ছোট কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স দাম বাংলাদেশ

১৬৯টি পণ্যের দাম ৳ ৩৮০ থেকে ৳ ৫০,০০০ পর্যন্ত। অর্ধেক পণ্যই ৳ ৫,০০০ থেকে ৳ ১২,০০০ এর মধ্যে — নিচে বাজেট, ব্র্যান্ড বা ধরন অনুযায়ী ফিল্টার করুন।

Small Kitchen Appliances category

কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স দাম বাংলাদেশে: ৳ ৩৮০ থেকে ৳ ৫০,০০০

১৬৯টি পণ্যের মধ্যে দামের পার্থক্য ১৩০ গুণেরও বেশি। একটি ডিজিটাল কিচেন স্কেল আর একটি কাউন্টারটপ স্টিম ওভেন — দুটোই এই এক পাতায়। তাই "এটার দাম কত হওয়া উচিত" প্রশ্নের উত্তর এখানে সহজ নয়।

মধ্যম দাম ৳ ৭,৬০০, আর ৮৩টি পণ্য — প্রায় অর্ধেক — ৳ ৫,০০০ থেকে ৳ ১২,০০০ এর মধ্যে। বাজেট এখনো ঠিক না থাকলে এই ব্যান্ডটাই বাস্তবসম্মত শুরু: একটি ভালো mixer grinder, মাঝারি আকারের air fryer, বা একটি rice cooker।

এর নিচে ৳ ৩৮০ থেকে ৳ ২,৫০০ এ পাবেন এক কাজের ছোট যন্ত্র। ৳ ১২,০০০ এর উপরে টাকা যায় ক্যাপাসিটি, ডিজিটাল কন্ট্রোল আর লম্বা মোটর ওয়ারেন্টিতে। অন্য কিছু তুলনা করার আগে উপরের প্রাইস ফিল্টার দিয়ে নিজের ব্যান্ডটা ঠিক করে নিন।

কোন ধরনের কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের দাম কত

প্রতিটি সাব-ক্যাটাগরির এখনকার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দাম, সঙ্গে কতগুলো পণ্য আছে তার সংখ্যা। শুধু blender, grinder ও mixer মিলিয়েই ১৬৯টির মধ্যে ৭২টি পণ্য — এই তাকেই প্রতিযোগিতা সবচেয়ে বেশি, দামও সবচেয়ে ভালো।

ধরন দামের পরিসর পণ্য বেশি দামে কী বাড়ে
ব্লেন্ডার, গ্রাইন্ডার ও মিক্সারের দাম ৳ ১,৮০০ – ৳ ২০,৫০০ ৭২ ওয়াট, জারের সংখ্যা, copper winding
এয়ার ফ্রায়ার দাম ৳ ৭,৮৫০ – ৳ ৩৫,৫০০ ৩১ বাস্কেটের লিটার, ডিজিটাল প্রিসেট, dual zone
রাইস কুকার দাম ৳ ৩,০০০ – ৳ ১৫,৫৫০ ১৩ পটের লিটার, ডাবল পট, fuzzy logic
চপার মেশিনের দাম ৳ ৭০০ – ৳ ১৩,২৫০ ১১ বাটির আকার, ব্লেড স্তর, মাংস কাটার ক্ষমতা
ওভেন টোস্টার গ্রিলের দাম ৳ ৫,৫০০ – ৳ ৫০,০০০ লিটার, convection, rotisserie, steam
টোস্টারের দাম ৳ ২,৯৯০ – ৳ ৮,৫৫০ স্লট সংখ্যা, cool-touch বডি, ব্রাউনিং কন্ট্রোল
স্যান্ডউইচ মেকারের দাম ৳ ১,১০০ – ৳ ৭,০০০ প্লেটের কোটিং, বদলানো যায় এমন গ্রিল প্লেট
ইলেকট্রিক কেটলির দাম ৳ ১,১৭০ – ৳ ২,৪৫০ copper element, লিটার, ডাবল ওয়াল
ডিপ ফ্রায়ারের দাম ৳ ৮,৯০০ – ৳ ১১,৪৯৯ তেলের লিটার, ভিউ উইন্ডো, স্টিল ট্যাংক
ফুড প্রসেসরের দাম ৳ ৩,১০০ – ৳ ১৭,১৯০ বাটির লিটার, ব্লেড ও ডিস্কের সংখ্যা
ডিজিটাল কিচেন স্কেলের দাম ৳ ৪৫০ – ৳ ৫,০২৯ ১ গ্রাম রেজোলিউশন, tare, সর্বোচ্চ ওজন

যন্ত্রের নাম নয়, কাজ দেখে কিনুন

বেশিরভাগ ভুল শুরু হয় কাজের বদলে যন্ত্রের নাম বেছে নেওয়া দিয়ে। নিচের ছয়টি কাজের মধ্যে কোনগুলো আপনি সপ্তাহে দুইবারের বেশি করেন, সেটা আগে ঠিক করুন।

প্রতিদিনের মসলা ও ভেজা বাটা

এই পাতার সবচেয়ে ভারী কাজ। পেঁয়াজ-রসুন-আদা বাটার জন্য দরকার টর্ক, গতি নয়। প্রতিদিনের ব্যবহারে 750W সর্বনিম্ন ধরুন; শুকনো মসলা, শুঁটকি বা হালিমের বাটার জন্য 1000W বা বেশি। দুইটি প্লাস্টিক জারের চেয়ে তিনটি স্টিলের জার ভালো।

কম তেলে ভাজা

শখ নয়, পরিবারের আকার দেখে সাইজ নিন। দুজনের জন্য ৩ লিটার; চারজনের পরিবারে ৫ থেকে ৬ লিটার; ছয়জন বা বেশি হলে ৭ লিটার বা dual basket। সিঙ্গাড়া-বেগুনি গরম করতে মাইক্রোওয়েভের চেয়ে air fryer ভালো, তবে ডিপ ফ্রায়ারের মচমচে ভাব আসবে না।

ভাত ও এক-পাত্রের রান্না

১.৮ লিটারের পটে তিন-চারজনের ভাত হয়; যৌথ পরিবারে ২.৮ লিটার বা বেশি। ডাবল ইনার পট থাকলে ভাতের উপরে সবজি ভাপ দেওয়া যায়। ৳ ১২,০০০ এর উপরে পাবেন fuzzy logic কন্ট্রোল, যা সাদা ভাতের চেয়ে পোলাও আর খিচুড়িতে বেশি কাজে লাগে।

দেখতে পারেন

Miyako ASL-1180 1.8L ডাবল পট রাইস কুকার — ৳ ৩,৯০০

দশ মিনিটে নাশতা

একটি কেটলি, টোস্টার আর স্যান্ডউইচ মেকার — তিনটি মিলিয়ে একটি মাঝারি air fryer এর চেয়েও কম দাম, অথচ প্রতিদিন কাজে লাগে। দুই স্লটের টোস্টার তিনজন পর্যন্ত যথেষ্ট; চার স্লট শুধু স্কুলের তাড়াহুড়ার সংসারে। কেটলির দাম সর্বোচ্চ ৳ ২,৪৫০।

দেখতে পারেন

Gazi Smiss 1.8L ফুল কপার ইলেকট্রিক কেটলি — ৳ ১,৯২০

কাটাকুটি ও ময়দা মাখা

চপার কয়েক সেকেন্ডে পেঁয়াজ, রসুন আর ধনেপাতা কেটে দেয় — প্রতিদিন রান্না করলে এটিই সবচেয়ে বড় সময় বাঁচায়। ফুড প্রসেসর এর সঙ্গে যোগ করে স্লাইস, কুচি আর ময়দা মাখা। হাতে রুটি বানালে এর দাম উঠে আসে।

দেখতে পারেন

Moulinex DJ450B27 চপার — ৳ ৫,৩০০

বেকিং, রোস্ট ও গ্রিল

বাংলাদেশের বেশিরভাগ রান্নাঘরে বিল্ট-ইন ওভেন নেই, তাই কেক আর রোস্ট চিকেনের বাস্তব সমাধান কাউন্টারটপ ওভেন টোস্টার গ্রিল। ৯ লিটারে টোস্ট আর ছোট বেক হয়; ৩৫ লিটারে গোটা মুরগি ধরে। convection ও rotisserie — এই দুটোর জন্য টাকা দেওয়া যায়।

দেখতে পারেন

Sharp EO-35K 35L convection ও rotisserie ওভেন — ৳ ১২,৫০০

কোন বাজেটে আসলে কী পাবেন

এই চারটি ব্যান্ড গোল সংখ্যা থেকে নয়, ১৬৯টি পণ্য আসলে যেখানে জমা হয়েছে সেখান থেকে নেওয়া।

শুরুর ধাপ — ১৫টি পণ্য

৳ ৩৮০ – ৳ ২,৪৯৯

  • এক কাজের যন্ত্র: কেটলি, স্কেল, স্যান্ডউইচ মেকার
  • Minister M-2116A স্যান্ডউইচ মেকার — ৳ ১,১০০
  • যা পাবেন না: মোটরের স্থায়িত্ব ও খুচরা যন্ত্রাংশ

বাজেট — ২৫টি পণ্য

৳ ২,৫০০ – ৳ ৪,৯৯৯

  • প্রথম সত্যিকারের ব্লেন্ডার, টোস্টার ও রাইস কুকার
  • Miyako MRC-512YLD 1.2L রাইস কুকার — ৳ ৩,২৫০
  • যা পাবেন না: বেশি ওয়াটের গ্রাইন্ডিং ও ডিজিটাল কন্ট্রোল

মাঝারি — ৮৩টি পণ্য

৳ ৫,০০০ – ৳ ১১,৯৯৯

প্রিমিয়াম — ৪৬টি পণ্য

৳ ১২,০০০ – ৳ ৫০,০০০

এই ক্যাটাগরিতে কোন ব্র্যান্ডগুলো আসলে আছে

ছয়টি ব্র্যান্ডের দশ বা তার বেশি পণ্য আছে এখানে। কোনো ব্র্যান্ডই সব ধরনে সেরা নয় — নিচের বিশেষত্বগুলো বিজ্ঞাপনের দাবি নয়, স্টকের সংখ্যা থেকে আসা।

ব্র্যান্ড পণ্য দামের পরিসর কোথায় সবচেয়ে শক্তিশালী
Philips ৩৩ ৳ ৪,৫০০ – ৳ ৩২,৫০০ সবচেয়ে বিস্তৃত পরিসর; air fryer ও hand blender-এ সেরা
Miyako ২১ ৳ ১,৯৩৮ – ৳ ১৬,৫০০ বাজেট প্রান্ত: সবচেয়ে সস্তা air fryer ও গ্রাইন্ডার
Panasonic ১৮ ৳ ৫,৫০০ – ৳ ১৮,৪৫০ মিক্সার গ্রাইন্ডার, ওভেন টোস্টার ও একমাত্র stand mixer
Moulinex ১২ ৳ ৭০০ – ৳ ১৭,৫০০ চপারের তাক ও immersion blender
Kenwood ১২ ৳ ৫,২৯৯ – ৳ ৩৫,৫০০ প্রিমিয়াম ঘেঁষা: dual zone air fryer ও ডিপ ফ্রায়ার
Havells ১০ ৳ ৬,০০০ – ৳ ১২,৯০০ শুধু মিক্সার গ্রাইন্ডার — কেটলি বা টোস্টার নেই

এই ছয়টির পেছনে আছে Sharp, Gazi, Russell Hobbs, Jaipan, Bajaj, Orient ও Vision — প্রত্যেকের তিন থেকে সাতটি পণ্য, সঙ্গে আরও ৩২টি ব্র্যান্ডের এক-দুইটি করে। কোনো ব্র্যান্ডের প্রতি টান থাকলে উপরের ব্র্যান্ড ফিল্টার ব্যবহার করুন, ধরে নেবেন না যে সেই ব্র্যান্ডে সব ধরন আছে।

বাংলাদেশের রান্নাঘরের কথা মাথায় রেখে কেনা

২২০ ভোল্ট, ৫০ হার্জ ও বিদেশ থেকে আনা যন্ত্র

এখানকার সব পণ্যই বাংলাদেশের 220–240V, 50Hz লাইনের জন্য তৈরি, আলাদা কনভার্টার লাগে না। বিপদ উল্টো দিকে: যুক্তরাষ্ট্র, জাপান বা সৌদি আরব থেকে আনা 110V মিক্সার প্লাগ দেওয়ামাত্র পুড়ে যাবে, আর কোনো ওয়ারেন্টি সেটা কভার করে না। যন্ত্রের ওয়াটের চেয়ে বেশি রেটিংয়ের step-down transformer ছাড়া নিরাপদ উপায় নেই।

কোন কাজে কত ওয়াট দরকার

ওয়াট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশন। ডাল, স্যুপ ও বাচ্চার খাবারের জন্য 250–350W হ্যান্ড ব্লেন্ডারই যথেষ্ট। প্রতিদিনের মসলা বাটায় দরকার 750W বা বেশি। শুকনো মসলা, শুঁটকি বা হালিমের বাটার জন্য 1000W এবং আলাদা ড্রাই জার লাগবে, নইলে মসলার আগে মোটরের গন্ধ পাবেন।

লোডশেডিং, IPS ও ভোল্টেজের ওঠানামা

সাধারণ 600–800VA বাসাবাড়ির IPS দিয়ে 350W হ্যান্ড ব্লেন্ডার বা 700W গ্রাইন্ডার অল্প সময় চালানো যায়, কিন্তু 1,700W air fryer সঙ্গে সঙ্গেই ট্রিপ করাবে। হিটিং এলিমেন্টওয়ালা কিছু কেনার আগে নিজের ইনভার্টারের কন্টিনিউয়াস রেটিং দেখে নিন। ভোল্টেজ অস্থির এলাকায় এক ধাপ বেশি রেটিংয়ের স্ট্যাবিলাইজার মেরামতের চেয়ে অনেক সস্তা।

ওয়ারেন্টি, আমদানি ও সার্ভিসিং

বেশিরভাগ ব্র্যান্ডে যন্ত্রে এক বছর, কোনো কোনোটিতে মোটরে দুই বছর ওয়ারেন্টি — তবে তা কার্যকর কেবল অফিসিয়াল আমদানিকারকের মাধ্যমে এলে। তাই বাক্সে স্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটরের সিলসহ ওয়ারেন্টি কার্ড আছে কি না দেখে নিন। সার্ভিস কভারেজ ডেলিভারি কভারেজের চেয়ে সংকীর্ণ: বড় ব্র্যান্ডগুলোর সার্ভিস পয়েন্ট ঢাকা ও চট্টগ্রামে, কিন্তু ছোট ব্র্যান্ড হলে যন্ত্র ঢাকায় পাঠাতে হতে পারে। EMI সাধারণত ৳ ১৫,০০০ এর উপরেই লাভজনক।

যে ভুলগুলো টাকা নষ্ট করে

জারের মাপকে কাজের মাপ ভাবা

১.৫ লিটারের জারে নিরাপদে ধরে প্রায় এক লিটার তরল, আর ৬ লিটারের air fryer বাস্কেটে চারজনের রান্না হয়, ছয়জনের নয়। যতটুকু যথেষ্ট মনে হয়, তার এক ধাপ উপরেরটা নিন।

মোটরের winding না দেখা

বারবার ভারী বাটার চাপে aluminium-এর চেয়ে copper winding ঠান্ডা থাকে ও বেশি টেকে। copper হলে পণ্যের নামেই সাধারণত লেখা থাকে; না লেখা থাকলে ধরে নিতে হয় aluminium।

যত ওয়াট চালাতে পারবেন না

পুরনো ফ্ল্যাটের ওয়্যারিংয়ে ফ্রিজ ও এসির সঙ্গে একই লাইনে 1,800W যন্ত্র চালালে ব্রেকার ট্রিপ করবে। কেনার আগেই নিজের লাইনের সঙ্গে ওয়াট মিলিয়ে নিন।

বর্ষায় ভুলভাবে রাখা

দুই ঈদের মাঝে ভেজা অবস্থায় তুলে রাখলে ব্লেডের শ্যাফট ও হিটিং এলিমেন্টে মরিচা ধরে। ভালোভাবে শুকিয়ে, ঢাকনা খুলে রাখুন এবং বর্ষায় মাসে একবার চালিয়ে নিন।

খুচরা যন্ত্রাংশের কথা ভুলে যাওয়া

জার ফেটে গেলে বা ব্লেড কাপলার হারালে ভালো গ্রাইন্ডারও অচল, যদি সেই যন্ত্রাংশ কেউ না আনে। এই পাতায় দশ বা বেশি পণ্য আছে এমন ব্র্যান্ড তুলনায় নিরাপদ।

এক কাজের জন্য দুইবার খরচ

ফুড প্রসেসর নিজেই কাটে, স্লাইস করে ও ময়দা মাখে। এর পাশাপাশি চপার ও স্ট্যান্ড মিক্সার কেনা সাধারণ ও ব্যয়বহুল ভুল।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশে ছোট কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের দাম কত?

ClickBD-তে ছোট কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের দাম ১৬৯টি পণ্যে ৳ ৩৮০ থেকে ৳ ৫০,০০০ পর্যন্ত। মধ্যম দাম ৳ ৭,৬০০, আর ৮৩টি পণ্য ৳ ৫,০০০ থেকে ৳ ১২,০০০ এর মধ্যে। কেটলি ও কিচেন স্কেল সবচেয়ে কম দামে, মিক্সার গ্রাইন্ডার ও মাঝারি air fryer মাঝখানে, আর বড় convection ওভেন সবচেয়ে বেশি দামে।

চারজনের পরিবারের জন্য কত লিটারের এয়ার ফ্রায়ার দরকার?

চারজনের পরিবারের জন্য ৫ থেকে ৬ লিটারের এয়ার ফ্রায়ার উপযুক্ত। এতে একবারে প্রায় ১ কেজি খাবার রান্না হয়, অর্থাৎ পুরো এক দফা চিকেন ফ্রাই বা চিপস। দুজনের জন্য ৩ লিটার যথেষ্ট, আর ছয়জন বা বেশি হলে ৭ লিটার বা dual basket দরকার। এখানে ৬ লিটারের মডেল শুরু ৳ ৭,৮৫০ থেকে।

মিক্সার গ্রাইন্ডার কত ওয়াটের নেওয়া ভালো?

প্রতিদিনের মসলা বাটার জন্য অন্তত 750W নিন, আর নিয়মিত শুকনো মসলা, শুঁটকি বা হালিমের বাটা করলে 1000W বা বেশি। 500W এর নিচে হলে ভেজা পেঁয়াজ-রসুন বাটায় মোটর কয়েক মাসেই গরম হয়ে যাবে। স্থায়িত্বের জন্য জারের সংখ্যার চেয়ে ওয়াট বেশি গুরুত্বপূর্ণ, আর copper winding বেশি টেকে।

বাংলাদেশে কেনা কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স কি ২২০ ভোল্টে চলে?

হ্যাঁ — এই ক্যাটাগরির প্রতিটি যন্ত্রই বাংলাদেশের 220–240V, 50Hz লাইনের জন্য তৈরি। আলাদা কনভার্টার বা ট্রান্সফরমার লাগে না, আর সাধারণ প্লাগ সরাসরি সকেটে বসে। ভোল্টেজ অস্থির এলাকায় যন্ত্রের ওয়াটের চেয়ে এক ধাপ বেশি রেটিংয়ের স্ট্যাবিলাইজার মোটরকে রক্ষা করে এবং মেরামতের চেয়ে অনেক কম খরচ পড়ে।

বিদেশ থেকে আনা ১১০ ভোল্টের যন্ত্র কি এখানে ব্যবহার করা যাবে?

সরাসরি নয় — 110V যন্ত্র বাংলাদেশের 220V লাইনে দিলে সঙ্গে সঙ্গে নষ্ট হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান বা মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ থেকে আনা যন্ত্রে যন্ত্রের ওয়াটের চেয়ে বেশি রেটিংয়ের step-down transformer লাগবে। ৳ ৬,০০০ এর নিচের যন্ত্রে সেই ট্রান্সফরমারের দামই বেশি পড়ে, আর পুড়ে যাওয়া যন্ত্রে ওয়ারেন্টি নেই।

লোডশেডিংয়ের সময় কি কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স চলবে?

শুধু কম ওয়াটেরগুলো চলবে। সাধারণ 600–800VA বাসাবাড়ির IPS দিয়ে 350W হ্যান্ড ব্লেন্ডার বা 700W গ্রাইন্ডার অল্প সময় চালানো যায়, কিন্তু 1,250–1,800W এয়ার ফ্রায়ার, টোস্টার বা ইলেকট্রিক ওভেন সঙ্গে সঙ্গেই ট্রিপ করাবে। হিটিং এলিমেন্টওয়ালা যন্ত্র কেনার আগে ইনভার্টারের কন্টিনিউয়াস রেটিং মিলিয়ে নিন।

সিঙ্গাড়া আর চিকেন ফ্রাইয়ের জন্য এয়ার ফ্রায়ার নাকি ডিপ ফ্রায়ার?

স্বাদ ও মচমচে ভাবে ডিপ ফ্রায়ার এগিয়ে, স্বাস্থ্যের দিক থেকে এয়ার ফ্রায়ার। এখানে ডিপ ফ্রায়ারের দাম ৳ ৮,৯০০ থেকে ৳ ১১,৪৯৯, আর দোকানের সিঙ্গাড়ার মতো খোসা এতেই আসে। এয়ার ফ্রায়ার শুরু ৳ ৭,৮৫০ থেকে, তেল লাগে অনেক কম এবং ভাজা খাবার গরম করতে ভালো, তবে খোসা একটু শুকনো হয়।

রাইস কুকার নাকি গ্যাসের চুলা — কোনটিতে খরচ কম?

মিটারযুক্ত গ্যাস লাইনের তুলনায় রাইস কুকারে সাধারণত প্রতি বেলায় খরচ কম পড়ে। 700W কুকার ২৫ মিনিট চললে প্রায় ০.৩ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। মিটার ছাড়া নির্দিষ্ট বিলের গ্যাসে চুলাই সস্তা, তবে কুকার ভাত সমান রাখে ও নজর রাখতে হয় না। এখানে রাইস কুকার শুরু ৳ ৩,০০০ থেকে।

বাংলাদেশে ছোট কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সে কী ওয়ারেন্টি থাকে?

বেশিরভাগে পুরো যন্ত্রে এক বছরের ওয়ারেন্টি, কিছু ব্র্যান্ডে মোটরে দুই বছর। তবে তা কার্যকর কেবল অফিসিয়াল আমদানিকারকের মাধ্যমে এলে, তাই বাক্সে স্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটরের সিলসহ ওয়ারেন্টি কার্ড আছে কি না দেখে নিন। সার্ভিস পয়েন্ট মূলত ঢাকা ও চট্টগ্রামে, আর ছোট ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে আরও সীমিত।

ClickBD-তে সবচেয়ে কম দামের কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স কোনটি?

এই ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে কম দামের পণ্য একটি ইলেকট্রিক নাইফ শার্পনার, দাম ৳ ৩৮০। এর উপরে ডিজিটাল কিচেন স্কেল ৳ ৪৫০ থেকে, চপার ৳ ৭০০ থেকে, স্যান্ডউইচ মেকার ৳ ১,১০০ থেকে ও ইলেকট্রিক কেটলি ৳ ১,১৭০ থেকে। মোট ১৫টি পণ্য ৳ ২,৫০০ এর নিচে, যা টেকসই এক-কাজের যন্ত্রের বাস্তব শুরু।

এখান থেকে বেছে নিন

উপরের প্রাইস ফিল্টারে চারটি ব্যান্ডের একটি বেছে নিন, তারপর ব্র্যান্ডের আগে কাজটা ঠিক করুন। দুটি এয়ার ফ্রায়ারের মধ্যে দ্বিধা থাকলে ৳ ৭,৮৫০ এর Miyako আর ৳ ১৪,০০০ এর Philips তুলনা করুন প্রিসেট নয়, বাস্কেটের লিটার ও ওয়াট দিয়ে। এখানে না মিললে পাশের ক্যাটাগরি দেখুন: মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্যাস ও ইন্ডাকশন কুকার, কফি ও এসপ্রেসো মেশিন, ওয়াটার পিউরিফায়ার, রেঞ্জ হুড ও চিমনি এবং ডিশওয়াশার