট 33টি মডেল। প্রায় প্রতিটি ক্রেতাই একই জায়গায় আটকে যান — বাড়তি টাকাটা বেশি স্টোরেজে দেবেন, নাকি বেশি স্পিডে? দুটোতেই খরচ হয়, কিন্তু আপনার কাজে সাধারণত একটাই লাগে।
সবচেয়ে কম দামে আছে Dahua U156 64GB মেটাল বডি পেনড্রাইভ, ৳ 800। সবচেয়ে বেশি দামে PNY Elite-X 512GB, ৳ 5,899। সাত গুণ দামে আট গুণ স্টোরেজ — অর্থাৎ এখানকার দাম যুক্তিসঙ্গত, কৃত্রিমভাবে সাজানো নয়।
এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে ফাইল নেওয়ার জন্য পেনড্রাইভই ঠিক। ফোন বা ক্যামেরার স্টোরেজ বাড়াতে চাইলে দরকার মেমোরি কার্ড, আর কয়েকশ গিগাবাইট ব্যাকআপের জন্য এক্সটার্নাল হার্ড ডিস্ক প্রতি জিবিতে অনেক সস্তা। উপরের ক্যাপাসিটি ও কানেক্টর ফিল্টার দিয়ে তালিকাটা আগে ছোট করে নিন।
স্টোরেজ অনুযায়ী পেনড্রাইভের দাম: ৩২ জিবি থেকে ৫১২ জিবি
নিচের টেবিলে প্রতিটি ক্যাপাসিটির বর্তমান দাম দেওয়া আছে, শুধু সেই মডেলগুলোর যেগুলোর দাম এখন প্রকাশিত। 32GB-এর পাঁচটি মডেল তালিকায় আছে ঠিকই, কিন্তু এই মুহূর্তে কোনোটিরই দাম দেখানো হচ্ছে না — তাই ওই ঘরে অনুমান বসানো হয়নি।
| ক্যাপাসিটি | বর্তমান দাম | দামসহ মডেল | কী রাখা যায় |
|---|---|---|---|
| 32GB | দাম প্রকাশিত নেই | 5টির মধ্যে 0টি | ডকুমেন্ট, স্লাইড, কয়েক ঘণ্টার ভিডিও |
| 64GB | ৳ 800 – ৳ 1,000 | 7 | পুরো সেমিস্টারের নোট ও ছবির ব্যাকআপ |
| 128GB | ৳ 1,300 – ৳ 2,600 | 7 | ভিডিও প্রজেক্ট, সফটওয়্যার সেটআপ, ফোনের ব্যাকআপ |
| 256GB | ৳ 3,050 – ৳ 3,499 | 2 | RAW ছবি, 4K ফুটেজ, আর্কাইভ ফোল্ডার |
| 512GB | ৳ 5,899 | 1 | বারবার খালি করতে হয় না, এমন কাজের ড্রাইভ |
খেয়াল করুন, ৳ 1,000 থেকে ৳ 1,300, ৳ 1,700 থেকে ৳ 2,200 আর ৳ 2,600 থেকে ৳ 3,050 — এই তিন জায়গায় কোনো মডেল নেই। এই ফাঁকাগুলোতেই বাজার ধাপ বদলায়। বাজেট যদি এর ভেতরে পড়ে, তাহলে উপরের ধাপে যাওয়াই ভালো, কারণ ফাঁকার উপরের ড্রাইভটি সত্যিই ভালো, নিচেরটি শুধু সস্তা।
128GB ধাপটিই সবচেয়ে চওড়া। ৳ 1,300-এর Hiksemi Blade আর ৳ 2,600-এর SanDisk Ultra Luxe CZ74 — দুটিতেই সমান জায়গা। দ্বিগুণ দামে পাচ্ছেন মেটাল বডি ও ভালো রাইট স্পিড, এক জিবিও বাড়তি নয়।
USB 2.0, 3.0 আর 3.2 — স্পিডের লেবেল আসলে কী বলে
USB-এর নামকরণ সত্যিই বিভ্রান্তিকর, আর দেশের কিছু শপ পেজে ভুল সংখ্যাও লেখা থাকে। এই তালিকার লেবেলগুলো আসলে কী প্রতিশ্রুতি দেয়, দেখে নিন।
USB 2.0 — 480 Mbps
বাস্তবে সেকেন্ডে প্রায় 30MB, আর হাজারখানেক ছোট ফাইল হলে আরও ধীর। ক্লাস নোটের জন্য চলে, ভিডিওর জন্য কষ্টকর।
USB 3.0 ও 3.2 Gen 1 — 5 Gbps
দুটি নাম, একটিই স্ট্যান্ডার্ড — শুধু দুবার নাম বদলানো হয়েছে। এই ক্যাটাগরিতে দামসহ প্রতিটি পেনড্রাইভ এই শ্রেণিরই।
USB 3.2 Gen 2 — 10 Gbps
Gen 1-এর দ্বিগুণ, এই দামের পেনড্রাইভে বিরল। কোনো লিস্টিং যদি সাধারণ ফ্ল্যাশ ড্রাইভে 20 Gbps দাবি করে, সেটিকে বিজ্ঞাপন ধরে নিন।
রিড স্পিড সহজ অংশ
রিড স্পিড সুন্দর সংখ্যা, তাই সবাই সেটিই লেখে। আধুনিক যেকোনো কন্ট্রোলারেই ফাইল পড়া দ্রুত হয়।
রাইট স্পিডেই আসল পার্থক্য
সস্তা ফ্ল্যাশ মেমোরি লেখার সময়েই ভেঙে পড়ে — প্রথম কয়েকশ মেগাবাইটের পর কখনও 10MB/s-এর নিচে নেমে যায়। রাইট স্পিড না লেখা থাকলে ধরে নিন সেটি সাধারণ।
পোর্টই সর্বোচ্চ সীমা ঠিক করে
পুরনো USB 2.0 পোর্টে দ্রুত ড্রাইভও USB 2.0 গতিতেই চলবে। বাড়তি দাম দেওয়ার আগে নিজের মেশিনের পোর্ট দেখে নিন — অনেক পুরনো ডেস্কটপ পিসিতে শুধু পেছনের পোর্টগুলোই USB 3.x।
Type-A, Type-C, OTG ও ডুয়াল কানেক্টর পেনড্রাইভ
ড্রাইভ দিয়ে নয়, নিজের ডিভাইসের পোর্ট দিয়ে শুরু করুন। Type-A হলো চেনা চারকোনা প্লাগ, যা দেশের প্রায় সব ডেস্কটপ, পুরনো ল্যাপটপ, স্মার্ট টিভি ও গাড়ির সাউন্ড সিস্টেমে লাগে। Type-C হলো নতুন ফোন ও পাতলা ল্যাপটপের ছোট রিভার্সিবল প্লাগ। শুধু একটি কানেক্টর থাকলে একসময় অ্যাডাপ্টার খুঁজতে হবেই।
ডুয়াল কানেক্টর ড্রাইভে দুটো প্লাগই এক বডিতে থাকে, তাই ফোন ও কম্পিউটার দুটোতেই কাজ করলে এটাই স্বাভাবিক পছন্দ। এখানে দামসহ দুটি ডুয়াল মডেল আছে — Hiksemi Sync 128GB, Type-A ও Type-C, ৳ 1,500 এবং আরও পাতলা Hiksemi Dual Slim 128GB, ৳ 1,700।
OTG আলাদা বিষয়। Type-C প্লাগ থাকলে ড্রাইভটি ফোনে ঢুকবে, কিন্তু ফোনে OTG সাপোর্ট থাকলে তবেই ফোন সেটি পড়তে পারবে। গত পাঁচ বছরে দেশে বিক্রি হওয়া প্রায় সব Android ফোনেই OTG আছে, তবে কিছু বাজেট মডেলে এটি বন্ধ করা থাকে। ক্যাপ, সুইভেল না রিট্র্যাক্টেবল — সেটা রুচির ব্যাপার, তবে ক্যাপ হারানোই ভালো ড্রাইভ নষ্ট হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ।
টিভি বা গাড়ির সাউন্ড সিস্টেমে পেনড্রাইভ কাজ না করলে
দশবারের নয়বারই দোষ ফাইল সিস্টেমের, ড্রাইভের নয়। Windows বড় ড্রাইভ NTFS-এ ফরম্যাট করে, আর বেশিরভাগ টিভি, গাড়ির হেড ইউনিট ও পুরনো প্লেয়ার NTFS পড়তেই পারে না। ড্রাইভটি exFAT-এ ফরম্যাট করলে প্রায় সব জায়গায় চলবে, 4GB-এর বড় ফাইলও নেবে। FAT32 সবচেয়ে বেশি ডিভাইসে চলে, কিন্তু 4GB-এর বেশি কোনো একক ফাইল নেয় না — বেশিরভাগ সিনেমা তাই বাদ পড়ে যায়।
সবচেয়ে ভালো পেনড্রাইভ ব্র্যান্ড কোনটা
এই ক্যাটাগরিতে দশটি ব্র্যান্ড আছে। কোনো একটি ব্র্যান্ড সব দিক থেকে সেরা নয় — যে পেজ তা বলে, সে বিক্রি করছে, পরামর্শ দিচ্ছে না।
| ব্র্যান্ড | মডেল সংখ্যা | কোন দিকে সত্যিই ভালো |
|---|---|---|
| Apacer পেনড্রাইভ | 7 | সবচেয়ে বেশি মডেল, Type-C OTG সহ; এখন কোনোটির দাম প্রকাশিত নেই |
| Hiksemi ফ্ল্যাশ ড্রাইভ | 5 | 128GB ডুয়াল কানেক্টর মডেল, ওই ধাপে সবচেয়ে কম দামে |
| PNY USB ড্রাইভ | 4 | একমাত্র ব্র্যান্ড যারা রিড ও রাইট দুটো স্পিডই লিখে দেয় |
| ADATA পেনড্রাইভের দাম | 4 | 64GB-তে স্থিতিশীল ভ্যালু; UC310 ECO লাইনে রিসাইকেলড প্লাস্টিক |
| Transcend ফ্ল্যাশ ড্রাইভ | 4 | পুরনো ও পরিচিত 256GB অপশন, দেশে সার্ভিস সুনাম ভালো |
| SanDisk পেনড্রাইভ | 3 | মেটাল বডির Ultra Luxe; সবচেয়ে পরিচিত নাম |
| Kingston পেনড্রাইভ | 2 | দুটি মডেলেরই দাম ও স্টক আছে; প্রথমবার কেনার জন্য নিরাপদ |
| TwinMOS পেনড্রাইভ | 2 | হালকা ও মাঝেমধ্যে ব্যবহারের জন্য কম দাম |
| Lexar JumpDrive | 1 | একটিমাত্র 64GB USB 3.0 ড্রাইভ, ৳ 850 |
| Dahua পেনড্রাইভ | 1 | মেটাল বডি নিয়ে ক্যাটাগরির সবচেয়ে কম দাম |
এন্ট্রি ধাপের উপরে গেলে ব্র্যান্ড যত গুরুত্বপূর্ণ ভাবা হয়, ততটা নয় — দশটি ব্র্যান্ডই হাতেগোনা কয়েকটি কারখানা থেকে ফ্ল্যাশ মেমোরি নেয়। পার্থক্যটা ওয়ারেন্টি সামলানোতে, আর সেটা লোগো নয়, আমদানিকারকের উপর নির্ভর করে।
বাজেট অনুযায়ী কোন পেনড্রাইভ কিনবেন
চারটি ধাপ, গোল সংখ্যা থেকে নয় — বর্তমান দামগুলো বাস্তবে যেখানে জমেছে সেখান থেকে নেওয়া।
শিক্ষার্থী ও হালকা ব্যবহার
৳ 800 – ৳ 1,000
- দামসহ প্রতিটি 64GB ড্রাইভ এখানেই
- সবগুলোই USB 3.2 Gen 1, তাই গতিতে ছাড় নেই
- TwinMOS M16 64GB — ৳ 900
- ছাড়: প্লাস্টিক বডি, রাইট স্পিড লেখা নেই
ফোন ও ল্যাপটপ দুটোতেই
৳ 1,300 – ৳ 1,700
- 128GB, দুটি ডুয়াল কানেক্টর মডেল সহ
- ফোন থেকে ফাইল নামালে এই ধাপই ঠিক
- Apacer AH25B 128GB — ৳ 1,450
- ছাড়: টানা রাইট স্পিড এখনও সাধারণ
অফিস ও প্রতিদিনের ব্যবহার
৳ 2,200 – ৳ 2,600
- একই 128GB, ভালো বডি ও কন্ট্রোলার
- ব্যাগে চাবির সঙ্গে থাকলে দাম উসুল
- Kingston DataTraveler Kyson 128GB — ৳ 2,200
- ছাড়: প্রায় দ্বিগুণ দাম, বাড়তি জায়গা শূন্য
ফ্রিল্যান্সার ও ক্রিয়েটর
৳ 3,050 – ৳ 5,899
- ক্যাটাগরির একমাত্র 256GB ও 512GB ড্রাইভ
- PNY মডেলগুলোতে রাইট স্পিড লেখা আছে
- Transcend JetFlash 700/730 256GB — ৳ 3,050
- ছাড়: প্রতি জিবিতে এক্সটার্নাল ডিস্ক সস্তা
আসল পেনড্রাইভ চেনার উপায়, ওয়ারেন্টি ও বর্ষায় যত্ন
এই ক্যাটাগরির আসল বিপদ নকল ক্যাপাসিটির ড্রাইভ, আর তিন মাস পরে নয় — ডেলিভারির দিনেই পরীক্ষা করলে সহজে ধরা পড়ে। নকল ড্রাইভ কম্পিউটারকে 128GB দেখায়, অথচ ভেতরে হয়তো 8GB, আর ভরে গেলে চুপচাপ আগের ফাইলগুলোর উপরে লিখতে থাকে।
বিশ্বাস করার আগে ক্যাপাসিটি যাচাই করুন
নতুন ড্রাইভটি প্রায় পুরো ভরে যায় এতটা ফাইল কপি করুন — বড় ভিডিওর ফোল্ডার হলে সবচেয়ে সহজ। তারপর ইজেক্ট করে আবার লাগান এবং সবার শেষে কপি হওয়া কয়েকটি ফাইল খুলে দেখুন। কোনোটি নষ্ট দেখালে বুঝবেন ড্রাইভটি দাবি করা আকারের নয়, আর রিটার্নের সময় থাকতেই অভিযোগ জানান।
দেশে ওয়ারেন্টি আসলে কী দেয়
এখানকার প্রতিটি ব্র্যান্ডই ড্রাইভ চেনা বন্ধ হলে বদলে দেয়। কেউই ভেতরের ডেটা ফিরিয়ে দেয় না, আর দেশে ডেটা রিকভারির খরচ নতুন ড্রাইভের দামের চেয়ে অনেক বেশি। বক্স ও ইনভয়েস রেখে দিন — ঢাকা ও চট্টগ্রামের বেশিরভাগ আমদানিকারক সিরিয়াল নম্বর নয়, ইনভয়েস দেখেই দাবি নেন। EMI বড় দামের পণ্যে কাজে লাগে, কিন্তু ৳ 6,000-এর নিচের ড্রাইভে কাগজপত্রেই বেশি সময় যায়।
বর্ষার আর্দ্রতা, ধুলা ও গরম
ফ্ল্যাশ মেমোরির আর্দ্রতায় সমস্যা নেই, কিন্তু খোলা কন্টাক্ট পয়েন্টের আছে। জুন থেকে সেপ্টেম্বরে ঠান্ডা কানেক্টর গরম পোর্টে ঢোকালে জমা বাষ্প থেকে সত্যিই ক্ষয় হয়, বাকিটা করে ঢাকার ধুলা। ক্যাপ বা রিট্র্যাক্টেবল ড্রাইভ এই পরিস্থিতিতে অনেক বেশি টেকে। গাড়ির ড্যাশবোর্ডে ড্রাইভ রাখবেন না — টানা 60°C-এর বেশি গরমে প্লাস্টিকে দাগ পড়ার অনেক আগেই মেমোরি সেল নষ্ট হতে শুরু করে।
পেনড্রাইভ কেনায় যে পাঁচটি ভুলে টাকা নষ্ট হয়
সস্তায় 1TB ড্রাইভের পেছনে ছোটা
128GB-এর কাছাকাছি দামে 1TB বা 2TB পেনড্রাইভের বিজ্ঞাপন মানেই নকল ক্যাপাসিটি, ব্যতিক্রম নেই। এখানে সর্বোচ্চ আসল ক্যাপাসিটি 512GB, দাম ৳ 5,899 — কারণ আছে।
পোর্ট যে গতি দিতে পারে না, তার দাম দেওয়া
220MB/s ড্রাইভ USB 2.0 পোর্টে প্রায় 30MB/s-ই দেবে। আগে নিজের পোর্ট দেখুন; আপগ্রেডটা হয়তো ড্রাইভে নয়, নতুন ল্যাপটপে দরকার।
সময়ের আগেই শুধু Type-C কেনা
শুধু Type-C ড্রাইভ দেখতে সুন্দর, যতক্ষণ না পুরনো ডেস্কটপে বসা সহকর্মীকে ফাইল দিতে হয়। সব ডিভাইস নতুন না হলে ডুয়াল কানেক্টরই নিরাপদ।
একমাত্র কপি এতেই রাখা
পেনড্রাইভ কোনো আগাম লক্ষণ ছাড়াই নষ্ট হয়। দরকারি জিনিস দ্বিতীয় কোথাও থাকা চাই — ল্যাপটপ, ফোন বা ক্লাউডে। এটি বহনের মাধ্যম, আর্কাইভ নয়।
প্রয়োজনের চেয়ে বেশি স্টোরেজ কেনা
256GB কেনা বেশিরভাগ মানুষ কখনও 40GB পার করেন না। আগের ড্রাইভ অর্ধেক খালি অবস্থায় হারিয়ে থাকলে একই আকার নিন, বাড়তি টাকা বিল্ড কোয়ালিটিতে দিন।
পেনড্রাইভ নিয়ে ক্রেতারা যা জানতে চান
পেনড্রাইভের দাম কত?
ClickBD-তে পেনড্রাইভের দাম ৳ 800 থেকে ৳ 5,899, মোট 33টি মডেল। সবচেয়ে কম দামে Dahua U156 64GB মেটাল ড্রাইভ ৳ 800, সবচেয়ে বেশি দামে PNY Elite-X 512GB ৳ 5,899। বেশিরভাগ ক্রেতার বাজেট ৳ 800 থেকে ৳ 2,600-এর মধ্যেই থাকে, যেখানে দামসহ সব 64GB ও 128GB মডেল পড়ে।
৬৪ জিবি পেনড্রাইভের দাম কত?
64GB পেনড্রাইভের দাম ৳ 800 থেকে ৳ 1,000, দামসহ সাতটি মডেল আছে। Dahua U156 ৳ 800, Kingston DataTraveler Exodia ও Lexar JumpDrive V400 ৳ 850, আর ADATA UR340 এবং PNY Elite Turbo Attache 4 ৳ 1,000। সাতটিই USB 3.2 Gen 1 স্ট্যান্ডার্ডের।
১২৮ জিবি পেনড্রাইভের দাম কত?
128GB পেনড্রাইভের দাম ৳ 1,300 থেকে ৳ 2,600, দামসহ সাতটি মডেল আছে। ধাপটি শুরু Hiksemi Blade দিয়ে ৳ 1,300-এ, আর শেষ SanDisk Ultra Luxe CZ74 দিয়ে ৳ 2,600-এ। বাড়তি ৳ 1,300-এ পাবেন মেটাল বডি ও ভালো রাইট স্পিড, বাড়তি কোনো জায়গা নয়।
আসল পেনড্রাইভ চেনার উপায় কী?
ড্রাইভের পুরো ঘোষিত ক্যাপাসিটি সমান ফাইল কপি করে প্রতিটি খুলে দেখুন। নকল ক্যাপাসিটির ড্রাইভ কম্পিউটারকে বিজ্ঞাপিত আকার দেখায়, কিন্তু ধরে অনেক কম, তাই শেষে কপি হওয়া ফাইলগুলো নষ্ট দেখাবে বা খুলবেই না। ডেলিভারির দিনেই এই পরীক্ষা করুন, যখন রিটার্নের সুযোগ থাকে।
USB 3.2 Gen 1 আর USB 3.0 কি একই?
হ্যাঁ, USB 3.2 Gen 1 এবং USB 3.0 একই 5 Gbps স্ট্যান্ডার্ড, শুধু নাম আলাদা। USB 3.0-কে প্রথমে USB 3.1 Gen 1 এবং পরে USB 3.2 Gen 1 নাম দেওয়া হয়, গতি বদলায়নি। তাই USB 3.2 Gen 1 লেখা ড্রাইভ USB 3.0 লেখা ড্রাইভের চেয়ে দ্রুত নয়।
কত জিবি পেনড্রাইভ নেওয়া উচিত?
ডকুমেন্ট ও ছবির জন্য 64GB নিন, ভিডিওর জন্য 128GB। একটি 64GB ড্রাইভে পুরো সেমিস্টারের পড়াশোনা ও ছবির ব্যাকআপ ধরে, দাম এখানে ৳ 800 থেকে ৳ 1,000। নিয়মিত সিনেমা বা সফটওয়্যার সেটআপ নেওয়া-দেওয়া করলে তবেই ৳ 1,300 থেকে শুরু হওয়া 128GB-তে যান।
সবচেয়ে ভালো পেনড্রাইভ ব্র্যান্ড কোনটা?
কোনো একটি ব্র্যান্ড সব দিকে সেরা নয়, তাই কাজ বুঝে ব্র্যান্ড বাছুন। প্রথমবার কিনলে Kingston নিরাপদ, কারণ এর দুটি মডেলেরই দাম ও স্টক আছে। 128GB ডুয়াল কানেক্টরে Hiksemi সবচেয়ে সস্তা। রিড ও রাইট দুটো স্পিডই লেখে কেবল PNY। সবচেয়ে মজবুত মেটাল বডি SanDisk-এর।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কি পেনড্রাইভ চলে?
হ্যাঁ, ড্রাইভে USB Type-C কানেক্টর থাকলে এবং ফোনে OTG সাপোর্ট থাকলে চলে। গত পাঁচ বছরে দেশে বিক্রি হওয়া প্রায় সব Android ফোনেই OTG আছে, তবে কিছু বাজেট মডেলে এটি বন্ধ থাকে। ৳ 1,500-এর Hiksemi Sync 128GB-তে Type-C ও Type-A দুটো প্লাগই আছে।
পেনড্রাইভ নাকি মেমোরি কার্ড কিনব?
কম্পিউটারের মধ্যে ফাইল আনা-নেওয়া করলে পেনড্রাইভ নিন, কোনো ডিভাইসের স্টোরেজ বাড়াতে হলে মেমোরি কার্ড। পেনড্রাইভ সরাসরি USB পোর্টে লাগে, আলাদা রিডার লাগে না, তাই কাজের ফাইল এক মেশিন থেকে আরেকটিতে নিতে সুবিধা। মেমোরি কার্ড ঢোকে ফোন, ক্যামেরা, ড্যাশ ক্যাম বা ড্রোনের ভেতরে।
বুটেবল পেনড্রাইভ বানানো যায় কি?
হ্যাঁ, 8GB বা তার বড় যেকোনো পেনড্রাইভে Windows ইনস্টলার রাখা যায়। এই ক্যাটাগরির প্রতিটি ড্রাইভই সেই আকারের চেয়ে অনেক বড়, আর USB 3.2 Gen 1 মডেল ইনস্টলেশন ফাইল USB 2.0-এর চেয়ে অনেক দ্রুত লিখবে। আগে ড্রাইভের ব্যাকআপ নিন, কারণ ইনস্টল মিডিয়া বানালে ভেতরের সবকিছু মুছে যায়।
একটি পেনড্রাইভ কত বছর টেকে?
ব্র্যান্ডেড পেনড্রাইভ সাধারণ ব্যবহারে পাঁচ থেকে দশ বছর টেকে। ফ্ল্যাশ সেল নির্দিষ্টসংখ্যক বার লেখার পর ক্ষয়ে যায়, কিন্তু সাধারণ ফাইল আদান-প্রদানে সেই সীমার সামান্য অংশই খরচ হয়। দেশে মেমোরি ক্ষয়ের চেয়ে অনেক বেশি ড্রাইভ নষ্ট হয় কানেক্টর ভেঙে বা ক্যাপ হারিয়ে।
এখান থেকে যেভাবে বেছে নেবেন
উপরের ফিল্টারগুলো এই ক্রমে ব্যবহার করুন — আগে ক্যাপাসিটি, তারপর কানেক্টর, শেষে দাম। এই ক্রমেই সবচেয়ে দ্রুত তালিকা ছোট হয়, কারণ ক্যাপাসিটির সিদ্ধান্তই আপনি সবচেয়ে কম বদলাবেন।
দুটি অপশনের মাঝে আটকে থাকলে ৳ 1,500-এর Hiksemi Sync 128GB আর ৳ 2,200-এর Kingston Kyson 128GB পাশাপাশি দেখুন — জায়গা সমান, ৳ 700 বেশি দিলে দ্বিতীয় কানেক্টরের বদলে মেটাল বডি পাবেন। কোনোটিই কাজে না লাগলে ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস ও কম্পিউটার অ্যাকসেসরিজ বিভাগ দুটি পরের ধাপ।


