ডিএসএলআর ক্যামেরার দাম বাংলাদেশে: ৳ ২৩,০০০ থেকে ৳ ১,৬৫,০০০
এই পেজে ৩৪টি ডিএসএলআর ক্যামেরার দাম ৳ ২৩,০০০ থেকে ৳ ১,৬৫,০০০ পর্যন্ত। দামের এই পার্থক্যটা আসলে মানের নয়, বয়সের। নিচের দিকে পাবেন ২০০৯–২০১৩ সালের বডি, আর উপরের দিকে আজকের ফুল-ফ্রেম বডি।
তাই আসল প্রশ্ন হলো — আপনার বাজেটে কত পুরোনো ক্যামেরা নিতে রাজি আছেন, আর বডি নাকি লেন্স আগে দরকার। নতুন ক্রেতাদের জন্য উত্তরটা প্রায় সবসময় লেন্স।
পুরো তালিকায় ব্র্যান্ড মাত্র দুটি। ক্যানন ডিএসএলআর ক্যামেরার দাম ও মডেল ৩৪টির মধ্যে ২১টি, আর নিকন ডিএসএলআর ক্যামেরা বাকি ১৩টি। পড়ার আগে উপরের ফিল্টারে আপনার বাজেট ঠিক করে নিন।
বাজেট অনুযায়ী ডিএসএলআর ক্যামেরার দাম তালিকা ২০২৬
নিচের চারটি ভাগ স্টকে থাকা ২৮টি ক্যামেরার আসল দাম থেকে তৈরি। প্রতিটি ধাপে বাড়তি টাকা দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু জিনিস পাওয়া যায়।
| ধাপ | দামের সীমা | টাকায় যা পাবেন | উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| শেখার জন্য | ৳ ২৩,০০০ – ৳ ৩৪,৯৯০ | ২০০৯–২০১৬ সালের 16–24MP APS-C বডি। Full HD ভিডিও, ৯ পয়েন্ট অটোফোকাস, বেশিরভাগে টাচস্ক্রিন নেই। | Canon EOS 500D 18-55mm IS কিট — ৳ ২৩,০০০ |
| প্রথম কিট | ৳ ৩৫,০০০ – ৳ ৪৯,৯৯৯ | 24MP সেন্সর, কম আলোতে ভালো ফল, হালকা বডি, অনেক মডেলে Wi-Fi। দেশে বেশিরভাগ প্রথম ডিএসএলআর এখান থেকেই কেনা হয়। | Nikon D3500 AF-P 18-55mm VR — ৳ ৪০,০০০ |
| শখ ও কনটেন্ট | ৳ ৫০,০০০ – ৳ ৭৯,৯৯৯ | ঘোরানো যায় এমন টাচস্ক্রিন, ভিডিওর জন্য Dual Pixel অটোফোকাস, 250D-তে 4K রেকর্ডিং। | Canon EOS 250D 18-55mm লেন্সসহ — ৳ ৬০,০০০ |
| পেশাদার ও ফুল-ফ্রেম | ৳ ৮০,০০০ – ৳ ১,৬৫,০০০ | আবহাওয়া-প্রতিরোধী বডি, কিছু মডেলে দুটি কার্ড স্লট, দুটি ফুল-ফ্রেম অপশন। টাকার কাজের জন্য তৈরি। | Nikon D7200 18-140mm VR লেন্সসহ — ৳ ৯৩,০০০ |
৫০ হাজার টাকার মধ্যে ডিএসএলআর ক্যামেরা খুঁজলে দ্বিতীয় ধাপটিই আপনার — পুরো ক্যাটাগরির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এখানে, যার মধ্যে Canon EOS 1500D 24.1MP কিট ৳ ৪৫,০০০ টাকায়।
শুধু বডি নাকি কিট লেন্স সহ?
লেন্স ছাড়া ডিএসএলআর বডি দিয়ে একটি ছবিও তোলা যায় না। এখানকার বেশিরভাগ লিস্টিংয়ে 18-55mm কিট লেন্স থাকে, যা APS-C সেন্সরে প্রায় 29-88mm এর মতো ফ্রেম দেয় — ঘরের ভেতরের ছবি থেকে পোর্ট্রেট পর্যন্ত চলে। কয়েকটি শুধু বডি, আর সেখানেই ভুলটা হয়।
প্রথম ক্যামেরা হলে কিট নিন
18-55mm দিয়ে ভ্রমণ, পারিবারিক অনুষ্ঠান, খাবার আর রাস্তার ছবি — সবই হয়। আপনি আসলে কী ধরনের ছবি তোলেন সেটা বোঝা দামি লেন্সের চেয়ে বেশি জরুরি।
পরামর্শ
Canon EOS 2000D 24.1MP 18-55mm III কিট — ৳ ৪১,৫০০
লেন্স থাকলে শুধু বডি
Canon EF ও EF-S লেন্স এখানকার সব Canon বডিতে বসে, Nikon F-mount বসে সব Nikon বডিতে। লেন্স রেখে শুধু বডি বদলানোই সবচেয়ে সাশ্রয়ী আপগ্রেড।
পরামর্শ
Canon EOS 6D Mark II ফুল-ফ্রেম বডি — ৳ ৯৬,০০০
কিটের সাথে একটি 50mm প্রাইম
সস্তা 50mm f/1.8 কিট জুমের চেয়ে অনেক বেশি আলো টানে — ঘরোয়া বিয়ের হলুদ আলোয় এটাই পার্থক্য গড়ে দেয়। বেশিরভাগ নতুন ক্রেতা পরে আফসোস করেন কেন আগে নেননি।
পরামর্শ
২০২৬ সালে ডিএসএলআর নাকি মিররলেস?
Canon ও Nikon দুই কোম্পানিই নতুন উন্নয়ন মিররলেসে সরিয়ে নিয়েছে। শুনতে খারাপ লাগলেও এর ফল ভালো — পরিণত বডি এখন এমন দামে মিলছে যা মিররলেস আরও অনেক বছর ছুঁতে পারবে না।
| যা গুরুত্বপূর্ণ | ডিএসএলআর | মিররলেস |
|---|---|---|
| ভিউফাইন্ডার | অপটিক্যাল, কোনো ল্যাগ নেই, পাওয়ার বন্ধ থাকলেও চলে | ইলেকট্রনিক, তোলার আগেই এক্সপোজার দেখায় |
| ব্যাটারি | এক চার্জে কয়েকশ থেকে হাজারের বেশি ছবি | অনেক কম, বাড়তি ব্যাটারি লাগবেই |
| আকার ও ওজন | বড়, তবে হাতে বেশি স্থির থাকে | ছোট, সারাদিন বহন করা সহজ |
| ভিডিও | বেশিরভাগে Full HD, 4K শুধু উপরের মডেলে | 4K সাধারণ, সাবজেক্ট ট্র্যাকিং ভালো |
| দেশে সেকেন্ড-হ্যান্ড লেন্স | ২০ বছরের EF ও F-mount লেন্স বাজারে ঘুরছে | সরবরাহ কম, দাম বেশি |
| টাকার হিসাবে | এই মুহূর্তে ডিএসএলআরই এগিয়ে | নতুন প্রযুক্তির দাম দিতে হয় |
মূল কাজ ভিডিও হলে সিদ্ধান্তের আগে মিররলেস ক্যামেরার দাম মিলিয়ে দেখুন। ছবি তোলাই মূল হলে ডিএসএলআর এখনও সেরা পছন্দ।
Canon নাকি Nikon — ClickBD-তে কী আছে
দুটো ব্র্যান্ডই ভালো, কেউ সব দিকে এগিয়ে নয়। পার্থক্য শুধু সরবরাহে — ৩৪টির মধ্যে ২১টিই Canon, তাই নির্দিষ্ট বাজেটে বেশি অপশন সাধারণত Canon-এই মেলে।
Canon — ৩৪টির মধ্যে ২১টি
নতুনদের জন্য মেনু সবচেয়ে সহজ, এডিট ছাড়াই ত্বকের রঙ উষ্ণ আসে, আর নতুন বডিতে Dual Pixel অটোফোকাস হাতে ধরে ভিডিও করার উপযোগী। দেশে EF-S লেন্সের সরবরাহও সবচেয়ে বেশি।
পরামর্শ
Canon EOS 850D 24.1MP 18-55mm IS STM — ৳ ৮৯,০০০
Nikon — ৩৪টির মধ্যে ১৩টি
Nikon বডিতে ছায়ার ডিটেইল ভালো থাকে, যা খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠানের ছবিতে কাজে দেয়। ব্যাটারি ব্যাকআপ সত্যিই ভালো, আর একদম নতুনদের হাতে দেওয়ার জন্য D3500 এখনও সবচেয়ে সহজ।
পরামর্শ
Nikon D5600 18-55mm ও 70-300mm VR কিট — ৳ ৫৮,০০০
দেশে ডিএসএলআর কেনার আগে: ওয়ারেন্টি, ইমপোর্ট ও বর্ষা
অফিসিয়াল নাকি আনঅফিসিয়াল
বাজারে ক্যামেরা আসে দুই পথে। অফিসিয়াল পণ্য ব্র্যান্ডের বাংলাদেশি ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে আসে এবং দেশেই ওয়ারেন্টি পাওয়া যায়। আনঅফিসিয়াল বা গ্রে পণ্য ব্যাগেজ বা অনানুষ্ঠানিক আমদানিতে আসে, দাম কম, কিন্তু ওয়ারেন্টি শুধু যে দেশে বিক্রি হয়েছে সেখানেই চলে। দুটোই আসল ক্যামেরা — পার্থক্য হলো মেরামতের খরচ কে দেবে। টাকা দেওয়ার আগে লিখিতভাবে জেনে নিন কোনটি পাচ্ছেন।
পুরাতন বডি যাচাই
বাইরের চেহারা নয়, শাটার কাউন্টই আসল সংখ্যা। এটি বলে দেয় শাটার কতবার চলেছে — এন্ট্রি-লেভেল বডির আয়ু সাধারণত প্রায় ১,০০,০০০ ক্লিক, আর সেমি-প্রো বডির ১,৫০,০০০ বা তার বেশি। একটি JPEG থেকেই ফ্রি সফটওয়্যারে সংখ্যাটি পড়া যায়। সাদা দেয়ালের ছবি f/22-তে তুলে সেন্সরের ধুলো দেখে নিন, আর জুম ও ফোকাস রিং ঘুরিয়ে খরখরে ভাব আছে কিনা বুঝে নিন।
সার্ভিস, আর্দ্রতা ও বিদ্যুৎ
Canon ও Nikon-এর অনুমোদিত সার্ভিস মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক, চট্টগ্রামে সীমিত, বাকি জেলায় প্রায় নেই। তাই ঢাকার বাইরে থাকলে মেরামতের হিসাবে কুরিয়ারের সময় ও খরচ ধরে রাখুন। জুন থেকে সেপ্টেম্বর আর্দ্রতা ৮০ শতাংশের উপরে থাকে, আর তাতেই লেন্সের কাচে ছত্রাক পড়ে যায় — যা প্রায়ই আর সারানো যায় না। বায়ুরোধী বাক্সে সিলিকা জেল দিয়ে রাখুন এবং মাসে একবার জেল শুকিয়ে নিন। লোডশেডিংয়ে চার্জ দেওয়া আটকে যেতে পারে, তাই অনুষ্ঠানের কাজে দ্বিতীয় ব্যাটারি বাধ্যতামূলক ধরে নিন।
সঠিকভাবে সুরক্ষা দিন — একটি প্যাডেড ক্যামেরা ব্যাগ আর দ্রুতগতির মেমোরি কার্ড নিয়ে নিন।
বাজেট অনুযায়ী পছন্দ
প্রতিটি ধাপে একটি করে পরামর্শ, সেই বাজেটের ক্রেতারা আসলে যা তোলেন তার ভিত্তিতে বাছাই।
কম দামে শেখা
৳ ২৩,০০০ – ৳ ৩৪,৯৯০
- Nikon D5200 24.1MP 18-55mm VR — ৳ ৩২,০০০
- প্রিন্ট ও সোশ্যালের জন্য 24MP যথেষ্ট
- ম্যানুয়াল কন্ট্রোল শেখার সস্তা পথ
প্রথম সিরিয়াস ক্যামেরা
৳ ৩৫,০০০ – ৳ ৪৯,৯৯৯
- Canon EOS 4000D 18-55mm DC III কিট — ৳ ৪০,০০০
- রোজ বহন করার মতো হালকা
- গাইডেড মোড শিখিয়ে দেয়
ভিডিও ও কনটেন্ট
৳ ৫০,০০০ – ৳ ৭৯,৯৯৯
- Canon EOS 200D II 18-55mm STM — ৳ ৭০,৫০০
- ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে কথা বলার স্ক্রিন
- Wi-Fi দিয়ে সরাসরি ফোনে ছবি
পেশাদার কাজ
৳ ৮০,০০০ – ৳ ১,৬৫,০০০
- Canon EOS 90D 32.5MP 18-55mm IS STM — ৳ ১,২০,০০০
- অনুষ্ঠান ও খেলার জন্য দ্রুত বার্স্ট
- বাইরের শুটে আবহাওয়া সুরক্ষা
যে পাঁচটি ভুলে ক্রেতার টাকা নষ্ট হয়
মেগাপিক্সেলের পেছনে ছোটা
18MP আর 24MP-এর পার্থক্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বা A4 প্রিন্টে চোখেই পড়ে না। সেন্সরের প্রজন্ম আর লেন্সই ছবি বদলায়।
পুরো বাজেট বডিতে
৳ ৯০,০০০ বডি শুধু কিট জুম নিয়ে ৳ ৪৫,০০০ বডি ও ভালো প্রাইমের কাছে হেরে যায়। শুরু থেকেই লেন্সের জন্য টাকা রাখুন।
ওয়ারেন্টি না জিজ্ঞেস করা
একই মডেল কোথাও সস্তা মানে সাধারণত তার ওয়ারেন্টি দেশে চলবে না। টাকা দেওয়ার আগেই নিশ্চিত হন।
শাটার কাউন্ট না দেখা
দেখতে ঝকঝকে পুরাতন বডিও ১,৪০,০০০ ক্লিকে আয়ুর শেষ প্রান্তে। দুই মিনিটের যাচাই বড় খরচ বাঁচায়।
একটি ব্যাটারি, একটি কার্ড
কার্ড নষ্ট হয়, ব্যাটারি ঠিক দরকারের সময় ফুরায়। বাড়তি একটি করে রাখুন, ঘরে তুললে একটি এক্সটার্নাল ফ্ল্যাশ যোগ করুন।
আলমারিতে রেখে দেওয়া
ঢাকার বর্ষার আর্দ্রতায় এক মৌসুমেই লেন্সে ছত্রাক পড়ে। বায়ুরোধী বাক্স ও সিলিকা জেলের খরচ লেন্সের দামের তুলনায় সামান্য।
ডিএসএলআর ক্যামেরা নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
ডিএসএলআর ক্যামেরার দাম কত?
ClickBD-তে ৩৪টি ডিএসএলআর ক্যামেরার দাম ৳ ২৩,০০০ থেকে ৳ ১,৬৫,০০০ পর্যন্ত। সবচেয়ে কমে Canon EOS 500D 18-55mm কিট ৳ ২৩,০০০ টাকায়, আর সবচেয়ে বেশি ফুল-ফ্রেম Nikon D780 বডি ৳ ১,৬৫,০০০ টাকায়। বেশিরভাগ নতুন ক্রেতা ৳ ৩৫,০০০ থেকে ৳ ৫০,০০০ টাকার মধ্যে কেনেন।
নতুনদের জন্য কোন ডিএসএলআর ক্যামেরা ভালো?
Nikon D3500 ৳ ৪০,০০০ এবং Canon EOS 4000D ৳ ৪০,০০০ — এই দুটিই শুরু করার সবচেয়ে সহজ পথ। দুটোই হালকা, দুটোতেই 18-55mm লেন্স আছে, আর গাইডেড মোড ছবি তুলতে তুলতেই অ্যাপারচার ও শাটার স্পিড শিখিয়ে দেয়। D3500-এর ব্যাটারি বেশি চলে, 4000D-এর লেন্স বেশি মেলে।
৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো ডিএসএলআর পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, ৳ ৩০,০০০ টাকার নিচে তিনটি বডি আছে — Canon EOS 500D কিট ৳ ২৩,০০০, Nikon D5100 ৳ ২৫,০০০ এবং Canon EOS 600D ৳ ২৭,০০০ টাকায়। তিনটিই পুরোনো 16–18MP মডেল, Full HD ভিডিও আছে, টাচস্ক্রিন নেই। তবু কম আলোয় যেকোনো ফোনের চেয়ে পরিষ্কার ছবি দেয়।
শুধু বডি কিনব নাকি কিট লেন্সসহ?
প্রথম ডিএসএলআর হলে কিট লেন্সসহ কিনুন, কারণ 18-55mm দিয়ে দৈনন্দিন প্রায় সব ফ্রেম ধরা যায় এবং লেন্স ছাড়া বডি দিয়ে ছবি তোলাই যায় না। আগে থেকে Canon EF-S বা Nikon F-mount লেন্স থাকলে শুধু বডি নিন — লেন্স রেখে বডি বদলানোই সবচেয়ে সাশ্রয়ী উন্নতি।
২০২৬ সালে ডিএসএলআর কেনা কি ঠিক হবে?
হ্যাঁ, টাকার তুলনায় সবচেয়ে বেশি ক্যামেরা চাইলে এটাই ঠিক। Canon ও Nikon নতুন উন্নয়ন মিররলেসে নিয়ে যাওয়ায় ডিএসএলআরের দাম কমেছে, অথচ বডিগুলো আগের মতোই কার্যকর। দেশে EF ও F-mount লেন্স সহজলভ্য ও সস্তা। শুধু 4K ভিডিও মূল কাজ হলে মিররলেস বেছে নিন।
অফিসিয়াল আর আনঅফিসিয়াল ডিএসএলআর চিনব কীভাবে?
টাকা দেওয়ার আগে বাংলাদেশের ওয়ারেন্টি কার্ড ও ডিস্ট্রিবিউটরের ইনভয়েস চেয়ে নিন। অফিসিয়াল পণ্য ব্র্যান্ডের দেশীয় ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে আসে এবং দেশেই ওয়ারেন্টিতে সারানো যায়। গ্রে পণ্য অনানুষ্ঠানিকভাবে আসে, দাম কম, ওয়ারেন্টি বিদেশে সীমাবদ্ধ। ক্যামেরা একই, পার্থক্য শুধু মেরামতের খরচে।
পুরাতন ডিএসএলআর কেনার আগে কী দেখব?
প্রথমে শাটার কাউন্ট দেখুন — এটি বলে শাটার আগে কতবার চলেছে। এন্ট্রি-লেভেল শাটারের আয়ু প্রায় ১,০০,০০০ ক্লিক, সেমি-প্রো বডির ১,৫০,০০০ বা বেশি, তাই ১,০০,০০০ পার হওয়া বডির দাম যন্ত্রাংশের সমান ধরা উচিত। এরপর f/22-তে সাদা দেয়ালের ছবি তুলে সেন্সরের ধুলো দেখুন।
বাংলাদেশে Canon বা Nikon ডিএসএলআর কোথায় সার্ভিস করাব?
দুই ব্র্যান্ডেরই অনুমোদিত সার্ভিস মূলত ঢাকায়, চট্টগ্রামে সীমিত পরিসরে আছে। এই দুই শহরের বাইরে থাকলে সাধারণত কুরিয়ারে পাঠাতে হয়, তাই মেরামতের হিসাবে কয়েক দিন সময় ও পরিবহন খরচ যোগ করুন। সমস্যা হওয়ার পরে নয়, কেনার সময়ই বিক্রেতার কাছে সার্ভিস পয়েন্ট জেনে নিন।
বর্ষায় ডিএসএলআর ক্যামেরা কীভাবে রাখব?
বডি ও লেন্স বায়ুরোধী বাক্সে নতুন সিলিকা জেল দিয়ে রাখুন। জুন থেকে সেপ্টেম্বর দেশে আর্দ্রতা ৮০ শতাংশের উপরে থাকে, আর এক মৌসুমেই লেন্সের কাচে ছত্রাক জন্মাতে পারে। মাসে একবার সিলিকা জেল শুকিয়ে নিন, আলমারিতে রাখবেন না, আর ভেজা ক্যামেরা কখনও বন্ধ বাক্সে ঢোকাবেন না।
এবার বেছে নিন
উপরের ফিল্টারে আপনার ধাপটি বসিয়ে নিন, তারপর মাত্র দুটি মডেল পাশাপাশি মিলিয়ে দেখুন — Canon EOS 1500D বনাম Nikon D5300 হলো ৳ ৪৩,০০০–৪৫,০০০ টাকার চিরচেনা সিদ্ধান্ত। বডি ঠিক হলে প্রথম শুটের আগেই লেন্স ও আলো যোগ করে নিন।



