টাওয়ার পিসির দাম বাংলাদেশ

বাংলাদেশে টাওয়ার পিসির দাম ৩১,০৮০ টাকা থেকে শুরু করে ৯৯৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। ক্লিকবিডিতে লেনোভো, এইচপি, ডেল, আসুস ও অ্যাপলসহ জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের টাওয়ার ডেস্কটপ পিসি কিনুন সেরা দামে।

Tower PCs category

টাওয়ার পিসির দাম বাংলাদেশে: বাজেট অনুযায়ী কী পাওয়া যায়

এই পেজে টাওয়ার পিসির দাম ৳ 31,080 থেকে শুরু হয়ে ৳ 995,000 পর্যন্ত যায়, মোট 26টি মেশিন। এত বড় পার্থক্যের কারণ ব্র্যান্ডের নাম নয় — কারণ হলো আপনার কাজ চারটি দামের ধাপের কোনটিতে পড়ে।

উপরের প্রতিটি টাওয়ারই Lenovo, HP, Dell, Asus বা Apple এর কারখানায় তৈরি ব্র্যান্ড পিসি — সিরিয়াল নম্বর আর ম্যানুফ্যাকচারার ওয়ারেন্টি সহ সিলড অবস্থায় আসে। এগুলো দোকানে অ্যাসেম্বল করা পিসি নয়, তাই কেসিং, পাওয়ার সাপ্লাই আর কুলিং ওই নির্দিষ্ট কনফিগারেশনের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া।

কাজ জানা থাকলে উপরের প্রসেসর আর RAM ফিল্টার ব্যবহার করে 26টি থেকে চার-পাঁচটিতে নামিয়ে আনুন। না জানা থাকলে নিচের দামের ধাপ দিয়ে শুরু করুন।

এক ধাপ উপরে বাংলাদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের দাম পেজে টাওয়ার, অল-ইন-ওয়ান আর ছোট আকারের পিসি একসঙ্গে দেখা যায়।

ClickBD-তে টাওয়ার পিসির দামের ধাপ

এই চারটি ধাপ 26টি লাইভ দামের প্রকৃত ক্লাস্টার থেকে নেওয়া, গোল সংখ্যা ধরে বানানো নয়। ৳ 55,800 আর ৳ 64,500 এর মাঝে কিছু নেই, ৳ 146,000 আর ৳ 200,000 এর মাঝেও নেই। এই দুই ফাঁকেই মেশিনের উদ্দেশ্য বদলে যায়।

ধাপ দাম সংখ্যা প্রসেসর যে কাজ চলে
এন্ট্রি অফিস ৳ 31,080 – ৳ 55,800 5 Athlon Silver, Core i3 10th–13th Gen বিলিং কাউন্টার, ব্রাউজিং, MS Office, অনলাইন ক্লাস
মেইনস্ট্রিম Core i5 ৳ 64,500 – ৳ 81,500 5 Core i5 12th–14th Gen হিসাবের সফটওয়্যার, ERP, বড় স্প্রেডশিট, ভিডিও কল
পারফরম্যান্স Core i7 ৳ 85,000 – ৳ 146,000 10 Core i7 12th–14th Gen ডেভেলপমেন্ট, ছবি ও ভিডিও এডিটিং, ভার্চুয়াল মেশিন
টাওয়ার ওয়ার্কস্টেশন ৳ 200,000 – ৳ 995,000 6 Core i7, Core i9, Xeon W5, Apple M2 Ultra 3D রেন্ডারিং, CAD, সিমুলেশন, বড় ডেটাসেট

সাধারণত আপনি যে ধাপ ভাবছেন, তার এক ধাপ নিচেরটাই যথেষ্ট। ৳ 64,500 দামের Dell OptiPlex 7010, Core i5-12500 ও 512GB SSD হিসাব ও ERP এর কাজ ৳ 40,000 বেশি দামের Core i7 টাওয়ারের মতোই দ্রুত করে, কারণ এসব সফটওয়্যার storage আর RAM এ আটকায়, কোর সংখ্যায় নয়।

প্রসেসরের নামের চেয়ে storage দেখেই আসল গতি বোঝা যায়। ৳ 31,080 দামের Lenovo IdeaCentre 3 এর 1TB হার্ড ডিস্ক জায়গা বেশি দেয়, কিন্তু 512GB SSD এর তুলনায় চালু হতে স্পষ্ট বেশি সময় নেয়।

টাওয়ার পিসি আসলে কোনটাকে বলে

"টাওয়ার" বলতে কেসিংয়ের আকার বোঝায়, পারফরম্যান্স নয়। বাংলাদেশে এই নামে তিন মাপের কেসিং বিক্রি হয়। প্রসেসর একই চলে, পার্থক্য শুধু পরে কী যোগ করা যাবে তাতে।

ফুল-হাইট টাওয়ার

প্রায় 35 থেকে 45 সেমি উঁচু, খালি ড্রাইভ বে, বাড়তি PCIe স্লট আর স্ট্যান্ডার্ড মাপের পাওয়ার সাপ্লাই থাকে। পরে পুরো লম্বা graphics card লাগানোর নিশ্চয়তা কেবল এই আকারেই পাওয়া যায়।

মিনি টাওয়ার

বাংলাদেশের অফিসে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এই আকার। স্বাভাবিক পাওয়ার সাপ্লাই আর সাধারণত একটি কাজের এক্সপ্যানশন স্লট থাকে, তবে লম্বা graphics card ড্রাইভ কেজে আটকে যায়। আপগ্রেডের পরিকল্পনার আগে card length দেখে নিন।

SFF বা ছোট আকারের পিসি

ভেতরের জায়গা প্রায় অর্ধেক, অনেক সময় মনিটরের নিচে শুইয়ে রাখা হয়। SFF এ শুধু low-profile card চলে এবং পাওয়ার সাপ্লাই ছোট। ডেস্কের জায়গা কম হলে ভালো, কাজ বদলানোর সম্ভাবনা থাকলে নয়।

কোনো টাওয়ারই জায়গায় না মিললে অন্য ক্যাটাগরি দেখুন: বাংলাদেশে মিনি পিসির দাম — মনিটরের পেছনেই লুকিয়ে থাকে, আর অল-ইন-ওয়ান পিসি ডিসপ্লের ভেতরেই কম্পিউটার রাখে। যেকোনোটি থেকেই পাঁচ থেকে সাত বছরের কাজ আশা করা যায়।

Lenovo, HP, Dell ও Asus টাওয়ারের তুলনা

নিচের দামগুলো এই পেজের লাইভ দাম, বাজারের আন্দাজ নয়। এটিকে মানের রেটিং না ভেবে কভারেজ হিসেবে পড়ুন — বেশি বিস্তার মানে বেশি রেঞ্জ স্টকে আছে, এর বেশি কিছু নয়।

ব্র্যান্ড এখানে আছে দামের বিস্তার কোথায় শক্তিশালী
Lenovo টাওয়ার পিসি 9 ৳ 31,080 – ৳ 100,500 ৳ 100,000 এর নিচে সবচেয়ে বেশি অপশন; ThinkCentre SFF ও IdeaCentre টাওয়ার দুটোই
HP ডেস্কটপ টাওয়ার 8 ৳ 46,000 – ৳ 589,000 ৳ 46,000 এর অফিস পিসি থেকে Xeon ওয়ার্কস্টেশন পর্যন্ত একমাত্র ব্র্যান্ড
Dell OptiPlex ও Precision টাওয়ার 6 ৳ 64,500 – ৳ 286,000 কর্পোরেট অফিস — একই মডেলের একাধিক সেট কেনা সবচেয়ে সহজ
Asus ExpertCenter টাওয়ার 2 ৳ 47,700 – ৳ 106,700 মিনি টাওয়ার বিল্ড, তবে স্টকে মাত্র দুটি মডেল
Apple Mac Pro 1 ৳ 995,000 শুধু macOS নির্ভর প্রোডাকশন কাজ; একটিই কনফিগারেশন

এই ক্যাটাগরির দুই-তৃতীয়াংশই Lenovo বা HP। অফিসের জন্য একই রকম কয়েকটি মেশিন লাগলে তিন মাস পরেও মিলিয়ে স্টক পাওয়ার সম্ভাবনা এই দুটিতেই বেশি।

কাজ অনুযায়ী টাওয়ার বাছাই

এই ক্যাটাগরির প্রায় সব টাওয়ারেই 8GB RAM থাকে। প্রথম দুই ধাপের জন্য তা যথেষ্ট, তৃতীয় ধাপে টানাটানি। একসঙ্গে অনেক অ্যাপ খোলা রাখলে বড় প্রসেসরের বদলে RAM এ বাজেট রাখুন।

কাউন্টার ও ক্লাসরুম

৳ 31,080 – ৳ 55,800

  • POS বিলিং, MS Office, অনলাইন ক্লাস
  • 1TB হার্ড ডিস্কের বদলে Core i3 ও 512GB SSD ফিল্টার করুন
  • HP Pro Tower 290 G9 Core i3 — ৳ 46,000

অফিস ও হিসাব

৳ 64,500 – ৳ 81,500

ফ্রিল্যান্স ও ক্রিয়েটিভ

৳ 85,000 – ৳ 146,000

স্টুডিও ও ল্যাব

৳ 200,000 – ৳ 995,000

বাংলাদেশে টাওয়ার পিসি কেনার আগে: বিদ্যুৎ, ওয়ারেন্টি ও বক্সে কী থাকে

তিন বছর পরেও টাওয়ারটি ভালো চলবে কি না, তা তিনটি বিষয়ে ঠিক হয়। এর একটিও স্পেসিফিকেশন তালিকায় লেখা থাকে না।

UPS এর মাপ আগেই ঠিক করুন

22 ইঞ্চি মনিটরসহ একটি এন্ট্রি লেভেল Core i3 টাওয়ার সাধারণ ব্যবহারে প্রায় 80 থেকে 120 ওয়াট টানে, তাই 650VA UPS দশ থেকে পনেরো মিনিট দেয় — কাজ সেভ করে ঠিকভাবে বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট। দুই মনিটরসহ Core i7 টাওয়ারে 1200VA বা তার বেশি লাগে। লোডশেডিংয়ে হঠাৎ বন্ধ হওয়াই Windows নষ্ট করে, বিদ্যুৎ যাওয়া নয়।

graphics card এর পরিকল্পনার আগে পাওয়ার সাপ্লাই দেখুন

ব্র্যান্ড অফিস টাওয়ারে প্রায়ই কম ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই আর কোম্পানির নিজস্ব মাপের কানেক্টর থাকে। ফলে আলাদা কেনা card লাগানো নাও যেতে পারে, বিদ্যুৎ নাও পেতে পারে, বা ড্রাইভ কেজে আটকে যেতে পারে। প্রোডাক্ট পেজে ওয়াট, খালি PCIe স্লট আর সর্বোচ্চ card length দেখে নিয়ে তারপর পিসি কম্পোনেন্ট থেকে মিলিয়ে নিন।

ওয়ারেন্টি দেশীয় কি না নিশ্চিত হোন

Lenovo, HP ও Dell এর অনুমোদিত সার্ভিস পয়েন্ট ঢাকায় আছে, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরে পার্টনার কভারেজ আছে। এই সুবিধা কেবল অফিসিয়াল চ্যানেলে আসা ইউনিটেই প্রযোজ্য। বাইরের পথে আনা মেশিনে বৈধ ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টি থাকতে পারে, যা দেশের কোনো সেন্টার নেবে না — তখন সাধারণ বোর্ড বদলও শিপিংয়ের ঝামেলা হয়ে দাঁড়ায়। সিরিয়াল নম্বরসহ ইনভয়েস রেখে দিন।

ছোট দুটি কথা। ৳ 60,000 এর বেশি দামের টাওয়ার সাধারণত কার্ড EMI-তে কেনা হয়, আর দুটি কনফিগারেশনের মাসিক কিস্তির পার্থক্য দামের পার্থক্যের চেয়ে অনেক কম হয়। আর বর্ষায় টাওয়ার মেঝেতে না রেখে উঁচুতে রাখুন — পানি আর আর্দ্রতা নিচের বাতাস টানার ফাঁক দিয়েই আগে ঢোকে।

যে পাঁচটি ভুলে টাওয়ার পিসিতে টাকা নষ্ট হয়

মনিটর আছে ধরে নেওয়া

এখানে প্রায় প্রতিটি টাওয়ারই শুধু সিস্টেম ইউনিট। বাংলাদেশে মনিটরের দাম থেকে ৳ 9,000 – ৳ 18,000 আর একটি কিবোর্ড ও মাউস সেট যোগ করুন।

FreeDOS আর Windows এর দাম মেলানো

একই প্রসেসরের দুটি টাওয়ারের দামে হাজার হাজার টাকার পার্থক্য হতে পারে শুধু লাইসেন্স করা অপারেটিং সিস্টেমের কারণে। আগে OS লাইনটি পড়ুন।

SFF কিনে পরে graphics card চাওয়া

ছোট কেসিংয়ে শুধু low-profile card চলে। পরে ডিজাইন বা এডিটিংয়ের কাজ আসার সম্ভাবনা থাকলে অল্প বেশি খরচ করে ফুল-হাইট টাওয়ার নিন।

অফিসের কাজে ওয়ার্কস্টেশন কেনা

৳ 200,000 এর ওয়ার্কস্টেশনে Tally ৳ 64,500 এর Core i5 টাওয়ারের চেয়ে দ্রুত চলে না। Xeon আর সার্টিফায়েড graphics শুধু রেন্ডারিংয়ের কাজে দাম ওঠায়।

UPS বাদ দেওয়া

সেটআপের সবচেয়ে সস্তা অংশটিই বাকি সব রক্ষা করে। লোডশেডিং আর ভোল্টেজ ওঠানামার ক্ষতি একদিনে নয়, কয়েক মাসে জমে।

storage বাদে কোরের পেছনে খরচ

হার্ড ডিস্ক থেকে SSD তে যাওয়া মেশিনের গতি Core i5 থেকে Core i7 এর চেয়ে অনেক বেশি বদলায়। আগে সেখানেই খরচ করুন।

টাওয়ার পিসি নিয়ে ক্রেতাদের সাধারণ প্রশ্ন

বাংলাদেশে টাওয়ার পিসির দাম কত?

ClickBD-তে টাওয়ার পিসির দাম ৳ 31,080 থেকে ৳ 995,000 পর্যন্ত, মোট 26টি লিস্টিং। Core i3 ও 8GB RAM এর এন্ট্রি লেভেল অফিস টাওয়ার প্রায় ৳ 46,000। Core i5 ব্র্যান্ড টাওয়ার ৳ 64,500 থেকে ৳ 81,500 এর মধ্যে। ৳ 200,000 এর উপরে যা আছে তা ওয়ার্কস্টেশন, সাধারণ অফিসের কাজের জন্য নয়।

টাওয়ার পিসির সঙ্গে কি মনিটর, কিবোর্ড ও মাউস থাকে?

না। এই পেজের প্রতিটি টাওয়ার শুধু সিস্টেম ইউনিট, তাই মনিটর, কিবোর্ড ও মাউস আলাদা কিনতে হবে। 22 থেকে 24 ইঞ্চি ডিসপ্লে এবং সাধারণ কিবোর্ড-মাউস সেটের জন্য প্রায় ৳ 9,000 থেকে ৳ 18,000 বাড়তি ধরুন। অর্ডারের আগে প্রোডাক্ট টাইটেল দেখে নিন, বক্সে ঠিক কী আসছে সেখানে লেখা থাকে।

টাওয়ার পিসি আর SFF পিসির পার্থক্য কী?

টাওয়ার পিসিতে ফুল-হাইট কেসিং থাকে, যেখানে পুরো মাপের graphics card, বাড়তি ড্রাইভ ও স্ট্যান্ডার্ড পাওয়ার সাপ্লাই ধরে। SFF বা ছোট আকারের পিসি এর প্রায় অর্ধেক জায়গার, শুধু low-profile card নেয়। দুটিতেই একই প্রসেসর চলে, তাই জায়গা কম হলে SFF আর আপগ্রেডের ইচ্ছা থাকলে টাওয়ার নিন।

অফিসের কাজে কোন ব্র্যান্ডের টাওয়ার পিসি ভালো?

বাংলাদেশের বেশিরভাগ অফিসের জন্য Lenovo ThinkCentre ও HP Pro Tower মানানসই, দুটিরই স্টক এখানে ভালো। Core i5, 8GB RAM ও 512GB SSD এর কনফিগারেশন ৳ 64,500 থেকে ৳ 71,000 এর মধ্যে পড়ে, যা হিসাবের সফটওয়্যার, ERP, ব্রাউজিং ও ভিডিও কল স্বচ্ছন্দে চালায়। Dell OptiPlex তৃতীয় বিকল্প, দাম প্রায় ৳ 64,500।

ব্র্যান্ড টাওয়ার পিসিতে পরে graphics card লাগানো যাবে?

কখনো যায়, তবে আগে পাওয়ার সাপ্লাই দেখুন। ছোট অফিস টাওয়ারে প্রায়ই কম ওয়াটের সাপ্লাই আর কোম্পানির নিজস্ব কানেক্টর থাকে, ফলে আধুনিক card লাগে না বা যথেষ্ট বিদ্যুৎ পায় না। স্ট্যান্ডার্ড সাপ্লাইওয়ালা ফুল-হাইট টাওয়ারে এন্ট্রি লেভেল card সহজে চলে। কেনার আগে ওয়াট, খালি PCIe স্লট ও সর্বোচ্চ card length দেখে নিন।

টাওয়ার পিসির জন্য কত VA এর UPS লাগে?

বেশিরভাগ অফিস টাওয়ার পিসির জন্য 650VA থেকে 1200VA এর UPS যথেষ্ট। 22 ইঞ্চি মনিটরসহ এন্ট্রি লেভেল Core i3 টাওয়ার প্রায় 80 থেকে 120 ওয়াট টানে, তাই 650VA ইউনিট দশ থেকে পনেরো মিনিট দেয় — কাজ সেভ করে নিরাপদে বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট। Core i7 টাওয়ার ও ওয়ার্কস্টেশনে 1200VA বা বেশি দরকার।

অফিসের কাজে টাওয়ার পিসি নাকি ল্যাপটপ ভালো?

নির্দিষ্ট ডেস্কের জন্য টাওয়ারই ভালো। একই টাকায় বেশি পারফরম্যান্স পাওয়া যায়, কম গরম হয়, পরে RAM ও storage বাড়ানো যায়, আর যন্ত্রাংশ ঢাকায় সহজলভ্য বলে সারানোর খরচ অনেক কম। ল্যাপটপ কেবল তখনই এগিয়ে যখন কাজটা এক জায়গায় থাকে না। অনেক অফিস তাই ডেস্কে টাওয়ার আর ভ্রমণের জন্য কয়েকটি ল্যাপটপ রাখে।

টাওয়ার পিসিতে কি Windows দেওয়া থাকে?

সবসময় নয়। কিছু ব্র্যান্ড টাওয়ারে লাইসেন্স করা Windows আগে থেকেই ইনস্টল থাকে, আবার কিছুতে FreeDOS থাকে বা কোনো অপারেটিং সিস্টেমই থাকে না। এই একটি পার্থক্যের কারণেই একই Core i5 প্রসেসর ও 512GB SSD এর দুটি টাওয়ারের দামে হাজার হাজার টাকার ফারাক হয়। দাম মেলানোর আগে অপারেটিং সিস্টেমের লাইনটি পড়ুন।

টাওয়ার ওয়ার্কস্টেশন কী এবং আমার কি দরকার?

টাওয়ার ওয়ার্কস্টেশনে সার্ভার-গ্রেড বা সর্বোচ্চ স্তরের প্রসেসর, বেশি মেমোরি এবং সার্টিফায়েড graphics থাকে, যা 3D রেন্ডারিং, CAD, সিমুলেশন ও AI এর কাজের জন্য। এই পেজে এগুলোর দাম ৳ 200,000 থেকে শুরু হয়ে Apple Mac Pro এর ৳ 995,000 পর্যন্ত যায়। কাজ যদি হিসাব, ব্রাউজিং বা MS Office হয়, ৳ 46,000 থেকে ৳ 81,500 এর ব্র্যান্ড টাওয়ারই যথেষ্ট।

বাংলাদেশে ব্র্যান্ড টাওয়ার পিসির সার্ভিস কোথায় পাওয়া যায়?

Lenovo, HP ও Dell এর অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার ঢাকায় আছে, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরে পার্টনার পয়েন্ট আছে। ব্র্যান্ড টাওয়ারের ওয়ারেন্টি সাধারণত এক থেকে তিন বছর এবং দাবি করতে মূল ইনভয়েস ও সিরিয়াল নম্বর লাগে। প্রোডাক্ট পেজে ওয়ারেন্টির ধরন দেখে নিন, কারণ অফিসিয়াল চ্যানেলের বাইরে আনা ইউনিট সাধারণত দেশে সার্ভিস পায় না।

উপরের তালিকা ছোট করে নিন

আগে দামের ফিল্টার নিজের ধাপে বসান, তারপর প্রসেসর, তারপর RAM — তিন ক্লিকে 26টি থেকে হাতে গোনা কয়েকটিতে নেমে আসবে। ৳ 64,500 এর Dell OptiPlex 7010 আর ৳ 81,500 এর Lenovo IdeaCentre Tower 08IRR9 এর মধ্যে দ্বিধা থাকলে দুটো খুলে storage ও কেসিংয়ের আকার মিলিয়ে দেখুন। ৳ 17,000 এর পার্থক্য সেখানেই।

বহনযোগ্য কিছু দরকার? ডেস্কে বাঁধা মেশিন নেওয়ার আগে বাংলাদেশে ল্যাপটপের দাম মিলিয়ে দেখুন।