বাংলাদেশে গিজারের দাম ৳১০,৪৯০ থেকে ৳৪১,৯০০ — পার্থক্যটা আসলে কীসের?
উপরে থাকা ২৫টি স্টোরেজ ওয়াটার হিটারের দাম ৳১০,৪৯০ থেকে ৳৪১,৯০০ পর্যন্ত। দামের এই চারগুণ পার্থক্যের বেশিরভাগটাই আসে ট্যাংকের ক্যাপাসিটি থেকে — সবচেয়ে সস্তা মডেলটি ৩০ লিটারের, আর সবচেয়ে দামিটি ১২০ লিটারের।
তাই কেনার আগে আসল প্রশ্নটা ব্র্যান্ড নয়। প্রশ্নটা হলো, আপনার পরিবারের এক সকালে কত লিটার গরম পানি লাগে। সংখ্যাটা ঠিক থাকলে এই পাতার যেকোনো ব্র্যান্ডই দশ বছর ভালো চলবে। সংখ্যাটা ভুল হলে পরের দশ বছর প্রতি শীতে দ্বিতীয় গোসলের জন্য ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।
স্টোরেজ গিজার ট্যাংকে গরম পানি জমিয়ে রাখে, তাই পরিবারের কয়েকজন পরপর গোসল করলে এটিই উপযুক্ত। একজন ব্যবহারকারী আর দেয়ালে জায়গা কম হলে ইনস্ট্যান্ট ওয়াটার হিটার চালাতে খরচ কম পড়ে। নিচের পুরো আলোচনা ধরে নিচ্ছে আপনি স্টোরেজই কিনবেন।
দাম অনুযায়ী স্টোরেজ গিজারের চারটি ভাগ
২৫টি মডেলের দাম সমানভাবে ছড়ানো নয়। এগুলো চারটি স্পষ্ট ভাগে জমে আছে, আর প্রতিটি ভাগের মাঝের ফাঁকটা আসলে পণ্যের প্রকৃত পার্থক্য বোঝায়।
| ভাগ | দামের রেঞ্জ | মডেল | যা পাওয়া যায় |
|---|---|---|---|
| এন্ট্রি | ৳ ১০,৪৯০ – ৳ ১২,৯০০ | ৮ | ১০-১৫ লিটার কমপ্যাক্ট, আর সবচেয়ে সাশ্রয়ী ৩০ ও ৪০ লিটার ট্যাংক |
| পারিবারিক | ৳ ১৩,৩৯০ – ৳ ১৫,৯০০ | ৭ | ৪০ ও ৫০ লিটার — বেশিরভাগ পরিবার শেষপর্যন্ত এখান থেকেই কেনে |
| উচ্চ-মধ্যম | ৳ ১৬,৭০০ – ৳ ১৯,৩০০ | ৬ | একই ক্যাপাসিটির স্লিম বডি ও বেশি এনার্জি-সাশ্রয়ী সংস্করণ |
| বড় ক্যাপাসিটি | ৳ ২১,৯০০ – ৳ ৪১,৯০০ | ৪ | প্রিমিয়াম ৫০ লিটার, এরপর ৮০, ১১২.৫ ও ১২০ লিটার |
রেঞ্জের শুরুতে আছে Haier ES30H-CK3 ৩০ লিটার, দাম ৳১০,৪৯০; আর সবার উপরে TESY Horizontal 120L, দাম ৳৪১,৯০০। একই ক্যাপাসিটির ভেতরেও পার্থক্য আছে: এখানে ৫০ লিটার ট্যাংকের দাম ৳১৩,৩৯০ থেকে ৳২১,৯০০ পর্যন্ত। বাড়তি ৳৮,৫০০ দিয়ে পাবেন পাতলা বডি, ভালো ইনসুলেশন ও দীর্ঘ ট্যাংক ওয়ারেন্টি — বেশি গরম পানি নয়।
কত লিটারের গিজার আপনার দরকার?
এক বালতি গোসলে গরম পানি লাগে মোটামুটি ১৫ থেকে ২০ লিটার। শাওয়ারে লাগে ২৫ থেকে ৩৫ লিটার। এই দুটো সংখ্যা মাথায় রাখলেই সঠিক ক্যাপাসিটি বের করা সহজ, কারণ স্টোরেজ ট্যাংক তার পুরো পানি দেওয়ার পর আবার গরম হতে সময় নেয়।
১০-১৫ লিটার
একজন মানুষ, অথবা রান্নাঘরের বেসিন। এক বালতি গোসলের জন্য যথেষ্ট, বাড়তি কিছু থাকবে না। প্রায় ১৫ মিনিটে আবার গরম হয়ে যায়। এই পাতার ১৫ লিটার মডেলগুলোর চারটিই Havells-এর।
সাজেস্টেড
৩০ লিটার
দুইজন, অথবা একজন যিনি শাওয়ার নিতে পছন্দ করেন। পরপর দুই বালতি গোসল চলে যায়। বাংলাদেশের ফ্ল্যাটে এই সাইজটিই সবচেয়ে প্রচলিত, আর এই পাতার সবচেয়ে সাশ্রয়ী ক্যাপাসিটিও এটি — ৫টি মডেল, শুরু ৳১০,৪৯০ থেকে।
সাজেস্টেড
৪০-৫০ লিটার
এক বাথরুম ভাগ করে ব্যবহার করা তিন-চারজনের পরিবার। পরপর দুটি শাওয়ার বা তিন বালতি গোসল সামলে নেয়। এই পাতার ২৫টির মধ্যে ১০টিই এই রেঞ্জে, তাই পছন্দের সুযোগও এখানেই সবচেয়ে বেশি।
সাজেস্টেড
৮০ লিটার বা তার বেশি
একসাথে দুই বাথরুম, যৌথ পরিবার, বা গেস্ট হাউস। পুরো ট্যাংক গরম হতে এক ঘণ্টার বেশি লাগে, তাই এগুলো সেসব বাড়ির জন্য যেখানে একবার গরম করে সারা সকাল পানি নেওয়া হয়।
সাজেস্টেড
দুটি জনপ্রিয় ক্যাপাসিটি এই মুহূর্তে এই ক্যাটাগরিতে নেই — ২০ লিটার এবং ৪৫ লিটার। ২০ লিটার খুঁজছিলেন? তাহলে ২৫ লিটারের Havells MONZA Slim নিন। ৪৫ খুঁজছিলেন? ৫০ নিন। বড় দিকে রাউন্ড করলে কয়েকশ টাকা বেশি লাগে, কিন্তু ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে হয় না।
হরাইজন্টাল নাকি ভার্টিক্যাল — কোনটা আপনার বাথরুমে লাগবে?
এখানেই বেশিরভাগ মানুষ ভুল করেন, আর দামের তুলনা করা সাইটগুলো এই বিষয়টা কখনো বলে না। স্টোরেজ ট্যাংক হয় দেয়ালে খাড়াভাবে বসে, নয়তো মাথার উপরে লম্বালম্বি — আর বাথরুম একবার তৈরি হয়ে গেলে দুটো আর বদলাবদলি করা যায় না।
| বিষয় | হরাইজন্টাল | ভার্টিক্যাল |
|---|---|---|
| কোথায় বসে | দরজার ফ্রেমের উপরে বা ফলস সিলিংয়ের নিচে | খোলা দেয়ালে, প্রায় ৬০ সেমি উচ্চতা দরকার |
| উপযুক্ত | ঢাকা ও চট্টগ্রামের নিচু সিলিংয়ের ফ্ল্যাট | পুরনো বাড়ি ও নিচতলার উঁচু বাথরুম |
| গরম হওয়ার ধরন | গরম-ঠান্ডা পানি বেশি মেশে, শেষ কয়েক লিটার আগে ঠান্ডা হয় | গরম পানি উপরে থাকে, পুরো রেটেড ভলিউম পাওয়া যায় |
| এই পাতায় | Haier ES40H-CK3 40L, Havells Monza DX-H 50L | Haier ES15V-SPA 15L ও বেশিরভাগ Midea D-সিরিজ |
অর্ডার দেওয়ার আগে মেপে নিন। বাথরুমে দাঁড়িয়ে দেখুন পানির লাইন কোথায় শেষ হয়েছে, আর সেই জায়গায় কতটুকু ফাঁকা উচ্চতা আছে। ৫০ লিটারের একটি ভার্টিক্যাল ট্যাংক প্রায় ৯০ সেমি লম্বা — পাইপের মুখের উপরে আপনার ফলস সিলিং এর চেয়ে নিচু হলে হরাইজন্টাল ছাড়া উপায় নেই, যত ডিসকাউন্টই থাকুক।
বাজেট অনুযায়ী সেরা স্টোরেজ গিজার
প্রতিটি ভাগ থেকে একটি করে পছন্দ, আর সেই বাজেটে থাকলে কী ছাড়তে হচ্ছে।
এন্ট্রি
৳ ১০,৪৯০ – ৳ ১২,৯০০
- পছন্দ: ECO+ ECWH-D40H 30L, ৳ ১১,৯০০
- ৳১২,০০০-এর নিচেই পুরো ৩০ লিটার
- ছাড়তে হবে: স্লিম বডি ও দীর্ঘ ট্যাংক ওয়ারেন্টি
পারিবারিক
৳ ১৩,৩৯০ – ৳ ১৫,৯০০
- পছন্দ: Walton WG-Crystal Pro 50L, ৳ ১৫,৪০০
- ৫০ লিটার, সাথে দেশজুড়ে সার্ভিস
- ছাড়তে হবে: উল্লেখ করার মতো কিছু নয়
উচ্চ-মধ্যম
৳ ১৬,৭০০ – ৳ ১৯,৩০০
- পছন্দ: Havells Monza DX-H 50L, ৳ ১৭,৮৮৯
- ভালো ইনসুলেশন, সারা রাত গরম ধরে রাখে
- ছাড়তে হবে: সমমানের Walton-এর চেয়ে প্রায় ৳২,৫০০ বেশি
বড় ক্যাপাসিটি
৳ ২১,৯০০ – ৳ ৪১,৯০০
- পছন্দ: Shameem Tropica 112.5L, ৳ ২৮,০০০
- বহুতল ভবনের পানির চাপ ও একাধিক বাথরুমের জন্য
- ছাড়তে হবে: দেয়ালের জায়গা, আর এক ঘণ্টার বেশি রিহিট সময়
বাংলাদেশের বাসায় গিজার কেনার আগে
ভোল্টেজ ও ওয়্যারিং
স্টোরেজ গিজার মূলত একটি হিটিং এলিমেন্ট ও থার্মোস্ট্যাট, তাই বাংলাদেশের বিদ্যুতের ভোল্টেজ ওঠানামা এটি এসির কম্প্রেসরের চেয়ে অনেক ভালোভাবে সামলাতে পারে। স্ট্যাবিলাইজার প্রায় কখনোই লাগে না। যা সত্যিই দরকার তা হলো আলাদা সার্কিট ব্রেকার আর কার্যকর আর্থিং, কারণ এলিমেন্টটি পানির ভেতরে থাকে। ইলেকট্রিশিয়ান চলে যাওয়ার আগে আর্থ তারটা দেখে নিন।
পানির মান ও ট্যাংকের আয়ু
ঢাকার বড় অংশ গভীর নলকূপের পানিতে চলে, যেখানে খনিজ ও আয়রনের মাত্রা বেশি। ট্যাংক নষ্ট হওয়ার অনেক আগেই এলিমেন্টে স্কেল জমে গরম হওয়ার গতি কমে যায়। বছরে একবার ট্যাংক ফ্লাশ করা আর দুই-তিন বছর পরপর অ্যানোড রড চেক করানোই সবচেয়ে সস্তা রক্ষণাবেক্ষণ। বদলি এলিমেন্ট ও ফিটিংস পাবেন পার্টস ও অ্যাকসেসরিজ সেকশনে।
ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক
লিস্টিংয়ে ওয়ারেন্টির মেয়াদ এবং বিক্রেতা অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি কার্ড দিচ্ছে কিনা দেখে নিন। দেশে তৈরি ও অ্যাসেম্বল করা ব্র্যান্ডগুলোর সার্ভিস নেটওয়ার্ক বিভাগীয় শহরের বাইরেও বিস্তৃত, আর আমদানি করা ইউরোপীয় ট্যাংকের সার্ভিস পয়েন্ট মূলত ঢাকা ও চট্টগ্রামে। বিভাগীয় শহরের বাইরে থাকলে এই দিকটা আগে ভেবে নিন।
ইনস্টলেশন
বাড়ির কেয়ারটেকার নয়, অভিজ্ঞ প্লাম্বার দিয়ে লাগান। বসানোর উচ্চতা, প্লাস্টারে নয় বরং ছাদের স্ল্যাবে ব্র্যাকেট আটকানো, আর সচল প্রেসার রিলিফ ভালভ — এই তিনটিই ঠিক করে দেয় ইনস্টলেশনটা দশ বছর টিকবে নাকি সিলিং দিয়ে পানি পড়বে।
যে পাঁচটি ভুলে টাকা নষ্ট হয়
৳২,০০০ বাঁচাতে ছোট ট্যাংক
এই পাতায় ৩০ আর ৫০ লিটারের দামের ফারাক প্রায়ই ৳৩,০০০-এর কম। প্রতি শীতের সন্ধ্যায় দুইবার পানি গরম করার বিদ্যুৎ বিল দশ বছরে এর চেয়ে অনেক বেশি হবে।
নিচু সিলিংয়ে ভার্টিক্যাল অর্ডার
ফলস সিলিংয়ে না আঁটলে সেটা ইনস্টলেশন নয়, রিটার্ন। কার্টে যোগ করার আগে মাউন্টিং পয়েন্টটা মেপে নিন।
সারাদিন চালু রাখা
ভালো ইনসুলেশনের ট্যাংক কয়েক ঘণ্টা গরম ধরে রাখে। গোসলের ৩০-৪৫ মিনিট আগে চালু করলে সারাদিন চালানোর তুলনায় বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম হয়।
আর্থিং বাদ দেওয়া
এই ভুলটি খরচের নয়, বিপদের। আর্থিং ও আলাদা ব্রেকার ছাড়া কোনো গিজার চালু করা উচিত নয়।
বহুতলে পানির চাপ উপেক্ষা
ছাদের ট্যাংক থেকে উপরের তলায় চাপ সস্তা ট্যাংকের রেটিং ছাড়িয়ে যেতে পারে। Shameem Tropica রেঞ্জ এই চাপের জন্যই তৈরি।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
বাংলাদেশে স্টোরেজ গিজারের দাম কত?
ClickBD-তে স্টোরেজ ওয়াটার হিটারের দাম ৩০ লিটারের Haier ES30H-CK3-এর জন্য ৳১০,৪৯০ থেকে শুরু করে ১২০ লিটারের TESY হরাইজন্টাল ট্যাংকের জন্য ৳৪১,৯০০ পর্যন্ত। পরিবারের উপযোগী ৩০ থেকে ৫০ লিটার মডেলগুলোর দাম বেশিরভাগই ৳১০,৪৯০ থেকে ৳১৯,৩০০-এর মধ্যে। ২৫টি লিস্টিংয়ের মাঝামাঝি দাম প্রায় ৳১৪,৮০০।
চারজনের পরিবারের জন্য কত লিটারের গিজার দরকার?
চারজনের জন্য ৪০ থেকে ৫০ লিটারের স্টোরেজ ট্যাংক উপযুক্ত। এতে পরপর দুই বালতি গোসল, অথবা একটি লম্বা শাওয়ারের সাথে রান্নাঘরের পানি পাওয়া যায় — এরপর ট্যাংক আবার গরম হতে সময় নেয়। ClickBD-তে ৳১৩,৩৯০ দামের Haier ES50H-CK3 এবং ৳১৫,৪০০ দামের Walton WG-Crystal Pro 50 Liter এই রেঞ্জেই পড়ে।
বাথরুমের জন্য হরাইজন্টাল নাকি ভার্টিক্যাল গিজার ভালো?
ফলস সিলিং নিচু হলে বা ট্যাংক দরজার ফ্রেমের উপরে বসাতে হলে হরাইজন্টাল গিজারই ভালো, আর ঢাকার বেশিরভাগ অ্যাপার্টমেন্ট বাথরুম এমনই। ভার্টিক্যাল ইউনিট বেশি সমানভাবে পানি গরম করে এবং দেয়ালে কম চওড়া জায়গা নেয়। এই ক্যাটাগরির প্রায় অর্ধেক ট্যাংকই হরাইজন্টাল, যার মধ্যে আছে Haier ES40H-CK3 ও Havells Monza DX-H 50L।
গিজারে কত বিদ্যুৎ খরচ হয়?
৩০ থেকে ৫০ লিটারের একটি সাধারণ স্টোরেজ গিজার গরম হওয়ার সময় ১৫০০ থেকে ২০০০ ওয়াট টানে, তারপর থার্মোস্ট্যাট বন্ধ করে দেয়। ৫০ লিটার ট্যাংক ঠান্ডা থেকে পুরো গরম হতে প্রায় ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট এবং ২ থেকে ২.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে। সারাদিন চালু না রেখে গোসলের আধা ঘণ্টা আগে চালু করলেই আসল সাশ্রয় হয়।
গিজারের জন্য কি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার লাগে?
সাধারণত লাগে না। স্টোরেজ গিজার মূলত একটি রেজিস্টিভ হিটিং এলিমেন্ট ও থার্মোস্ট্যাট, তাই বাংলাদেশের বিদ্যুতে সাধারণ ভোল্টেজ ওঠানামা এটি কম্প্রেসর বা সার্কিট-বোর্ড চালিত যন্ত্রের চেয়ে অনেক ভালোভাবে সহ্য করে। যা সত্যিই জরুরি তা হলো আলাদা সার্কিট ব্রেকার ও সঠিক আর্থ সংযোগ, কারণ এলিমেন্টটি পানির ভেতরে বসে থাকে।
ClickBD-তে কোন ব্র্যান্ডের স্টোরেজ ওয়াটার হিটার সবচেয়ে বেশি?
Havells, মোট ৭টি লিস্টিং নিয়ে, দাম ৳১০,৭৫০ থেকে ৳১৮,৯০০। এরপর আছে Midea ৬টি নিয়ে, Haier ৪টি, আর TESY ও Walton তিনটি করে। Eco+ এবং Shameem Tropica-র একটি করে মডেল আছে। Havells ও Midea মিলে ১০ লিটার থেকে ৫০ লিটার পর্যন্ত সব ক্যাপাসিটি কভার করে।
একজন মানুষ বা রান্নাঘরের জন্য কোন সাইজ ঠিক?
একজন মানুষ বা রান্নাঘরের জন্য ১০ বা ১৫ লিটারের ট্যাংকই যথেষ্ট। ৳১০,৭৫০ দামের Havells Monza Slim 10L এই ক্যাটাগরির সবচেয়ে ছোট ট্যাংক। মনে রাখবেন, এই স্টোরেজ রেঞ্জে এখন কোনো ২০ লিটার মডেল নেই, তাই ১৫ লিটারের পরের ধাপটি সরাসরি ২৫ লিটার।
একটি গিজারের ট্যাংক কতদিন টেকে?
গ্লাস-লাইনড বা স্টেইনলেস ট্যাংক সাধারণত আট থেকে বারো বছর চলে, তবে পানিতে খনিজ বা আয়রন বেশি থাকলে কম টেকে। আয়ু নির্ধারণ করে অ্যানোড রড, কারণ ট্যাংকের বদলে সেটিই ক্ষয় হয়। দুই থেকে তিন বছর পরপর এটি পরীক্ষা করানোই ট্যাংকের আয়ু বাড়ানোর সবচেয়ে সস্তা উপায়।
ClickBD থেকে কি EMI বা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে গিজার কেনা যায়?
হ্যাঁ। ClickBD-তে বিকাশ, নগদ ও ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পেমেন্ট করা যায়, আর যোগ্য লিস্টিংয়ে EMI সুবিধাও আছে। ডেলিভারি হয় ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশে। যোগ্য পণ্যে ওয়ারেন্টি সাপোর্ট প্রযোজ্য, তাই অর্ডারের আগে লিস্টিংয়ে বিক্রেতার উল্লেখ করা ওয়ারেন্টির মেয়াদ দেখে নিন।
এখান থেকেই বেছে নিন
উপরের ক্যাপাসিটি ফিল্টারে আপনার হিসাব করা লিটার সংখ্যাটি বসান, তারপর দাম অনুযায়ী সাজান। সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে Haier ৫০ লিটার আর Havells ৫০ লিটার পাশাপাশি রেখে ওয়ারেন্টি ও ট্যাংক লাইনিং মিলিয়ে দেখুন। স্টোরেজ নাকি ইনস্ট্যান্ট — এখনো ঠিক করতে পারছেন না? পুরো ওয়াটার হিটার ও গিজার রেঞ্জ এবং হিটিং ও কুলিং সেকশন এক ক্লিক দূরে। আরও দেখুন: Midea স্টোরেজ গিজার, TESY বড় ক্যাপাসিটি ট্যাংক, Walton ওয়াটার হিটার ও Eco+ গিজার।
























